ঢাকা: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, খালেদা জিয়া কয়েকদিন ধরে হালকা জ্বর অনুভব করছেন। এছাড়া শারীরিক বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। দেশনেত্রীর এখন যে শারীরিক অবস্থা, তাঁর চিকিৎসা দেশে সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
ফখরুল বলেন, এদেশে খালেদা জিয়ার পুর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সম্ভব নয়। মাল্টিচিকিৎসা এখানে নেই। তাকে দেশের বাইরে নিতে হবে।
বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আফসার আহমদ সিদ্দিকীর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘১০ কোটি টাকা ঋণ নিলে পাঁচ কোটি টাকা ঘুষ দিতে হয়। সরকার ব্যাংকিং ব্যবস্থা একেবারে ফোকলা করে দিয়েছে। প্রতিটি ব্যাংক আজকে বিপদগ্রস্ত হয়ে আছে’।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বর্তমানে আমরা একটি ভয়ংকর দুঃসময় অতিক্রম করছি। এত বড় দুঃসময় এদেশে কখনো এসেছে কিনা আমার জানা নাই। এখানে আমরা যারা আছি তারা অনেকেই ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের সঙ্গে ছিলাম, আমরা যুদ্ধ করেছি। তখনো এত দুঃসময় ছিল না। তখন আমরা চিনতাম আমাদের শত্রুকে। কাদের সঙ্গে লড়াই করে আমাদের জয়লাভ করতে হবে। তখন আমরা সবাই এক হয়ে গিয়েছিলাম। যারা ঐ পাড়ে গিয়েছিল তারাও, আর ভেতরে যারা ছিল তারাও, সব এক হয়ে গিয়েছিল। একটি লক্ষ্য ছিল আমাদের, পাকিস্তানিদের সরাতে হবে, জিততে হবে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই সরকার দেশের যে অবস্থা করেছে সেটা বারবার বলতে আর ভালো লাগে না। শেষ করে দিয়েছে, কোনো কিছু অবশিষ্ট রাখেনি। কোথাও কোনো কিছু নেই যেখানে আপনারা একটু আস্থা নিতে পারবেন, একটু প্রাণ খুলে শ্বাস নিতে পারবেন। সেই অবস্থা তারা দেশের মধ্যে রাখেনি। শ্বাসরুদ্ধকর একটা পরিবেশ তৈরি করেছে।’
ঢাকা/ইবিটাইমস/এমএইচ