ভিয়েনায় বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব-এর ৯২তম জন্মবার্ষিকী পালন

নিউজ ডেস্কঃ ভিয়েনাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থায়ী মিশনের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদার মধ্য দিয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব-এঁর ৯২তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়। করোনা মহামারীর প্রেক্ষিতে বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে এ উপলক্ষ্যে একটি অনলাইন আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব-এঁর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

আলোচনা অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গমাতার সংগ্রামী জীবনের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন জাতির পিতার আন্দোলন সংগ্রামের প্রতিটি ক্ষেত্রে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রেরণা ও অবদান রয়েছে।

বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গমাতা বঙ্গবন্ধুর কারাগারে বন্দীকালীন সময়ে এবং সংগ্রাম মুখর জীবনে কোন প্রকার চাপের মধ্যে নতিস্বীকার না করতে বঙ্গবন্ধুকে সরাসরি সাহস জুগিয়েছেন।

বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব রাষ্ট্রপ্রধানের সহধর্মিনী হয়েও আজীবন সাধারণ জীবনযাপন করেছেন।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে দূতাবাসের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স রাহাত বিন জামান বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বঙ্গমাতার সংগ্রামী জীবনের বিভিন্ন দিক উল্লেখ করে বলেন, শেখ মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা হওয়ার পেছনে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের অনন্য অবদান রয়েছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদানের ক্ষেত্রেও বঙ্গমাতার পরামর্শ নিয়েছিলেন, যা বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত। জেলাখানায় বসে বঙ্গবন্ধুকে তাঁর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ লিখতে উৎসাহ প্রদানসহ বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে

অনবদ্য অবদান রেখে তিনি হয়ে উঠেন বঙ্গমাতা। তাঁর মত মহিয়সী নারীর জীবনদর্শন অনুসরণ করার মাধ্যমে বাংলাদেশের নারী উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে। তিনি বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জীবনের উপর আরও গবেষণার উপর গুরুত্বারোপ করেন। চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স জাতির পিতা, তাঁর পরিবারের সকল শহীদ ও মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

পরিশেষে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।

নি ডে/ইবিটাইমস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »