ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণে এই পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যু,আহত ৭ জন ও ১৯ জনের নিখোঁজের কথা জানিয়েছে ইউক্রেন পুলিশ
ইউরোপ ডেস্কঃ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রায় আগ্রাসন শুরু করেছে বলে ইউক্রেন সরকার
রাজধানী কিয়েভে জানিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা এক টুইট বার্তায় বলেন, রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রায় সামরিক আগ্রাসন শুরু করেছে এবং অস্ত্র হামলার মাধ্যমে শহরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে।
এদিকে ইন্টারফ্যাক্স সংবাদ সংস্থা সমগ্র ইউক্রেন জুড়ে সামরিক স্থাপনায় রাশিয়ার রকেট হামলার খবর দিয়েছেন। রাশিয়ান সৈন্যরা ওডেসা এবং মারিউপোলের দক্ষিণ বন্দর শহরগুলিতে অবতরণ করেছে। এটি কিয়েভের বরিসপিল বিমানবন্দর থেকে স্টাফ এবং যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়ার কথাও জানিয়েছে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে উল্লেখ করে কুলেবা বলেন, “পুতিন সবেমাত্র ইউক্রেনে একটি পূর্ণ মাত্রায় আগ্রাসন শুরু করেছেন। শান্তিপূর্ণ ইউক্রেনীয় শহরগুলোতে হামলা চলছে, এটি আগ্রাসনের যুদ্ধ। তিনি বলেন,ইউক্রেন নিজেকে রক্ষা করবে এবং জিতবে। বিশ্ব পুতিনকে থামাতে পারে এবং অবশ্যই থামাতে পারে। এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার সময়।
রাশিয়ান আক্রমণ শুরুর পর থেকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ থেকে হাজার হাজার আতঙ্কগ্রস্ত মানুষ গাড়িতে করে রাজধানী ছেড়ে চলে যাচ্ছে। ফলে রাস্তায় গাড়ির বিশাল বহর নজরে পড়ছে।
রাশিয়ান বাহিনীর বোমা হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত সাতজন মারা গেছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের পুলিশ।কর্মকর্তারা বলছেন ওদেসার বাইরে পোডিলস্ক শহরের একটি সেনা ঘাঁটিতে হওয়া হামলায় ছয়জন মারা গেছেন এবং সাতজন আহত হয়েছেন। আর
এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। পুলিশ আরো জানিয়েছে যে মারিউপল শহরে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে রাজধানী কিয়েভ থেকে প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক কিয়েভ পোস্ট জানিয়েছে,ইউক্রেন রাশিয়ার সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। ইউক্রেনের নেতা ভলোদিমির জেলেনস্কি বৃহস্পতিবার তার প্রতিবেশী রাশিয়ার আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় মস্কোর সাথে কিয়েভের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন।
জেলেনস্কি এক ভিডিও বার্তায় বলেন, আমরা রাশিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছি। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর রাশিয়া এবং ইউক্রেন স্বাধীন দেশ হওয়ার পর এই প্রথম তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটল।
কিয়েভ পোস্ট আরও জানায়,পূর্ব ইউক্রেনে আক্রমণের সময় ইউক্রেন সেনাবাহিনী রাশিয়ার ৬ থেকে ৭ টি যুদ্ধ বিমান ভূপাতিত করেছে। দৈনিকটি একটি আগুন লাগা রাশিয়ান মিগের ছবিও প্রদর্শন করে। এর আগে গতকাল রাতে সরাসরি ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। অন্যদিকে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জাতিসংঘে জরুরী বৈঠকে বসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের অনুরোধে গভীর রাতে শুরু হয় বৈঠক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রাশিয়ার পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা করেছেন। অন্যদিকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ-সহ একাধিক শহরে বিস্ফোরণ ঘটছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের সংবাদ মাধ্যম।
সংবাদসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টার সামান্য আগে ক্রেমলিন একটি বিবৃতি জারি করেছে। সেখানে সরাসরি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের কথা বলা হয়েছে। প্রেসিডেন্টের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সেনা অভিযানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ টেলিভিশনে এই বিবৃতি প্রকাশ করা হয় বলে এএফপি জানিয়েছে, পূর্ব ইউক্রেনে রাশিয়ার সর্বাত্মক সামরিক অভিযান শুরু করেছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণে এই পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যু,আহত ৭ জন ও ১৯ জনের নিখোঁজের কথা জানিয়েছে ইউক্রেন পুলিশ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রায় আগ্রাসন শুরু করেছে বলে ইউক্রেন সরকার
