ভিয়েনা ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রিয়ার গ্র‍্যাজে (Graz) বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন লালমোহন হাফিজিয়া মাদ্রাসার ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ করায় বিপাকে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী লালমোহনে আন্তঃজেলা মাদক ও জাল টাকার ব্যবসায়ী আটক ইরাকে ইরানি কুর্দিদের ওপর ড্রোন হামলায় নিহত ১ মন্ত্রিসভার আকার ছোট করলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট কৃষি খাতে ১,১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে : তথ্য উপদেষ্টা আগামী দুই মাসেও জ্বালানি তেলের সমস্যা হবে না সরকার ১৮০ দিনের কর্মসূচির আলোকে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম জুলাই থেকে পাঁচ বছর মেয়াদি ‘পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি’ শুরু

রোহিঙ্গা সংক্রান্ত জাতিসংঘ প্রস্তাব রাজনৈতিক গুরুত্ব বহন করে : মোমেন

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৬:৪২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর ২০২১
  • ৫৯ সময় দেখুন

ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, প্রথমবারের মতো ঐকমত্যের ভিত্তিতে রোহিঙ্গা সংক্রান্ত জাতিসংঘের প্রস্তাব গ্রহণ রাজনৈতিক গুরুত্ব বহন করে। তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদী সংকট সমাধানে রাশিয়া ও চীনসহ সকল দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস)-এ এক আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, জাতিসংঘের প্রস্তাব মিয়ানমারের ওপর চাপ রয়েছে ফেলবে।

জাতিসংঘ বুধবার নিউইয়র্কে ঐকমত্যের মাধ্যমে ‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মানবাধিকারের পরিস্থিতি’ বিষয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করে।

ড. মোমেন বলেন, এ প্রস্তাবে প্রমাণ হয়েছে যে সব দেশ রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়। তিনি বলেন, চীন, রাশিয়ার মতো যেসব দেশ এর আগে বাধা সৃষ্টি করেছিল এবার তারা বাধা দেয়নি। যার অর্থ সবাই সংকটের সমাধান চায়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জোর পূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগণকে উন্নত ভবিষ্যতের জন্য তাদের দেশ মিয়ানমারে ফিরে  যেতে হবে। বুধবার প্রস্তাব গ্রহণের সময় জাতিসংঘে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা বলেন, তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান অর্জনে এই প্রস্তাব এখন বাস্তব পদক্ষেপের প্রেরণা হিসেবে কাজ করা করবে।

অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-র সদস্য রাষ্ট্রগুলো  যৌথভাবে এই প্রস্তাবটি পেশ করে।
মোট ১০৭টি দেশ এই রেজুলেশনে সহ-পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেছে, যা ২০১৭ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ।

এই প্রস্তাব ইইউ এবং ওআইসি-এর সদস্য দেশগুলো ছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, জাপান এবং কোরিয়াসহ আন্ত-আঞ্চলিক দেশগুলোর সহ-পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছে।

ঢাকা/ইবিটাইমস/এমএইচ

জনপ্রিয়

অস্ট্রিয়ার গ্র‍্যাজে (Graz) বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

রোহিঙ্গা সংক্রান্ত জাতিসংঘ প্রস্তাব রাজনৈতিক গুরুত্ব বহন করে : মোমেন

আপডেটের সময় ০৬:৪২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর ২০২১

ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, প্রথমবারের মতো ঐকমত্যের ভিত্তিতে রোহিঙ্গা সংক্রান্ত জাতিসংঘের প্রস্তাব গ্রহণ রাজনৈতিক গুরুত্ব বহন করে। তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদী সংকট সমাধানে রাশিয়া ও চীনসহ সকল দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস)-এ এক আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, জাতিসংঘের প্রস্তাব মিয়ানমারের ওপর চাপ রয়েছে ফেলবে।

জাতিসংঘ বুধবার নিউইয়র্কে ঐকমত্যের মাধ্যমে ‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মানবাধিকারের পরিস্থিতি’ বিষয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করে।

ড. মোমেন বলেন, এ প্রস্তাবে প্রমাণ হয়েছে যে সব দেশ রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়। তিনি বলেন, চীন, রাশিয়ার মতো যেসব দেশ এর আগে বাধা সৃষ্টি করেছিল এবার তারা বাধা দেয়নি। যার অর্থ সবাই সংকটের সমাধান চায়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জোর পূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগণকে উন্নত ভবিষ্যতের জন্য তাদের দেশ মিয়ানমারে ফিরে  যেতে হবে। বুধবার প্রস্তাব গ্রহণের সময় জাতিসংঘে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা বলেন, তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান অর্জনে এই প্রস্তাব এখন বাস্তব পদক্ষেপের প্রেরণা হিসেবে কাজ করা করবে।

অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-র সদস্য রাষ্ট্রগুলো  যৌথভাবে এই প্রস্তাবটি পেশ করে।
মোট ১০৭টি দেশ এই রেজুলেশনে সহ-পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেছে, যা ২০১৭ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ।

এই প্রস্তাব ইইউ এবং ওআইসি-এর সদস্য দেশগুলো ছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, জাপান এবং কোরিয়াসহ আন্ত-আঞ্চলিক দেশগুলোর সহ-পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছে।

ঢাকা/ইবিটাইমস/এমএইচ