ভিয়েনা ১০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বুলগেরিয়ান সীমান্তে তিন মিশরীয় অনিয়মিত অভিবাসী প্রত্যাশী কিশোরের মৃত্যু ইন্দোনেশিয়য় ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৩ জনে দাঁড়িয়েছে ইউক্রেন শান্তি পরিকল্পনার আলোচকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন – ভলোদিমির জেলেনস্কি অস্ট্রিয়ার আগামী বাজেট ঘাটতি পেনশন ব্যবস্থার ওপর প্রভাব পড়তে পারে মাভাবিপ্রবিতে পরিবেশ বিষয়ক ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে : সিইসি টাঙ্গাইলে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তিতে খোলা ময়দানে মোনাজাত স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনসহ নানা অভিযোগে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

করোনার বিধিনিষেধ শিথিল করেছে অস্ট্রিয়া

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৩:৩১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২
  • ১৯ সময় দেখুন

কবির আহমেদ, ভিয়েনাঃ করোনার সংক্রমণ বাড়লেও আগামী সপ্তাহ থেকে বিধিনিষেধ শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রিয়া সরকার।

শনিবার (২৯ জানুয়ারী) অস্ট্রিয়ার সরকার প্রধান চ্যান্সেলর কার্ল নেহামার(ÖVP) এক সংবাদ সম্মেলনে আগামী ফেব্রুয়ারী মাস থেকে ধাপে ধাপে দেশের করোনার বিধিনিষেধ শিথিল করার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন।

অস্ট্রিয়ান সংবাদ সংস্থা এপিএ জানিয়েছে, সংবাদ
সম্মেলনের পূর্বে চ্যান্সেলর কার্ল নেহামারের নেতৃত্বে
সরকারের শীর্ষ নেতারা টাস্ক ফোর্সের সাথে জরুরী বৈঠক করেন। বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে করোনার টাস্ক ফোর্সের সদস্য পর্যটন মন্ত্রী এলিজাবেথ কস্টিংগার(ÖVP) ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. ভল্ফগাং মুকস্টাইনও (Greens) উপস্থিত ছিলেন।

সরকার প্রধান চ্যান্সেলর কার্ল নেহামার  করোনা ভাইরাসের চলমান বিধিনিষেধ শিথিলের পরিকল্পনা উপস্থাপন করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন,বর্তমানে দেশে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের  ব্যাপকভাবে বাড়ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য অনুযায়ী দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অত্যন্ত সুরক্ষিত আছে।

তিনি আরও জানান, করোনার টাস্ক ফোর্স GECKO জানিয়েছে, হাসপাতালের করোনা ইউনিট ও আইসিইউতে রোগীর সংখ্যা খুবই কম। তাই পরিস্থিতি বিবেচনা করে অর্থনীতি টিকিয়ে রাখতে সরকার ধীরে ধীরে চলমান বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সরকার এরইমধ্যে ৩১ জানুয়ারী থেকে দেশে টিকাগ্রহীতাদের লকডাউনের আওতার বাহিরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিধিনিষেধ শিথিল করার ক্ষেত্রে অস্ট্রিয়া সরকার যেনব বিধি জারি করেছে তাও জানান চ্যান্সেলর। সেসব নিয়মের মধ্যে রয়েছে –

◾ ক্যাটারিং ব্যবসা (হোটেল-রেস্টুরেন্ট) ৫ ফেব্রুয়ারী
থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে রাতের কারফিউ রাত ১২ টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

◾ নন-ফুড দোকানপাটে ১২ ফেব্রুয়ারী থেকে ২জি
নিয়ম নিয়ন্ত্রণ প্রত্যাহার করে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

◾ ১৯ ফেব্রুয়ারী থেকে গ্যাস্ট্রোনমি এবং পর্যটন শিল্পে
পুনরায় ৩ জি নিয়ম চালু খাকবে৷

