পিরোজপুর পুলিশের এএসআই সহ ৫ জন আটক

পিরোজপুর প্রতিনিধি: চাঁদাবাজির অভিযোগে পিরোজপুর সদর থানার এএসআই রুবেল হোসেনসহ  ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদেরকে সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার কল্যাণপুর গ্রাম থেকে আটক করেন  থানা পুলিশ। সময় তাদের কাছ থেকে একটি রিভালবার, রাউন্ড গুলি সহ একটি ম্যাগাজিন, দুটি হ্যান্ডকাপ একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়। 

পিরোজপুর সদর থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) আ.জ.ম মাসুদুজ্জামান রবিবার (০৫ মার্চ) সন্ধ্যায় ওই এএসআইকে আটকের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ওই  পুলিশের এএসআই গত শুক্রবার রাতে কর্তৃপক্ষের অনুমতি বিহীন চুটি নেন। গত শনিবার (০৪ মার্চ) রাতে তাকে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতারের খবর শুনেছি।   

গ্রেফতারকৃতরা হলেনপিরোজপুর সদর থানার এএসআই রুবেল হোসেন (৩০), পিরোজপুর সদর থানার পান্তাডুবি গ্রামের রহম আলীর ছেলে মনির হোসেন (৩৫), একই গ্রামের আনোয়ার শিকদারের ছেলে সোহেল শিকদার (৩৩), একই থানার চরলোহারকাটি গ্রামের ইউনুচ মৃধার ছেলে আবুল কালাম মৃধা (৩৫) গাড়িচালক পূর্ব শিকারপুর গ্রামের আবদুল মালেক মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩২)  

থানা পুলিশ স্থানীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুর সদর থানার এএসআই রুবেল হোসেন তার তিন সঙ্গীকে নিয়ে একটি প্রাইভেটকারে চড়ে গত শুক্রবার (০৩ মার্চ) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামের রওশন আলী মোল্লার ছেলে আশিকুর রহমান ওরফে আশিকের বাড়িতে যায়। সময় নিজেকে ঢাকার সাইবার ক্রাইমের একজন র‌্যাবের অফিসার পরিচয় দিয়ে ওয়ান লাইনে জুয়ার ব্যবসা করার অভিযোগ তুলে আশিকের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবিকৃত চাঁদার টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে এএসআই রুবেল হোসেন তার কাছে থাকা হ্যান্ডক্যাপ বের করে গ্রেফতারের জন্য আশিকের হাতে লাগানোর চেষ্টা করে। সময় সন্দেহ হলে গ্রামবাসী এএসআই রুবেল হোসেনসহ তার অপর তিন সঙ্গি মনির হোসেন, সাহেল শিকদার, কালাম মৃধা গাড়িচালক সাইফুলকে আটক করে গণপিটুনি দেয়।

আশাশুনি থানার ওসি মমিনুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগ গ্রামবাসী এএসআই রুবেল হোসেন সহ পাঁচজনকে আটক করে পুলিশে সোপার্দ করে। ঘটনায় ভুক্তভোগী আশিকুর রহমান বাদি হয়ে আটক পাঁচজনসহ একজনকে পলাতক দেখিয়ে শনিবার একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এইচ এম লাহেল মাহমুদ/ইবিটাইমস 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »