ভিয়েনা ০১:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বুলগেরিয়ান সীমান্তে তিন মিশরীয় অনিয়মিত অভিবাসী প্রত্যাশী কিশোরের মৃত্যু ইন্দোনেশিয়য় ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৩ জনে দাঁড়িয়েছে ইউক্রেন শান্তি পরিকল্পনার আলোচকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন – ভলোদিমির জেলেনস্কি অস্ট্রিয়ার আগামী বাজেট ঘাটতি পেনশন ব্যবস্থার ওপর প্রভাব পড়তে পারে মাভাবিপ্রবিতে পরিবেশ বিষয়ক ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে : সিইসি টাঙ্গাইলে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তিতে খোলা ময়দানে মোনাজাত স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনসহ নানা অভিযোগে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই বড় পাওয়া: প্রধানমন্ত্রী

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৭:২৮:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩
  • ২৩ সময় দেখুন

ঢাকা প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে কোনো মানুষ ঠিকানাহীন থাকবে না। ছিন্নমূল মানুষের কর্মসংস্থানেরও সুযোগ করে দিচ্ছে সরকার, তাই ঘর পাওয়ার পর দুঃখী মানুষের মুখে হাসিই সবচেয়ে বড় পাওয়া।

বুধবার (২২ মার্চ) গণভবন থেকে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ৩৯ হাজার ৩৬৫ পরিবারকে ভূমি ও ঘর দেওয়ার অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিন প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরের শ্রীপুর, বরিশালের বানারীপাড়া ও সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হন।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের দল। এ দল মানুষের পাশে থাকে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেছে। আমাদের একটাই লক্ষ্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর দেশে কোনো মানুষ ঠিকানাবিহীন থাকবে না। আমরা চাই দেশের সবার ঘর-বাড়ি থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় কোনো মানুষ ঠিকানাহীন থাকবে না। শুধু থাকার ব্যবস্থাই নয়, আমরা পানি ও বিদ্যুতের ব্যবস্থার পাশাপাশি ঋণসহ প্রয়োজনীয় সব বিষয়ে সহায়তা করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, একটি উপজেলায়ও ভূমিহীন ও গৃহহীন থাকবে না। দুর্যোগে কেউ ভূমিহীন হলে তাকেও ঘর করে দেওয়া হবে।

জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, কেউ যদি ভূমিহীন বা গৃহহীন থাকে আপনারা তার তালিকা করবেন। আমরা তাদেরও ঘর করে দেব।

তিনি বলেন, আমি খুবই আনন্দিত চতুর্থ পর্যায়ে আরও ৩৯ হাজার ৩৬৫ পরিবারকে ভূমি ও ঘর দিতে পারছি। দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারা অনেক আনন্দের।

সরকারপ্রধান বলেন, ১৯৯১ সালের বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ঘুমিয়ে ছিলেন। সে সময় বিএনপি সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

এদিন মাদারীপুর, গাজীপুর, নরসিংদী, রাজশাহী, জয়পুরহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও চুয়াডাঙ্গা জেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ১৫৯টি উপজেলাকেও ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা দেন।

ঢাকা/ইবিটাইমস/আরএস

জনপ্রিয়

বুলগেরিয়ান সীমান্তে তিন মিশরীয় অনিয়মিত অভিবাসী প্রত্যাশী কিশোরের মৃত্যু

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই বড় পাওয়া: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময় ০৭:২৮:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩

ঢাকা প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে কোনো মানুষ ঠিকানাহীন থাকবে না। ছিন্নমূল মানুষের কর্মসংস্থানেরও সুযোগ করে দিচ্ছে সরকার, তাই ঘর পাওয়ার পর দুঃখী মানুষের মুখে হাসিই সবচেয়ে বড় পাওয়া।

বুধবার (২২ মার্চ) গণভবন থেকে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ৩৯ হাজার ৩৬৫ পরিবারকে ভূমি ও ঘর দেওয়ার অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিন প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরের শ্রীপুর, বরিশালের বানারীপাড়া ও সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হন।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের দল। এ দল মানুষের পাশে থাকে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেছে। আমাদের একটাই লক্ষ্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর দেশে কোনো মানুষ ঠিকানাবিহীন থাকবে না। আমরা চাই দেশের সবার ঘর-বাড়ি থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় কোনো মানুষ ঠিকানাহীন থাকবে না। শুধু থাকার ব্যবস্থাই নয়, আমরা পানি ও বিদ্যুতের ব্যবস্থার পাশাপাশি ঋণসহ প্রয়োজনীয় সব বিষয়ে সহায়তা করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, একটি উপজেলায়ও ভূমিহীন ও গৃহহীন থাকবে না। দুর্যোগে কেউ ভূমিহীন হলে তাকেও ঘর করে দেওয়া হবে।

জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, কেউ যদি ভূমিহীন বা গৃহহীন থাকে আপনারা তার তালিকা করবেন। আমরা তাদেরও ঘর করে দেব।

তিনি বলেন, আমি খুবই আনন্দিত চতুর্থ পর্যায়ে আরও ৩৯ হাজার ৩৬৫ পরিবারকে ভূমি ও ঘর দিতে পারছি। দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারা অনেক আনন্দের।

সরকারপ্রধান বলেন, ১৯৯১ সালের বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ঘুমিয়ে ছিলেন। সে সময় বিএনপি সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

এদিন মাদারীপুর, গাজীপুর, নরসিংদী, রাজশাহী, জয়পুরহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও চুয়াডাঙ্গা জেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ১৫৯টি উপজেলাকেও ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা দেন।

ঢাকা/ইবিটাইমস/আরএস