একদফা দাবিতে নতুন কর্মসূচি দিল বিএনপি

সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বিলুপ্তিকরণ ও নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের একদফা দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি

ইবিটাইমস ডেস্কঃ মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) রাতে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। নতুন এই কর্মসূচি যুগপৎভাবে পালিত হবে।

দলটির ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আগামী ২৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে এবং পরদিন ২৬ আগস্ট দেশের সকল মহানগরে কালো পতাকা গণমিছিল।

রিজভী বলেন, আগামী ২৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে এবং পরদিন ২৬ আগস্ট দেশের সকল মহানগরে কালো পতাকা গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে সরকার পতনের এক দফা দাবির অংশ হিসেবে শুক্রবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীতে গণমিছিল করে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি।

২২ আগস্ট, ২০২৩ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সংবাদ সম্মেলনের বিস্তারিত বিবৃতি:

সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা,
আসসালামু আলাইকুম। আজকের প্রেস ব্রিফিংয়ে সবাইকে জানাচ্ছি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,
বিএনপি কতৃর্ক সময় টেলিভিশন ও একাত্তর টেলিভিশন বয়কটের সিদ্ধান্তে উদ্বেগ জানিয়েছে টেলিভিশন চ্যানেল মালিকদের এ্যাসোসিয়েশন (অ্যাটকো)। অ্যাটকো বলেছে, বিএনপি আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিয়ে উক্ত দুই টেলিভিশন চ্যানেল বয়কটের ঘোষণা গণমাধ্যমে স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরুপ। এ বিষয়ে আমাদের বক্তব্য হচ্ছে—কোন গণমাধ্যম রাজনৈতিক দলের নেতার বক্তব্য ও রাজনৈতিক ঘটনা সমূহ প্রচার করতে পারে, বিকৃত করতে পারে না। গণমাধ্যম নিজেই যদি ফ্যাসিবাদের প্রচারক হয়, তাহলে সেটি হবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য সবচেয়ে ভয়ানক হুমকি ও আতঙ্কের। একদিকে বিএনপি’র নেতা—নেত্রীদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার ও কুৎসা রটনা করছে ক্ষমতাসীন দলের নেতা—নেত্রীরা। এদের সাথে তাল মিলিয়ে কিছু গণমাধ্যম নিরপেক্ষ প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন না করে নিজেরাও কুৎসার নামে নানা কাহিনী তৈরী করে প্রচার করছে, যা সম্পূর্ণরুপে সৎ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিপন্থী। সিএসবি নিউজ, চ্যানেল ওয়ান, ইসলামিক টিভি, দিগন্ত টেলিভিশন, দৈনিক আমার দেশ ও দৈনিক দিনকালের প্রকাশনা বন্ধের সময় অ্যাটকো চুপ ছিল। এতেই বুঝা যায় তারা কারো নির্দেশে প্রভাবিত।

উল্লিখিত দু’টি টেলিভিশনে শুধুমাত্র টকশো বর্জনের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু অন্যান্য কার্যক্রম যেমন সংবাদ সংগ্রহে তো কোন ধরণের অসহযোগিতা করা হয়নি। টকশো’র সঞ্চালকরা এমনভাবে টকশো পরিচালনা করেন যেখানে বিএনপি, জিয়া পরিবার ও চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পর্কে কুৎসা রটনাকে আরও জোরালো করেন। তাদের মূল দায়িত্বটাই থাকে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে নিজেকে একজন খাঁটি আওয়ামী রাজনীতির অনুসারী হিসেবে তুলে ধরা। উক্ত দুটি টেলিভিশন টকশো নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। মূলত: তাদের টকশো পরিচালিত হয় গণমাধ্যমের নীতিমালা উপেক্ষা করে।

