ভিয়েনার রাজ্য গভর্নর ও সিটি মেয়র মিখাইল লুডভিগ (SPÖ) তুরস্ক ও সিরিয়া থেকে আসা ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের ভিয়েনায় সাময়িকভাবে থাকার ব্যবস্থা করতে চান
ইউরোপ ডেস্কঃ গতকাল বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ভিয়েনার মেয়র মিখাইল লুডভিগ এক টুইট বার্তায় এই সাহায্যের কথা জানান। উল্লেখ্য যে,তুরস্ক ও সিরিয়ায় সংগঠিত ভূমিকম্প বিপর্যয়ে প্রায় ৪১,০০০ বেশি মানুষ মারা গেছে। ভিয়েনার সিটি মেয়র বেঁচে থাকা মানুষদের সাহায্য করতে চান। তিনি টুইট বার্তায় আরও বলেন, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের সহজে ভিসা পাওয়া উচিত।
উল্লেখ্য যে,গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে সিরিয়া সীমান্তের কাছে স্মরণকালের ভয়াবহ বিধ্বংসী ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭,৮ মাত্রার ভূমিকম্প। এই ভূমিকম্পের ধ্বংসযজ্ঞ ছিল বিশাল। মৃতের সংখ্যা এখন প্রায় ৪১,০০০ এর বেশি। জাতিসংঘের আশঙ্কা যে ৫০,০০০ এরও বেশি মানুষ এই দুর্যোগে প্রাণ হারিয়েছে। এই অঞ্চলের কয়েক মিলিয়ন মানুষ বর্তমানে মানবিক সাহায্যের উপর নির্ভরশীল। অনেকেই গৃহহীন এবং প্রচণ্ড শীতল তাপমাত্রায় মানবেতর জীবন যাপন করছে।
ভিসা সুবিধা নিয়ে আলোচনা: বর্তমানে ভূমিকম্প উপদ্রুত অঞ্চলের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপর্যয়কর। মেয়র মিখাইল লুডভিগ তার টুইট বার্তায় আরও জানান, জার্মানির ফেডারেল টেরিটরিতে যেখানে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের আত্মীয়স্বজন আছে সে এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য একটি অস্থায়ী ভিসার বিষয়ে ইতিমধ্যেই জনসাধারণের আলোচনা চলছে৷ ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রথম ভাইস-প্রেসিডেন্ট ওথমার কারাসও এই রকম একটি ধারণার কথা জানিয়েছে।
অস্ট্রিয়ান সংবাদ সংস্থা এপিএ জানিয়েছে, ভিয়েনার মেয়র মিখাইল লুডউইগ এখন টুইটারে ভূমিকম্পের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য “দ্রুত এবং আমলাতান্ত্রিক সাহায্যের” জন্য কথা বলছেন। তিনি “অস্থায়ী ভিসা সুবিধার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য অনেক রাজনৈতিক নির্দেশিকা ইতিমধ্যেই তৈরি করা পরামর্শ” দিয়েছেন।
মেয়র মিখাইল লুডভিগ তার টুইট বার্তায় আরও জানান প্রতিবেশী শরণার্থীদের সাহায্য করার ক্ষেত্রে ভিয়েনার একটি দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। ১৯৫৬ সালে হাঙ্গেরিয়ান বিদ্রোহের পর, হাজার হাজার উদ্বাস্তু নিরাপদ আবাসন খুঁজে পেয়েছিল, অন্তত অস্থায়ীভাবে, ফেডারেল রাজধানী ভিয়েনাতে।
কবির আহমেদ/ইবিটাইমস