ভিয়েনা ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এনসিপিতে নতুন পদ পাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন, হাসনাত, আসিফ ও সারজিস তোমার কপালে হেনস্তা হওয়া আরও লেখা আছে’, ইউনূসকে মেঘনা আলম লিটনের বিশ্ব রেকর্ড, টেস্টে অনন্য কীর্তি বাংলাদেশের উইকেটকিপারের হাসমতউল্লাহকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা বাড়ালেন মিরাজ প্রতারণার শিকার তাঁতীবাজারের ব্যবসায়ী, স্বর্ণের বারে মিলল তামা! অ্যাক্সিলারেটরে চাপ, ঢাবিতে গাড়ির ধাক্কায় আহত ৭ শিক্ষার্থী ৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশদের মহাসমাবেশ, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতার সুযোগ নেই: তথ্য উপদেষ্টা ঝালকাঠিতে চলছে দুর্গাপূজার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা নিয়ে আলোচনা

নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১০:৫৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ১১২ সময় দেখুন

উৎসবমুখর পরিবেশে বৈশাখী শোভাযাত্রা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ বের হয়েছে। নববর্ষকে স্বাগত জানাতে এতে অংশ নিয়েছে হাজারো মানুষ। বরাবরের মতো এবারও শোভাযাত্রায় বিশ্ব ও দেশীয় ইস্যুর প্রতিফলন দেখা গেছে। এর মধ্যে ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ লেখা প্ল্যাকার্ড নজর কেড়েছে সবার।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৬ মিনিটে চারুকলার সামনে থেকে এই শোভাযাত্রা শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে শোভাযাত্রায় উপস্থিত হন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের ৩ নম্বর (উত্তর) গেট থেকে শুরু করে শাহবাগ থানার সামনে গিয়ে ইউটার্ন নেয়। সেখান থেকে রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি প্রাঙ্গণ ডান পাশে রেখে দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে আবার চারুকলা অনুষদে এসে সকাল ১০টা ৫ মিনিটে শেষ হয়।

এবারের শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল পাঁচটি বড় মোটিফ—মোরগ, বেহালা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়া। এছাড়া ৩৫ জন বাদ্যযন্ত্রশিল্পী জাতীয় সংগীত, ‘এসো হে বৈশাখ’সহ দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন। শোভাযাত্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী জাতীয় পতাকা বহন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশ নেন।

শোভাযাত্রায় বিশ্ব ও দেশীয় ইস্যুর প্রতিফলন দেখা গেছে। অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও প্রতীকী শিল্পকর্ম। এসব প্ল্যাকার্ডে উঠে আসে পরিবেশ, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও সামাজিক বিভিন্ন ইস্যু। ‘বাঁচাও সুন্দরবন’, ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’, ‘ইরানে মার্কিন যুদ্ধ বন্ধ করো’, ‘গণহত্যাকারীদের রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করো’, ‘ফসলের লাভজনক মূল্য দাও’, ‘শিক্ষা বাণিজ্য বন্ধ কর’, ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করো’-এমন নানা স্লোগান দেখা গেছে।

শোভাযাত্রার পুরোটা সময় জুড়ে ছিল ঢোল, বাঁশি ও বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের সুর। ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজন সঙ্গীত ও রঙের মেলবন্ধনে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। ঢাবির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা–কর্মচারী ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

আরএন/ঢাকা/ইবিটাইমস

জনপ্রিয়

এনসিপিতে নতুন পদ পাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন, হাসনাত, আসিফ ও সারজিস

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’

আপডেটের সময় ১০:৫৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ বের হয়েছে। নববর্ষকে স্বাগত জানাতে এতে অংশ নিয়েছে হাজারো মানুষ। বরাবরের মতো এবারও শোভাযাত্রায় বিশ্ব ও দেশীয় ইস্যুর প্রতিফলন দেখা গেছে। এর মধ্যে ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ লেখা প্ল্যাকার্ড নজর কেড়েছে সবার।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৬ মিনিটে চারুকলার সামনে থেকে এই শোভাযাত্রা শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে শোভাযাত্রায় উপস্থিত হন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের ৩ নম্বর (উত্তর) গেট থেকে শুরু করে শাহবাগ থানার সামনে গিয়ে ইউটার্ন নেয়। সেখান থেকে রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি প্রাঙ্গণ ডান পাশে রেখে দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে আবার চারুকলা অনুষদে এসে সকাল ১০টা ৫ মিনিটে শেষ হয়।

এবারের শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল পাঁচটি বড় মোটিফ—মোরগ, বেহালা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়া। এছাড়া ৩৫ জন বাদ্যযন্ত্রশিল্পী জাতীয় সংগীত, ‘এসো হে বৈশাখ’সহ দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন। শোভাযাত্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী জাতীয় পতাকা বহন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশ নেন।

শোভাযাত্রায় বিশ্ব ও দেশীয় ইস্যুর প্রতিফলন দেখা গেছে। অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও প্রতীকী শিল্পকর্ম। এসব প্ল্যাকার্ডে উঠে আসে পরিবেশ, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও সামাজিক বিভিন্ন ইস্যু। ‘বাঁচাও সুন্দরবন’, ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’, ‘ইরানে মার্কিন যুদ্ধ বন্ধ করো’, ‘গণহত্যাকারীদের রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করো’, ‘ফসলের লাভজনক মূল্য দাও’, ‘শিক্ষা বাণিজ্য বন্ধ কর’, ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করো’-এমন নানা স্লোগান দেখা গেছে।

শোভাযাত্রার পুরোটা সময় জুড়ে ছিল ঢোল, বাঁশি ও বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের সুর। ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজন সঙ্গীত ও রঙের মেলবন্ধনে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। ঢাবির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা–কর্মচারী ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

আরএন/ঢাকা/ইবিটাইমস