বন্ধুরা,
গতকাল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে প্রধানমন্ত্রী ২১ শে আগস্ট নিয়ে যে বক্তব্য রেখেছেন তাতে মনে হয়েছে এটি বিকৃত মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। মানুষের ভোটাধিকার, ব্যক্তি স্বাধীনতা তথা বহুমাত্রিক গণতন্ত্রকে উচ্ছেদ করার পাশাপাশি গুম, ক্রসফায়ার, অপহরণ, গায়েবী মামলা, ব্যাংক ডাকাতি, রিজার্ভ চুরি, অর্থ পাচারের সাথে সম্পৃক্ত দলের নাম আওয়ামী লীগ। জিয়া পরিবারকে নিয়ে কোন সভ্য রাজনৈতিক নেতা এ ধরণের বক্তব্য দিতে পারেন না। শেখ হাসিনা বিশ^াস করেন—অশান্তি, হিংসা আর রক্তপাতকে। তিনি হানাহানিকেই টিকিয়ে রেখেছেন অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে বাদ দিয়ে। শেখ হাসিনা ভোটারদের কাছে যেতে পারবেন না বলেই মহানগর, জেলা, উপজেলায় খুন—জখম দেখতে ভালবাসেন। শেখ হাসিনা গণতন্ত্র এবং সুষ্ঠু ভোটের প্রতি এক ধরণের ক্রোধ থেকে তার প্রত্যহ জন্ম নেয় প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের সব ভয়াবহ ঘটনা। বিএনপি’র মিছিলের আওয়াজ পেলেই গুলি চালাতে নির্দেশ দেন তিনি। আর বিএনপি’র নেতাকর্মীদের রক্তাক্ত শরীর দেখলে তিনি পৈশাচিক আনন্দ লাভ করেন। তিনি আন্দাজ করে ফেলেছেন যে, রক্তাক্ত আক্রমণ চালিয়ে তিনি আর ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবেন না। তাই বিএনপি ও জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে রুটিন মাফিক বিষোদগারের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছেন। শেখ হাসিনা এখন যে চিৎকার দিচ্ছেন সেটি হলো—প্রদীপ নিভে যাওয়ার আগে যেমন দ্বিগুন তেজে জ¦লে ওঠে সেরকমই। জিয়া পরিবারকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গতকালের বক্তব্য জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করেছে।

সারাদেশে আওয়ামী সন্ত্রাসী ও পুলিশ বাহিনী কতৃর্ক হামলা, মামলা ও গ্রেফতারের বিবরণ

গ্রেফতার ঃ
 আওয়ামী সন্ত্রাসী দ্বারা গুরুতর আহত ছাত্রদল নেতা আবু তৈয়বকে আজ রাজধানীর নিউ লাইফ হাসপাতালে দেখতে যান কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ—সভাপতি আবুল হাসান চৌধুরী। এসময় হাসপাতালের সামনে থেকে আবুল হাসান চৌধুরীকে ডিবি পুলিশ তুলে নিয়ে যায়।

 নারায়ণগঞ্জ জেলাধীন সোনারগাঁও থানার জামপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম মেম্বার, মোগরাপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোঃ সুরুজ মিয়া; ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সহ—সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম সর্দার, রূপগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা— সুমন, নাদিম, আয়লান, পিন্টু, স্বপন, বিষু, পারভেজ ও সাজ্জাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 হবিগঞ্জ জেলার জনাব আলী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন ফয়সাল, আজমিরিগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ফখরুল ইসলাম ও ৫ নং দৌলতপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি শেখ মোঃ ওমর ফরুকসহ ১৪ জনের অধিক নেতাকমীর্কে গ্রেফতার করে পুলিশ।

 ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আওতাধীন ৪৬ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক মোঃ সোহাগ , ৩৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম স্বপন, মোঃ মনির হোসেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক— ৪৩নং ওয়ার্ড বিএনপি, যাত্রাবাড়ী থানার ৬৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

 ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলাধীন পাগলা থানা বিএনপি নেতা— ফরিদ খান, যুবদল নেতা ফারুক খান ও ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ খানকে বিনা ওয়ারেন্টে গভীর রাতে তাদের বাসায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়াও ভালুকা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বয়ক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন পাঠান, যুবদল নেতা মোঃ দুলাল ও শ্রমিকদল নেতা মোঃ উজ্জ্বল মিয়া এবং মুক্তাগাছা উপজেলার কুমারগাতা ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য মোঃ উজজল মিয়া, মোঃ ইদ্রিস আলী, যুবদল নেতা মোঃ রফিকুল ইসলাম, উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিপ্লব হোসেন রবি, জেলা যুবদলের সহ—সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ন কবির, গৌরিপুর উপজেলা বিএনপি নেতা মনির খান, ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি আঃ মালেক মেম্বার, ইশ^রদী উপজেলা যুবদল নেতা খায়রুল আলম সোহাগ, ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি আবুল কালাম ও বিএনপি নেতা তারেকুল ইসলাম তারেককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