এপিএ আরও জানায়, বিধিনিষেধ সহজ করার সাথে সাথে শপিংমলে শুধুমাত্র একটি FFP2 মাস্কের প্রয়োজনীয়তা প্রযোজ্য হবে। কেনাকাটা করতে যাওয়ার জন্য করোনার পরীক্ষা করার প্রয়োজন হবে না।

এছাড়া গ্যাস্ট্রোনমি এবং পর্যটনে ১৯ ফেব্রুয়ারী
থেকে ২ জি নিয়মের পরিবর্তে ৩ জি প্রবর্তন করা হয়েছে। অর্থাৎ ১৯ ফেব্রুয়ারী থেকে করোনার প্রতিষেধক টিকা, করোনার থেকে সুস্থতা লাভ এবং করোনার পিসিআর বা এন্টিজেন পরীক্ষার যে কোন একটি থাকলেই চলবে।

করোনার এই বিধিনিষেধ শিথিলকরণের ফলে বার বা হোটেলে যাওয়ার জন্য নাগরিকদের একটি পিসিআর পরীক্ষার প্রয়োজন হবে যা ৪৮ ঘণ্টার বেশি নয়। অ্যান্টিজেন পরীক্ষাও জমা দিতে পারেন যা সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টার জন্য বৈধ। এছাড়া  ‘ইভেন্ট এরিয়া’-তেও একটু শিথিলতা থাকবে ৫ ফেব্রুয়ারী থেকে। ঘরোয়া অনুষ্ঠানে ২৫ জনের পরিবর্তে ৫০ জন অতিথিদের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

অস্ট্রিয়ার করোনার টাস্ক ফোর্স প্রধান ও দেশের
চিফ মেডিকেল অফিসার ক্যাথারিনা রাইখ তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন,  করোনার সংক্রমণের বিস্তার ঊর্ধ্বগতি হলেও আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে, সংক্রমণের তুলনায় হাসপাতালে করোনার রোগীর সংখ্যা খুবই কম।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভল্ফগ্যাং মুকস্টাইন বলেন, “ওমিক্রনের সাথে নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটগুলিকে অতিরিক্ত বোঝার ঝুঁকি নেই।” তাই পর্যায়ক্রমে দেশের সবকিছুই অত্যন্ত সতর্কতার সাথে খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সবাইকে সতর্কতার সাথে চলাফেরা করার অনুরোধও জানান তিনি।

অস্ট্রিয়ার পর্যটন মন্ত্রী এলিজাবেথ কস্টিংগার বলেন, চলমান পদক্ষেপে ভবিষ্যতে রাতের গ্যাস্ট্রোনমি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে নজর দেয়া সম্ভব হবে।

এদিকে, আজ অস্ট্রিয়ায় করোনায় নতুন করোনা রোগী  শনাক্ত হয়েছে ৩৪,৭৪৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগই নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনে আক্রান্ত বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

রাজধানী ভিয়েনায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৭,৮৬৩ জন। অন্যান্য ফেডারেল রাজ্যের মধ্যে OÖ রাজ্যে ৫,৯৪৬ জন, NÖ রাজ্যে ৫,৫৫২ জন, Steiermark রাজ্যে ৪,৩৫০ জন, Tirol রাজ্যে ৩,১১৬ জন, Kärnten রাজ্যে ২,৪৬৭ জন, Salzburg রাজ্যে ২,৪২৫ জন, Vorarlberg রাজ্যে ২,০৮৩ জন এবং Burgenland রাজ্যে ৯৪৬ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে।

অস্ট্রিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী আজ অস্ট্রিয়াতে করোনার প্রতিষেধক টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন ৩,৩৪৩ জন এবং করোনার প্রতিষেধক টিকার বুস্টার ডোজ গ্রহণ করেছেন ২৭,৬১৯ জন। আর এ পর্যন্ত করোনার প্রতিষেধক টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেয়ার সংখ্যা ৬৪,৭৩,৭৪৯ জন। যাদেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৭২.৫ শতাংশ।

