ভিয়েনা ০২:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইউএইতে গ্রেফতার বেনজীর, দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী দ্রুত সিদ্ধান্ত প্রদানের লক্ষ্যে নতুন ইইউ আশ্রয় নীতি কার্যকর হচ্ছে যুদ্ধবিরতি আলোচনা: তেহরানে কাতারের প্রতিনিধি দল জিয়াউর রহমানের কর্ম ও আদর্শ নিয়ে উঁচুমানের গবেষণার আহ্বান মির্জা ফখরুলের সাবেক আইজি বেনজির গ্রেফতার লালমোহনে জমি জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ, স্পিকারের সুদৃষ্টি কামনা এসিল্যান্ড পরিচয়ে টাকা দাবি লালমোহনে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন মন্ত্রী মাহবুব আনাম স্বপন

হবিগঞ্জে বোরো ধানের বাম্পার ফলন, ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না কৃষক

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৪:৪৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মে ২০২১
  • ১৩২ সময় দেখুন

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : হবিগঞ্জ জেলায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু লটারীর মাধ্যমে ধানের সংগ্রহ মূল্য ২৭ টাকা কেজি নির্ধারণ করলেও প্রকৃত কৃষকগন এ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সরকারের কাছ থেকে ধানের ন্যায্য মুল্য না পাওয়ায়  দিশেহারা হয়ে পড়ছেন কৃষকরা।

হবিগঞ্জে বোরো ধান কাটা প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন পুরোদমে ধান তোলার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকগণ। কিন্তু কষ্টের উৎপাদিত ধানের ফলন ভাল হলেও বিক্রয় মূল্য থেকে উৎপাদন মূল্য বেশি হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়ছেন কৃষকরা। সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ধানের সংগ্রহ মূল্য ২৭ টাকা কেজি নির্ধারণ করলেও প্রকৃত কৃষকগন এ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সিন্ডিকেটের কারণে গুদামে ধান দিতে পারছেন না তারা।

জেলার কৃষকরা জানান, প্রতি বিঘা জমিতে ধান চাষ করতে সার,কীটনাশক প্রয়োগ, ডিজেল ও শ্রমীক মজুরী বাবদ প্রায় ৮ হাজার টাকা খরচ হয়। কিন্তু সরকার যে মূল্য নির্ধারন করেছে এতে তাদের পোষায় না। এত করে ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন জেলার কৃষকরা।

হবিগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক- মো. তমিজ উদ্দিন খান বলেন,সরকার ধান সংগ্রহ করার উদ্যোগ নিয়েছে। সময়মত কৃষকগণ লটারীতে অংশ না নিলে তাদের বাধ দিয়ে নতুন করে কৃষকগণের তালিকা করা। হাওর এলাকায় ৯৮ শতাংশ ধান কাটার কথা তিনি বললেও স্থনীয় সুত্রে জানা যায়,এপর্যন্ত ৭০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। আর নন হাওর এলাকায় ৪৫ শতাংশধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি জানান।

তবে কৃষি মন্ত্রী -ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বললেন,কৃষকরা যাতে ন্যায্যমূল্য পায় সেজন্য গুদামে দেয়ার জন্য লটারীর মাধ্যমে ধান কেনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। লটারী সিস্টেম ভাল কাজ করে তবে বোরো ধান যে সকল কৃষক গুদামে দিবেন আমনে তারা লটারীর এ সুযোগ পাবেন না।

এবছর জেলায় ১ লাখ ২০ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও আবাদ হয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ১৩০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে হাওর এলাকায় ৪৬ হাজার ৯১৫ ও নন হাওর এলাকায় ৭৫ হাজার ২১৫ হেক্টর জমিতেবোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে।

মোতাব্বির হোসেন কাজল/ইবি টাইমস

ইউএইতে গ্রেফতার বেনজীর, দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

হবিগঞ্জে বোরো ধানের বাম্পার ফলন, ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না কৃষক

আপডেটের সময় ০৪:৪৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মে ২০২১

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : হবিগঞ্জ জেলায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু লটারীর মাধ্যমে ধানের সংগ্রহ মূল্য ২৭ টাকা কেজি নির্ধারণ করলেও প্রকৃত কৃষকগন এ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সরকারের কাছ থেকে ধানের ন্যায্য মুল্য না পাওয়ায়  দিশেহারা হয়ে পড়ছেন কৃষকরা।

হবিগঞ্জে বোরো ধান কাটা প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন পুরোদমে ধান তোলার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকগণ। কিন্তু কষ্টের উৎপাদিত ধানের ফলন ভাল হলেও বিক্রয় মূল্য থেকে উৎপাদন মূল্য বেশি হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়ছেন কৃষকরা। সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ধানের সংগ্রহ মূল্য ২৭ টাকা কেজি নির্ধারণ করলেও প্রকৃত কৃষকগন এ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সিন্ডিকেটের কারণে গুদামে ধান দিতে পারছেন না তারা।

জেলার কৃষকরা জানান, প্রতি বিঘা জমিতে ধান চাষ করতে সার,কীটনাশক প্রয়োগ, ডিজেল ও শ্রমীক মজুরী বাবদ প্রায় ৮ হাজার টাকা খরচ হয়। কিন্তু সরকার যে মূল্য নির্ধারন করেছে এতে তাদের পোষায় না। এত করে ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন জেলার কৃষকরা।

হবিগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক- মো. তমিজ উদ্দিন খান বলেন,সরকার ধান সংগ্রহ করার উদ্যোগ নিয়েছে। সময়মত কৃষকগণ লটারীতে অংশ না নিলে তাদের বাধ দিয়ে নতুন করে কৃষকগণের তালিকা করা। হাওর এলাকায় ৯৮ শতাংশ ধান কাটার কথা তিনি বললেও স্থনীয় সুত্রে জানা যায়,এপর্যন্ত ৭০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। আর নন হাওর এলাকায় ৪৫ শতাংশধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি জানান।

তবে কৃষি মন্ত্রী -ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বললেন,কৃষকরা যাতে ন্যায্যমূল্য পায় সেজন্য গুদামে দেয়ার জন্য লটারীর মাধ্যমে ধান কেনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। লটারী সিস্টেম ভাল কাজ করে তবে বোরো ধান যে সকল কৃষক গুদামে দিবেন আমনে তারা লটারীর এ সুযোগ পাবেন না।

এবছর জেলায় ১ লাখ ২০ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও আবাদ হয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ১৩০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে হাওর এলাকায় ৪৬ হাজার ৯১৫ ও নন হাওর এলাকায় ৭৫ হাজার ২১৫ হেক্টর জমিতেবোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে।

মোতাব্বির হোসেন কাজল/ইবি টাইমস