হামলা ও আহত ঃ
 গতকাল মাগুরা জেলাধীন মোহাম্মদপুর উপজেলার ৪ নং রাজাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র সহ—সভাপতি আবু তৈয়বকে স্থানীয় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে নৃশংসভাবে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে। সে এখন হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। যেকোন সময় দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করতে পারে

 গত ১৯ আগষ্ট হবিগঞ্জ জেলায় বিএনপি’র পদযাত্রায় এবং বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ¦ জি কে গউছ এর বাসভবনে এসপি মুরাদ আলী এবং এডিশনাল এসপি খলিলুর রহমান এর নির্দেশে পুলিশ নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে। এছাড়াও গতকাল হবিগঞ্জ জেলা বিএনপি’র কার্যালয়ে স্থানীয় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়।

 গত ১৯ আগষ্ট ২০২৩ তারিখ, শনিবার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার দাবীতে জাতীয়তাবাদী দল— বিএনপি’র কেন্দ্র ঘোষিত পদযাত্রা কর্মসূচি চলাকালে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হয়— বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান, সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী সেলিম হক রুমি, পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোতালেব কমিশনার, জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মুজিবর রহমান, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম সজিব, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ ভূইয়া, নারায়ণগঞ্জ জেলা জাসাসের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন রানা, রুগগঞ্জ থানা জাসাসের সভাপতি সুমন, সাধারণ সম্পাদক মিসির আলী মাতুব্বর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক সাত্তার, গোলাকান্দা ইউনিয়ন জাসাস এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নোয়াব আলীসহ প্রায় ২৫০ জনের অধিক নেতাকমী।

মামলাঃ
 ১৯ আগষ্ট ২০২৩ তারিখ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপি’র কেন্দ্র ঘোষিত পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জ জেলায়, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ¦ জি কে গউছসহ ১০০০ জন বিএনপি নেতাকমীর্কে আসামী করে ২টি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 নারায়ণগঞ্জ জেলায় ১টি মিথ্যা মামলায় বিএনপি’র সহ—আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ ও জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দীনসহ মোট এজাহার নামীয় ১১৪ জন এবং অজ্ঞাতনামা ৭০০ জনকে আসামী করা হয়েছে।

 ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যাত্রাবাড়ী থানায় ১টি মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তানভির আহম্মেদ রবিনসহ ৪৩ জনকে আসামী করা হয়েছে।

গত ১৮ ও ১৯ আগষ্ট ২০২৩ তারিখ বিএনপি’র কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি গণমিছিল ও পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সারাদেশের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ঃ—
মোট আহতঃ  ৩৫০ জন
মোট মামলাঃ ০৪ টি
মোট আসামীঃ ২১১৫ জন
মোট গ্রেফতারঃ ৯৪ জন
 গত ২৮ ও ২৯ জুলাই ২০২৩ তারিখ হতে অদ্যাবধি বিএনপি’র কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সারাদেশের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ঃ—
মোট আহতঃ ১২০০ জন
মোট মামলাঃ ৩২৪ টি
মোট গ্রেফতারঃ ১৫২১ জন
মোট আসামীঃ ১৩,১১৫ জন

কর্মসূচিঃ
১। অবৈধ, লুটেরা, ফ্যাসিস্ট সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বিলুপ্তিকরণ, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ১ দফা দাবিতে আগামী ২৫ আগস্ট ২০২৩, শুক্রবার ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে কালো পতাকা গণমিছিল এবং
২। ২৬ আগস্ট ২০২৩, শনিবার দেশের সকল মহানগরে কালো পতাকা গণমিছিল কর্মসূচি পালিত হবে।

ধন্যবাদ সবাইকে।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »