ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি জেলায় সরকার খাদ্যবান্ধব ও খোলা বাজারে চাল বিক্রি (ওএমএস) খাতে প্রতিমাসে ৪ কোটি ২৩ লাখ ৩২ হাজার ৭০০ টাকা ভতুর্কি দিয়ে এই কর্মসূচি চালু রেখেছে ।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে জেলার ৪ টি উপজেলার ৩২ টি ইউনিয়নে প্রান্তিক পর্যায় ৩২ হাজার ১৪০ জন দারিদ্রসীমার মধ্যে বসবাসকারী কার্ডধারীরা ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে মাসে চাল কিনতে পারছে । সরকার অর্থনৈতিক মূল্য অনুযাযী ৪৭ টাকা কেজি ধরে চাল ক্রয় করে ডিলারদের কাছে ১৩ টাকা ৫০ পয়সা ধরে বিক্রি করে এবং ডিলাররা প্রতি কেজিতে ১.৫০ টাকা কমিশন নিয়ে ভোক্তা পযার্য়ে বিক্রি করে । সেপ্টেম্বর মাস থেকে নভেম্বর মাস পূর্যন্ত টানা তিন মাস এবং মার্চ ও এপ্রিল এই দুই মাস সহ বছরে ৫ মাস খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি চালু রেখেছে । সরকারকে ৫ মাসে ৪৮২১ মেট্রিক টন চাল ভতিুর্কি মূল্যে বিক্রি করতে হচ্ছে । সরকার এই ৫ মাসে ২২ কোটি ৬২ লাখ ৮৭ হাজার টাকা অর্থনৈতিক মূল্য দিয়ে চাল কিনে ডিলারদের কাছে ৬ কোটি ৫০ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করে । সরকার এই ৫ মাসে ১৬ কোটি ১৫ লাখ ৩ হাজার ৫০০ টাকা ভতুর্কি দিয়ে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি চালু রেখেছে । জেলায় খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাযার্লয়ের নিয়োগকৃত ৬৪ জন ডিলাররে মাধ্যমে ভোক্তা পর্যায়ে চাল বিক্রি করেছে ।
খোলা বাজারে চাল বিক্রি (ওএমএস) খাতে প্রতিদিন জেলা সদরে মধ্যে ঝালকাঠি সদর উপজেলার ঝালকাঠি পৌরসভায় প্রতিদিন ১০ মেট্রিক টন এবং নলছিটি পৌরসভায় ১ মে:টন ও রাজাপুর ও কাঠালিয়া উপজেলা সদরে ২৪ মে:টন চাল বিক্রি করছে । সপ্তাহের ৫ দিন করে বিভিন্ন পয়েন্ট নিধার্রিত ডিলারদের মাধ্যমে ৩০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করা হচ্ছে । প্রতি মাসে ৫২৮ মে:টন চাল খোলা বাজারে (ওএমএস) মাধ্যমে সরকার ১ কোটি ৩২ লাখ টাকা ভতুর্কি দিয়ে কর্মসূচি চালু রেখেছে । চালের সাথে ১৮ টাকা কেজি ধরে আটা বিক্রি করা হচ্ছিল তবে বর্তমানে রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারনে সরকার রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে গম আমদানি করতে না পারায় আটা বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে মর্মে খাদ্য বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
বাধন রায়/ইবিটাইমস