ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট; পিরোজপুর: ঢাকায় হত্যা করে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় পলাতক থাকা অবস্থায় প্রযুক্তি ব্যবহার করে মো. আল-আমিন (২৪) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ডিসেম্বর) দুপুরে তাকে মঠবাড়িয়া উপজেলার তুষখালী গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত ওই যুবক উপজেলার মধ্য তুষখালী গ্রামের খোকন হাওলাদারের ছেলে।
আর নিহত সোহেল রানা নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার কুসুম বাহ গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে ও মাছের ঘেরে ব্যবসায়ী। গত রবিবার (২৬ সিসেম্বর ) ঢাকার ডেমরা থানার পূর্ব বক্স নগর দারুন নাজাত কামিল মাদরাসার সীমানা প্রাচীর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মঠবাড়িয়া সার্কেলের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইব্রাহিম ওই হত্যা মামলার পলাতক আসামী গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করে জানান,
গ্রেফতারকৃত আল আমিন ঢাকার একটি হত্যা মামলার পলাতক আসামী।
ঢাকার (ডিএমপি) পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী তাকে সোমবার দুপুরে উপজেলার তুষখালী গ্রামের তার ফুফা হারুন মোল্লার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহত ওই যুবকের স্ত্রী মোসাম্মাৎ সাথী আক্তার বাদী হয়ে গত রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে ঢাকার ডেমরা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
থানা পুলিশ ও দায়ের হওয়া মামলা সূত্রে জানাগেছে, নিহত সোহেল রানা গত এক বছর আগে ঢাকার নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ একটি কোম্পানীতে চাকুরী করতেন।সেখানে চাকুরী ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে গিয়ে মাছের ঘেরের ব্যবসা করতেন।কিন্তু গত ২৪ ডিসেম্বর ঢাকার ডেমরায় তার (নিহতের স্ত্রী) খালার বাসায় বেড়াতে যান।সেখান থেকে পরের দিন বিকালে তার পূর্বের কর্মস্থল নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের পুরানো বন্ধুদের সাথে দেখা করতে যান।ওই রাতের ৮টার দিকে তার স্বামীর মুঠোফোন থেকে তার খালার ফোনে ফোন দিয়ে ওই মুঠোফোন নাম্বারের (স্বামীর নাম্বার)বিকাশে ১০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দিতে বলেন অজ্ঞাত কোন ব্যাক্তি।আর টাকা না দিলে তাকে (স্বামী) হাত-পা ভেঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি করা হবে।পরের দিন ডেমরা থানা পুলিশ তার স্বামীর মরদেহটি ডেমরা থানার পূর্ব বক্সনগর দারুন নাজাত কামিল কামিল মাদরাসা সীমানা প্রাচীরের ভীতর থেকে উদ্ধার করেন।
এইচ এম লাহেল মাহমুদ/ইবিটাইমস