অস্ট্রিয়ায় এই পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৮,০১,০৪০ জন এবং মৃত্যুর সংখ্যা ২৪,০৭৭ জন। করোনার থেকে এই পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৪,৯১,৮২৮ জন। বর্তমানে করোনার সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২,৯৫,১৩৫ জন।

কেএ/ইবিটাইমস/আরএন

Tag :
জনপ্রিয়

বুলগেরিয়ান সীমান্তে তিন মিশরীয় অনিয়মিত অভিবাসী প্রত্যাশী কিশোরের মৃত্যু

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

করোনার বিধিনিষেধ শিথিল করেছে অস্ট্রিয়া

আপডেটের সময় ০৩:৩১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২

কবির আহমেদ, ভিয়েনাঃ করোনার সংক্রমণ বাড়লেও আগামী সপ্তাহ থেকে বিধিনিষেধ শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রিয়া সরকার।

শনিবার (২৯ জানুয়ারী) অস্ট্রিয়ার সরকার প্রধান চ্যান্সেলর কার্ল নেহামার(ÖVP) এক সংবাদ সম্মেলনে আগামী ফেব্রুয়ারী মাস থেকে ধাপে ধাপে দেশের করোনার বিধিনিষেধ শিথিল করার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন।

অস্ট্রিয়ান সংবাদ সংস্থা এপিএ জানিয়েছে, সংবাদ
সম্মেলনের পূর্বে চ্যান্সেলর কার্ল নেহামারের নেতৃত্বে
সরকারের শীর্ষ নেতারা টাস্ক ফোর্সের সাথে জরুরী বৈঠক করেন। বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে করোনার টাস্ক ফোর্সের সদস্য পর্যটন মন্ত্রী এলিজাবেথ কস্টিংগার(ÖVP) ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. ভল্ফগাং মুকস্টাইনও (Greens) উপস্থিত ছিলেন।

সরকার প্রধান চ্যান্সেলর কার্ল নেহামার  করোনা ভাইরাসের চলমান বিধিনিষেধ শিথিলের পরিকল্পনা উপস্থাপন করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন,বর্তমানে দেশে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের  ব্যাপকভাবে বাড়ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য অনুযায়ী দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অত্যন্ত সুরক্ষিত আছে।

তিনি আরও জানান, করোনার টাস্ক ফোর্স GECKO জানিয়েছে, হাসপাতালের করোনা ইউনিট ও আইসিইউতে রোগীর সংখ্যা খুবই কম। তাই পরিস্থিতি বিবেচনা করে অর্থনীতি টিকিয়ে রাখতে সরকার ধীরে ধীরে চলমান বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সরকার এরইমধ্যে ৩১ জানুয়ারী থেকে দেশে টিকাগ্রহীতাদের লকডাউনের আওতার বাহিরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিধিনিষেধ শিথিল করার ক্ষেত্রে অস্ট্রিয়া সরকার যেনব বিধি জারি করেছে তাও জানান চ্যান্সেলর। সেসব নিয়মের মধ্যে রয়েছে –

◾ ক্যাটারিং ব্যবসা (হোটেল-রেস্টুরেন্ট) ৫ ফেব্রুয়ারী
থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে রাতের কারফিউ রাত ১২ টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

◾ নন-ফুড দোকানপাটে ১২ ফেব্রুয়ারী থেকে ২জি
নিয়ম নিয়ন্ত্রণ প্রত্যাহার করে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

◾ ১৯ ফেব্রুয়ারী থেকে গ্যাস্ট্রোনমি এবং পর্যটন শিল্পে
পুনরায় ৩ জি নিয়ম চালু খাকবে৷

এপিএ আরও জানায়, বিধিনিষেধ সহজ করার সাথে সাথে শপিংমলে শুধুমাত্র একটি FFP2 মাস্কের প্রয়োজনীয়তা প্রযোজ্য হবে। কেনাকাটা করতে যাওয়ার জন্য করোনার পরীক্ষা করার প্রয়োজন হবে না।

