ঢাকাঃ গ্রাহকদের কাছে এক হাজার কোটি টাকার দেনার বিপরীতে ইভ্যালির ব্যাংকে আছে মাত্র ৩০লাখ টাকা। সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে র্যাব। অর্থ আত্মসাতের পর নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণার পরিকল্পণা ছিলো রাসেলের।
রাসেলকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শুক্রবার উত্তরায় র্যাব সদরদপ্তরে সংবাদ সম্মেলন করেন আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মইন। জানান, ইভ্যালির ৪০৩ কোটি টাকার গ্রাহক দেনার কথা শোনা গেলেও আসলে তাদের দায়-দেনার পরিমান অনেক বেশী। ক্যাশব্যাক, সাইক্লোনসহ লোভনীয় অফারগুলো ছিলো গ্রাহকদের প্রতারনার অন্যতম কৌশল এমন তথ্য দিয়েছেন সিইও রাসেল।
বর্তমান সময়ে চাপে পড়ে রাসেল ইভ্যালি বিক্রির জন্য বিদেশী প্রতিষ্ঠানও খুঁজছিলেন বলে জানায় র্যাব। শেয়ার হোল্ডার বা কোন পার্টনার না থাকলেও ইভ্যালি পরিবারতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাসেল ও তার স্ত্রীই সব সিন্ধান্ত নিতো বলে জানান র্যাব এর এই কর্মকর্তা।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এমএইচ