স্পোর্টস ডেস্ক: যারা মুকুট আনলেন, যাদের নিয়ে এমন আয়োজন, যারা এই শিরোপার আক্ষেপ ঘুচিয়েছে ও যাদের কারণে গোটা দেশ আজ আনন্দ উল্লাস করেছে, তারাই ঠাই পেলেন না বাফুফের সংবাদ সম্মেলন কক্ষের বেঞ্চে। সাফজয়ী অধিনায়ক সাবিনা খাতুনকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে হলো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে। চ্যাম্পিয়নদের কোচ গোলাম রব্বানি ছোটন ছিলেন আরও পেছনে।
সামনের সারি দখলে ছিল মন্ত্রী, সচিব,বাফুফে সভাপতি ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দখলে। আর সাফ জয়ী নারী দলের সদস্যরা ছিলেন অনেকটা পেছনে দাঁড়িয়ে। আয়োজকরা ছিলেন শো-অফেই ব্যস্ত। থাদের ভাবখানা ছিল- কাপটি তারাই খেলে জিতেছেন। বিমানবন্দর থেকে নেপাল না যাওয়া বেশিরভাগের গলায়ই ছিল ফূলের মালা।
সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয় বাফুফের কনফারেন্স রুমে। সেটিও দেশের সব গণমাধ্যমের কর্মীদের জন্য ছিল অপ্রতুল। ছাদখোলা বাসের ব্যবস্থা করা হলেও অব্যবস্থাপনার চিত্র ফুটে উঠেছে নিদারুণভাবে।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনের পেছনে দাড়িয়ে সাবিনা বলেন, ‘অবশেষে আমরা স্বপ্নটা পূরণ করতে পেরেছি। আপনারা সব সময় পাশে ছিলেন, সমর্থন দিয়েছেন। সেজন্য আপনাদের ধন্যবাদ। আশা করি সামনেও সমর্থন দেবেন এবং আমরা দেশকে আরও ভালো ভালো শিরোপা উপহার দেবো।’
এর আগে বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ বিমানের বিজি ৩৭২ ফ্লাইটে বেলা পৌনে ২টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতি বিমানবন্দরে অবতরণ করে সাবিনা-সানজিদারা। সেখানে তাদের কেক কেটে ও ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল ও বাফুফে সহ সভাপতি আতাউর রহমান মানিক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া সচিব এবং মন্ত্রণালয় ও বাফুফে কর্মকর্তারা।
ডেস্ক/ইবিটাইমস/এমএইচ