ভিয়েনা ১১:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সমগ্র ইউরোপজুড়ে বিমানে বোমা হামলার হুমকি মাভাবিপ্রবিতে ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং সেমিনার অনুষ্ঠিত কালিহাতীতে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, স্বামীও আহত নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত গড়ে উঠবে জ্বালানি অবকাঠামো: প্রধানমন্ত্রী অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, চরফ্যাশনের তামিম বেকারিকে জরিমানা আদালতের রায়ের পরও জমি দখলের অভিযোগ, প্রতিকার চান আনোয়ার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে কালিহাতীতে সুজন সাহা গ্রেপ্তার ব্যক্তির উদ্যোগে বদলে গেল টাঙ্গাইলের ২০ গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা

ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা চলছে : ট্রাম্প

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০২:০৩:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • ১২৫ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক : ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা ‘খুবই ইতিবাচক’ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

রোববার ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধের সমাধান খুঁজে বের করতে ইরানের সঙ্গে ‘খুবই ইতিবাচক আলোচনা’ চলছে। তবে এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী থেকে জাহাজগুলোকে নিরাপদে বের করে আনতে সহায়তা শুরু করবে।

ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে জানান, তেহরান যুদ্ধ বন্ধে ১৪ দফা প্রস্তাব দিয়েছে। পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটন ওই প্রস্তাবের জবাবও দিয়েছে।

ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে বলেন, ‘আমার প্রতিনিধিরা ইরানের সাথে খুবই ইতিবাচক আলোচনা করছে। এই আলোচনা সবার জন্য ভালো কিছু বয়ে আনতে পারে।’

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালায়। এতে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা নিহত হন। জবাবে তেহরান মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালায়।

এক পর্যায়ে ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এরপর ইসলামাবাদে এক দফা সরাসরি শান্তি আলোচনা হয়েছে। তবে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে কোন সমঝোতা হয়নি।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরান হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। এতে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ তেল, গ্যাস ও সার পরিবহন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে পাল্টা অবরোধ আরোপ করেছে।

ট্রাম্প বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ওই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে চলাচলে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘তাই জাহাজগুলোকে নিরাপদে এই অবরুদ্ধ জলপথ থেকে বের করে আনতে আমরা দিকনির্দেশনা দেব, যাতে তারা স্বাভাবিকভাবে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারে।’

তিনি জানান, ‘এই প্রক্রিয়া ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ সোমবার সকাল থেকে, মধ্যপ্রাচ্যের সময় অনুযায়ী, শুরু হবে।’

এটিকে তিনি ‘মানবিক উদ্যোগ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। বলেন, আটকে থাকা অনেক জাহাজে খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সরবরাহ কমে আসছে।

তবে এই মিশন কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি ট্রাম্প। সংকীর্ণ এই প্রণালীতে জাহাজ পরিচালনা করতে গিয়ে মার্কিন সেনারা ইরানি বাহিনীর খুব কাছাকাছি অবস্থানে পড়তে পারে।

এক্সে দেওয়া পোস্টে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, সোমবার থেকে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এ সহায়তা শুরু করবে তাদের বাহিনী। এতে থাকবে গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, শতাধিক স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক বিমান, বহু-মাত্রিক মানববিহীন প্ল্যাটফর্ম এবং ১৫ হাজার সেনা সদস্য।

সেন্টকম কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেন, ‘এই প্রতিরক্ষামূলক মিশনে আমাদের সহায়তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে আমরা নৌ অবরোধ বজায় রাখছি।’

সামুদ্রিক গোয়েন্দা সংস্থা এক্সএসমেরিনের তথ্য অনুযায়ী, ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত উপসাগরে ৯০০টির বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ অবস্থান করছিল। সংঘাতের শুরুতে এ সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১০০-এর বেশি।
ঢাকা/এসএস

জনপ্রিয়

সমগ্র ইউরোপজুড়ে বিমানে বোমা হামলার হুমকি

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা চলছে : ট্রাম্প

আপডেটের সময় ০২:০৩:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

ইবিটাইমস ডেস্ক : ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা ‘খুবই ইতিবাচক’ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

রোববার ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধের সমাধান খুঁজে বের করতে ইরানের সঙ্গে ‘খুবই ইতিবাচক আলোচনা’ চলছে। তবে এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী থেকে জাহাজগুলোকে নিরাপদে বের করে আনতে সহায়তা শুরু করবে।

ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে জানান, তেহরান যুদ্ধ বন্ধে ১৪ দফা প্রস্তাব দিয়েছে। পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটন ওই প্রস্তাবের জবাবও দিয়েছে।

ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে বলেন, ‘আমার প্রতিনিধিরা ইরানের সাথে খুবই ইতিবাচক আলোচনা করছে। এই আলোচনা সবার জন্য ভালো কিছু বয়ে আনতে পারে।’

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালায়। এতে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা নিহত হন। জবাবে তেহরান মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালায়।

এক পর্যায়ে ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এরপর ইসলামাবাদে এক দফা সরাসরি শান্তি আলোচনা হয়েছে। তবে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে কোন সমঝোতা হয়নি।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরান হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। এতে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ তেল, গ্যাস ও সার পরিবহন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে পাল্টা অবরোধ আরোপ করেছে।

ট্রাম্প বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ওই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে চলাচলে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘তাই জাহাজগুলোকে নিরাপদে এই অবরুদ্ধ জলপথ থেকে বের করে আনতে আমরা দিকনির্দেশনা দেব, যাতে তারা স্বাভাবিকভাবে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারে।’

তিনি জানান, ‘এই প্রক্রিয়া ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ সোমবার সকাল থেকে, মধ্যপ্রাচ্যের সময় অনুযায়ী, শুরু হবে।’

এটিকে তিনি ‘মানবিক উদ্যোগ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। বলেন, আটকে থাকা অনেক জাহাজে খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সরবরাহ কমে আসছে।

তবে এই মিশন কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি ট্রাম্প। সংকীর্ণ এই প্রণালীতে জাহাজ পরিচালনা করতে গিয়ে মার্কিন সেনারা ইরানি বাহিনীর খুব কাছাকাছি অবস্থানে পড়তে পারে।

এক্সে দেওয়া পোস্টে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, সোমবার থেকে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এ সহায়তা শুরু করবে তাদের বাহিনী। এতে থাকবে গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, শতাধিক স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক বিমান, বহু-মাত্রিক মানববিহীন প্ল্যাটফর্ম এবং ১৫ হাজার সেনা সদস্য।

সেন্টকম কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেন, ‘এই প্রতিরক্ষামূলক মিশনে আমাদের সহায়তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে আমরা নৌ অবরোধ বজায় রাখছি।’

সামুদ্রিক গোয়েন্দা সংস্থা এক্সএসমেরিনের তথ্য অনুযায়ী, ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত উপসাগরে ৯০০টির বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ অবস্থান করছিল। সংঘাতের শুরুতে এ সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১০০-এর বেশি।
ঢাকা/এসএস