রাজধানী কিয়েভে জানিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা এক টুইট বার্তায় বলেন, রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রায় সামরিক আগ্রাসন শুরু করেছে এবং অস্ত্র হামলার মাধ্যমে শহরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে।
এদিকে ইন্টারফ্যাক্স সংবাদ সংস্থা সমগ্র ইউক্রেন জুড়ে সামরিক স্থাপনায় রাশিয়ার রকেট হামলার খবর দিয়েছেন। রাশিয়ান সৈন্যরা ওডেসা এবং মারিউপোলের দক্ষিণ বন্দর শহরগুলিতে অবতরণ করেছে। এটি কিয়েভের বরিসপিল বিমানবন্দর থেকে স্টাফ এবং যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়ার কথাও জানিয়েছে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে উল্লেখ করে কুলেবা বলেন, “পুতিন সবেমাত্র ইউক্রেনে একটি পূর্ণ মাত্রায় আগ্রাসন শুরু করেছেন। শান্তিপূর্ণ ইউক্রেনীয় শহরগুলোতে হামলা চলছে, এটি আগ্রাসনের যুদ্ধ। তিনি বলেন,ইউক্রেন নিজেকে রক্ষা করবে এবং জিতবে। বিশ্ব পুতিনকে থামাতে পারে এবং অবশ্যই থামাতে পারে। এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার সময়।
রাশিয়ান আক্রমণ শুরুর পর থেকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ থেকে হাজার হাজার আতঙ্কগ্রস্ত মানুষ গাড়িতে করে রাজধানী ছেড়ে চলে যাচ্ছে। ফলে রাস্তায় গাড়ির বিশাল বহর নজরে পড়ছে।
রাশিয়ান বাহিনীর বোমা হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত সাতজন মারা গেছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের পুলিশ।কর্মকর্তারা বলছেন ওদেসার বাইরে পোডিলস্ক শহরের একটি সেনা ঘাঁটিতে হওয়া হামলায় ছয়জন মারা গেছেন এবং সাতজন আহত হয়েছেন। আর
এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। পুলিশ আরো জানিয়েছে যে মারিউপল শহরে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে রাজধানী কিয়েভ থেকে প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক কিয়েভ পোস্ট জানিয়েছে,ইউক্রেন রাশিয়ার সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। ইউক্রেনের নেতা ভলোদিমির জেলেনস্কি বৃহস্পতিবার তার প্রতিবেশী রাশিয়ার আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় মস্কোর সাথে কিয়েভের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন।
জেলেনস্কি এক ভিডিও বার্তায় বলেন, আমরা রাশিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছি। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর রাশিয়া এবং ইউক্রেন স্বাধীন দেশ হওয়ার পর এই প্রথম তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটল।
কিয়েভ পোস্ট আরও জানায়,পূর্ব ইউক্রেনে আক্রমণের সময় ইউক্রেন সেনাবাহিনী রাশিয়ার ৬ থেকে ৭ টি যুদ্ধ বিমান ভূপাতিত করেছে। দৈনিকটি একটি আগুন লাগা রাশিয়ান মিগের ছবিও প্রদর্শন করে।
এর আগে গতকাল রাতে সরাসরি ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। অন্যদিকে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জাতিসংঘে জরুরী বৈঠকে বসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের অনুরোধে গভীর রাতে শুরু হয় বৈঠক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রাশিয়ার পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা করেছেন। অন্যদিকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ-সহ একাধিক শহরে বিস্ফোরণ ঘটছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের সংবাদমাধ্যম।
সংবাদসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টার সামান্য আগে ক্রেমলিন একটি বিবৃতি জারি করেছে। সেখানে সরাসরি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের কথা বলা হয়েছে। প্রেসিডেন্টের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সেনা অভিযানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ টেলিভিশনে এই বিবৃতি প্রকাশ করা হয় বলে এএফপি জানিয়েছে।
কবির আহমেদ /ইবিটাইমস