এছাড়া গ্যাস্ট্রোনমি এবং পর্যটনে ১৯ ফেব্রুয়ারী
থেকে ২ জি নিয়মের পরিবর্তে ৩ জি প্রবর্তন করা হয়েছে। অর্থাৎ ১৯ ফেব্রুয়ারী থেকে করোনার প্রতিষেধক টিকা, করোনার থেকে সুস্থতা লাভ এবং করোনার পিসিআর বা এন্টিজেন পরীক্ষার যে কোন একটি থাকলেই চলবে।

করোনার এই বিধিনিষেধ শিথিলকরণের ফলে বার বা হোটেলে যাওয়ার জন্য নাগরিকদের একটি পিসিআর পরীক্ষার প্রয়োজন হবে যা ৪৮ ঘণ্টার বেশি নয়। অ্যান্টিজেন পরীক্ষাও জমা দিতে পারেন যা সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টার জন্য বৈধ। এছাড়া  ‘ইভেন্ট এরিয়া’-তেও একটু শিথিলতা থাকবে ৫ ফেব্রুয়ারী থেকে। ঘরোয়া অনুষ্ঠানে ২৫ জনের পরিবর্তে ৫০ জন অতিথিদের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

অস্ট্রিয়ার করোনার টাস্ক ফোর্স প্রধান ও দেশের
চিফ মেডিকেল অফিসার ক্যাথারিনা রাইখ তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন,  করোনার সংক্রমণের বিস্তার ঊর্ধ্বগতি হলেও আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে, সংক্রমণের তুলনায় হাসপাতালে করোনার রোগীর সংখ্যা খুবই কম।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভল্ফগ্যাং মুকস্টাইন বলেন, “ওমিক্রনের সাথে নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটগুলিকে অতিরিক্ত বোঝার ঝুঁকি নেই।” তাই পর্যায়ক্রমে দেশের সবকিছুই অত্যন্ত সতর্কতার সাথে খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সবাইকে সতর্কতার সাথে চলাফেরা করার অনুরোধও জানান তিনি।

অস্ট্রিয়ার পর্যটন মন্ত্রী এলিজাবেথ কস্টিংগার বলেন, চলমান পদক্ষেপে ভবিষ্যতে রাতের গ্যাস্ট্রোনমি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে নজর দেয়া সম্ভব হবে।

এদিকে, আজ অস্ট্রিয়ায় করোনায় নতুন করোনা রোগী  শনাক্ত হয়েছে ৩৪,৭৪৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগই নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনে আক্রান্ত বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

রাজধানী ভিয়েনায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৭,৮৬৩ জন। অন্যান্য ফেডারেল রাজ্যের মধ্যে OÖ রাজ্যে ৫,৯৪৬ জন, NÖ রাজ্যে ৫,৫৫২ জন, Steiermark রাজ্যে ৪,৩৫০ জন, Tirol রাজ্যে ৩,১১৬ জন, Kärnten রাজ্যে ২,৪৬৭ জন, Salzburg রাজ্যে ২,৪২৫ জন, Vorarlberg রাজ্যে ২,০৮৩ জন এবং Burgenland রাজ্যে ৯৪৬ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে।

অস্ট্রিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী আজ অস্ট্রিয়াতে করোনার প্রতিষেধক টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন ৩,৩৪৩ জন এবং করোনার প্রতিষেধক টিকার বুস্টার ডোজ গ্রহণ করেছেন ২৭,৬১৯ জন। আর এ পর্যন্ত করোনার প্রতিষেধক টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেয়ার সংখ্যা ৬৪,৭৩,৭৪৯ জন। যাদেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৭২.৫ শতাংশ।

অস্ট্রিয়ায় এই পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৮,০১,০৪০ জন এবং মৃত্যুর সংখ্যা ২৪,০৭৭ জন। করোনার থেকে এই পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৪,৯১,৮২৮ জন। বর্তমানে করোনার সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২,৯৫,১৩৫ জন।

কেএ/ইবিটাইমস/আরএন