ভিয়েনা ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টাঙ্গাইল সদর আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়িবহরে হামলা, আহত ৭ যারা সন্ত্রাসের উপর নির্ভর করে তারা সফল হবে না – সিরিয়া ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট এরদোগান রাশিয়া বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি আর উত্তপ্ত করতে চাচ্ছে না আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসবে- মেজর হাফিজ লালমোহনে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের আমীরে জামায়াতের আগমন উপলক্ষে টাঙ্গাইল সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইলে পিআইবির নির্বাচনকালীন দুইদিনের কর্মশালা পণ্ড তেহরানের সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারে আশাবাদী ট্রাম্প প্রায় দুই লক্ষ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে পৌঁছেছে সুইট এগ্রোভেট লিঃ এর বার্ষিক সেলস্ কনফারেন্স ২০২৫ অনুষ্ঠিত

বিএনপি লবিস্টদের পেছনে ৩.৭৫ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৬:৪১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২
  • ৩৪ সময় দেখুন

ঢাকা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম শাহরিয়ার আলম বলেছেন, সরকার কোন লবিস্ট নিয়োগ করেনি বা করার কোন পরিকল্পনাও নেই। কিন্তু বিএনপি তাদের বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণার  অংশ হিসাবে একটি মার্কিন লবিস্ট ফার্মের জন্য কমপক্ষে ৩.৭৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে।

মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘সরকার লবিং করার জন্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিভিন্ন সাফল্যকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরার জন্য একটি ফার্মের সাথে জন্য যুক্ত হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত তারা আটটি নথি পেয়েছেন, যাতে দেখা গেছে যে, কিছু বাংলাদেশি নাগরিক কয়েকটি মার্কিন লবিস্ট ফার্ম ভাড়া করেছে। তিনি বলেন, ‘ওই আটটি চুক্তির মধ্যে অন্তত তিনটিতে বিএনপির নয়া পল্টন কার্যালয়ের ঠিকানা মূল ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করে স্বাক্ষরিত হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা মনে করি যে, এই নথিগুলি জামায়াতের পক্ষ থেকে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এসব চুক্তিতে আইসিটি ট্রাইব্যুনাল (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, বাংলাদেশ) সহ তাদের বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয়ে লবিংয়ের উল্লেখ করা হয়েছিল।”

বিএনপি যুক্তরাষ্ট্রের লবিস্ট ফার্ম আকিন কোম্পানি অ্যাসোসিয়েটস, ব্লু স্টার স্ট্র্যাটেজিস এবং রাস্কি পার্টনারসকে নিয়োগ দেয়। অন্যদিকে, জামায়াত ‘পিস অ্যান্ড জাস্টিস’ নামে একটি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করেছিল। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আইনি চ্যানেলের অনুমোদন নিয়ে বিএনপি বৈধভাবে মার্কিন সংস্থাগুলোকে টাকা পাঠিয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে তারা নথিগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে পাঠাবেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন না নিয়ে তারা টাকা পাঠালে আমরা আশা করি যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়ম অনুযায়ি আইনি পদক্ষেপ নেবে এবং বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) জানাবে।

নিয়ম অনুযায়ি, প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে তাদের আয়-ব্যয়ের হিসাব ইসিতে জমা দিতে হয়। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর ব্যয়ের উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার লক্ষ্যে অন্যান্য নথিগুলিই ইসির কাছে যথেষ্ট।

শাহরিয়ার আলম বলেন, পাবলিক ডোমেইনে বিদ্যমান এই আটটি নথি ছাড়াও তারা মনে করেন যে, বিদেশী লবিস্টদের সাথে বিএনপি এবং জামায়াতের স্বাক্ষরিত এরকম আরও অনেক চুক্তি রয়েছে, যা এখনও জনসাধারণের সামনে আসেনি।

ঢাকা/ইবিটাইমস/এমএইচ

জনপ্রিয়

টাঙ্গাইল সদর আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়িবহরে হামলা, আহত ৭

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

বিএনপি লবিস্টদের পেছনে ৩.৭৫ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আপডেটের সময় ০৬:৪১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২

ঢাকা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম শাহরিয়ার আলম বলেছেন, সরকার কোন লবিস্ট নিয়োগ করেনি বা করার কোন পরিকল্পনাও নেই। কিন্তু বিএনপি তাদের বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণার  অংশ হিসাবে একটি মার্কিন লবিস্ট ফার্মের জন্য কমপক্ষে ৩.৭৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে।

মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘সরকার লবিং করার জন্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিভিন্ন সাফল্যকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরার জন্য একটি ফার্মের সাথে জন্য যুক্ত হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত তারা আটটি নথি পেয়েছেন, যাতে দেখা গেছে যে, কিছু বাংলাদেশি নাগরিক কয়েকটি মার্কিন লবিস্ট ফার্ম ভাড়া করেছে। তিনি বলেন, ‘ওই আটটি চুক্তির মধ্যে অন্তত তিনটিতে বিএনপির নয়া পল্টন কার্যালয়ের ঠিকানা মূল ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করে স্বাক্ষরিত হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা মনে করি যে, এই নথিগুলি জামায়াতের পক্ষ থেকে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এসব চুক্তিতে আইসিটি ট্রাইব্যুনাল (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, বাংলাদেশ) সহ তাদের বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয়ে লবিংয়ের উল্লেখ করা হয়েছিল।”

বিএনপি যুক্তরাষ্ট্রের লবিস্ট ফার্ম আকিন কোম্পানি অ্যাসোসিয়েটস, ব্লু স্টার স্ট্র্যাটেজিস এবং রাস্কি পার্টনারসকে নিয়োগ দেয়। অন্যদিকে, জামায়াত ‘পিস অ্যান্ড জাস্টিস’ নামে একটি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করেছিল। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আইনি চ্যানেলের অনুমোদন নিয়ে বিএনপি বৈধভাবে মার্কিন সংস্থাগুলোকে টাকা পাঠিয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে তারা নথিগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে পাঠাবেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন না নিয়ে তারা টাকা পাঠালে আমরা আশা করি যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়ম অনুযায়ি আইনি পদক্ষেপ নেবে এবং বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) জানাবে।

নিয়ম অনুযায়ি, প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে তাদের আয়-ব্যয়ের হিসাব ইসিতে জমা দিতে হয়। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর ব্যয়ের উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার লক্ষ্যে অন্যান্য নথিগুলিই ইসির কাছে যথেষ্ট।

শাহরিয়ার আলম বলেন, পাবলিক ডোমেইনে বিদ্যমান এই আটটি নথি ছাড়াও তারা মনে করেন যে, বিদেশী লবিস্টদের সাথে বিএনপি এবং জামায়াতের স্বাক্ষরিত এরকম আরও অনেক চুক্তি রয়েছে, যা এখনও জনসাধারণের সামনে আসেনি।

ঢাকা/ইবিটাইমস/এমএইচ