ঢাকা: সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যদি ইতিহাস দেখেন তাহলে দেখবেন যে, পদ্মা সেতুর ভিত্তি স্থাপন নিয়ে আমি যে কথা বলেছি সেটা সত্য। এরমধ্যে এতোটুকু বিভ্রান্তি নেই। তিনি বলেন, রাজনৈতিক সত্যটাকে বিকৃত করা সঠিক হবে না।’
মঙ্গলবার গুলশানে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পদ্মা সেতু বিএনপির শাসনামলে ভিত্তিপ্রস্তর করা হয়ে থাকলে তথ্যপ্রমাণ দেওয়ার কথা বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের; এই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশের প্রতিটি কনটেইনার ডিপোর জন্য কিছু রুলস রেজুলেশন আছে। এটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং তার উপর সরকারের কন্ট্রোলিং অথরিটি আছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এগুলো কেউ মনিটরিং করে না। যাদের দায়িত্ব আছে এগুলো সমন্বয় করার কিন্তু তারাও করে না। কারণ এই সরকারের প্রধান সমস্যা হচ্ছে- যেহেতু এই সরকারকে সাধারণ জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয় না। সংসদে কোনো উত্তর দিতে হয় না। সংসদ তাদের নিজেদের মতো তৈরি করা। কোথাও কোনো কিছুর জন্য জবাব দিতে হয় না। একারণেই তারা যা খুশি তাই করে চলেছে।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, যাদেরকে তারা দায়িত্ব দিয়েছে তারাও এখন সরকারের কাছে জবাব দেয় না-সরকারও জবাব নেয় না। মূল কথা রাষ্ট্র কাজ করছে না, রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে না। যার ফলে আজকে এই অবস্থা তৈরি হয়েছে। আমরা বলছি- আসলে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন জবাবদিহিমূলক সরকার।
তারেক রহমান বিদেশের নাগরিক ওবায়দুল কাদেরের দেওয়া বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তারেক রহমান জন্মগতভাবে বাংলাদেশের নাগরিক এবং অন্য কোনো দেশের নাগরিকত্বের জন্য আবেদনও করেননি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের চক্রান্তের ফলে তিনি নির্বাসিত অবস্থায় বৈধভাবেই যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তার বক্তব্যে অসত্য তথ্য প্রদানের জন্য বক্তব্যে প্রত্যাহার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এমএইচ