ভিয়েনা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লালমোহনে তানিন’র উদ্যোগে ধানের শীষের লিফলেট বিতরণ যুবদল নেতার জমি জবর দখলে মরিয়া আওয়ামী লীগ নেতা সঠিকভাবে ভোট দেয়া না হলে ভোট প্রদানের কারণে গুনার অংশ আমলনামায় জমা হয়- পীর সাহেব চরমোনাই সঠিকভাবে ভোট দেয়া না হলে গুনাহর অংশ আমলনামায় জমা হয় : পীর সাহেব চরমোনাই ইসলামের সাইনবোর্ড লাগিয়ে একটি দল দূর্নীতির অংশীদার হয়েছিল: চরমোনাই পীর সাফিয়া খানম বালিকা মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষক কার্ড ইস্যু নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নির্দেশনা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ নির্বাচন স্থগিতের গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান ইসির শৈলকুপায় সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ: বাধা দেওয়ায় যুবকদের মারধরের অভিযোগ

যুবদল নেতার জমি জবর দখলে মরিয়া আওয়ামী লীগ নেতা

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৪:১৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২১ সময় দেখুন

শহিদুল ইসলাম জামাল, চরফ্যাসন : ভোলার চরফ্যাসনের উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় জমির মাটি খননের অভিযোগ উঠেছে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মনির হোসেন কাজি ও তার বাবা শাহে আলম কাজীর বিরুদ্ধে। জিন্নাগড় ইউনিয়নের উত্তর মাদ্রাজ গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এঘটনা ঘটে।

জানাযায়, উত্তর মাদ্রাজ মৌজায় এসএ ৪ ও ২৫৩,২১৩ নম্বর খতিয়ানের অজিউল্ল্যহ, সালামত উল্লাহ, নুরুল্লাহ, হালিমুল্লাহ পরিবারে সঙ্গে শাহে আলম কাজীদের ১৪ একর ৩৩ শতাংশ জমি নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা মোকদ্দমা চলমান রয়েছে। ওই মামলায় বিজ্ঞ আদালত স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা দেন। কিন্তু প্রতি পক্ষ প্রভাবশালী শাহে আলম কাজী ও তার ছেলে পৌর সভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মনির হোসেন ও তার চাচাতো বোন চাম্পা বেগম উচ্চ আদালতে দেয়া নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাতে আধারে বিরোধীয় জমিতে মাটি খনন করে বসত বাড়ি নির্মান করেন।

যুবদল নেতা হান্নান মুন্সী জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কাউন্সিলর মনির ও তার বাবা জাল দলিলের মাধ্যমে তাদের ভোগ দখলীয় জমি জবর দখলের হুমকি দেন। জমি জবর দখলে ব্যর্থ হয়ে শাহে আলম কাজী জমির মালিকানাদাবী করে ভোলা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তারা পরাজিত হন। এবং বিবাদী পক্ষ অজিউল্ল্যাহ, সালামত উল্লাহ, নুরুল্লাহ, হালিমুল্লাহদের পক্ষে রায় হয়। এর পরই ক্ষিপ্ত হন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মনির হোসেন ও তার বাবা শাহে আলম কাজী, জিন্নাগড় ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন মিয়া। মামলায় হেরে যাওয়ার পর জমির ওয়ারিশ সালামত উল্লাহর ছেলে হান্নান মুন্সী জিন্নাগড় ইউনিয়নের যুবদলের নেতা হওয়ার কারনে আওয়ামী লীগের আমলে তাদের ভোগদখলীয় জমিতে জবর দখল করে সীমানা প্রাচীর নির্মান করে জবর দখলে নেন। সরকার পতনের পর তারা ওই জমি আপোস মীমাংসার মধ্যে আমাদের ছেড়ে দিয়ে চলে যান। কিন্তু বর্তমানে এক অদৃশ্য ছায়ার বলয়ে ফের তারা আমাদের জমিতে জবর দখলে মেতে উঠেছেন।
কাউন্সিলর মনিরের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানাযায়নি।

চরফ্যাসন থানার ওসি জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি । অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

জনপ্রিয়

লালমোহনে তানিন’র উদ্যোগে ধানের শীষের লিফলেট বিতরণ

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

যুবদল নেতার জমি জবর দখলে মরিয়া আওয়ামী লীগ নেতা

আপডেটের সময় ০৪:১৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শহিদুল ইসলাম জামাল, চরফ্যাসন : ভোলার চরফ্যাসনের উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় জমির মাটি খননের অভিযোগ উঠেছে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মনির হোসেন কাজি ও তার বাবা শাহে আলম কাজীর বিরুদ্ধে। জিন্নাগড় ইউনিয়নের উত্তর মাদ্রাজ গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এঘটনা ঘটে।

জানাযায়, উত্তর মাদ্রাজ মৌজায় এসএ ৪ ও ২৫৩,২১৩ নম্বর খতিয়ানের অজিউল্ল্যহ, সালামত উল্লাহ, নুরুল্লাহ, হালিমুল্লাহ পরিবারে সঙ্গে শাহে আলম কাজীদের ১৪ একর ৩৩ শতাংশ জমি নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা মোকদ্দমা চলমান রয়েছে। ওই মামলায় বিজ্ঞ আদালত স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা দেন। কিন্তু প্রতি পক্ষ প্রভাবশালী শাহে আলম কাজী ও তার ছেলে পৌর সভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মনির হোসেন ও তার চাচাতো বোন চাম্পা বেগম উচ্চ আদালতে দেয়া নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাতে আধারে বিরোধীয় জমিতে মাটি খনন করে বসত বাড়ি নির্মান করেন।

যুবদল নেতা হান্নান মুন্সী জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কাউন্সিলর মনির ও তার বাবা জাল দলিলের মাধ্যমে তাদের ভোগ দখলীয় জমি জবর দখলের হুমকি দেন। জমি জবর দখলে ব্যর্থ হয়ে শাহে আলম কাজী জমির মালিকানাদাবী করে ভোলা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তারা পরাজিত হন। এবং বিবাদী পক্ষ অজিউল্ল্যাহ, সালামত উল্লাহ, নুরুল্লাহ, হালিমুল্লাহদের পক্ষে রায় হয়। এর পরই ক্ষিপ্ত হন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মনির হোসেন ও তার বাবা শাহে আলম কাজী, জিন্নাগড় ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন মিয়া। মামলায় হেরে যাওয়ার পর জমির ওয়ারিশ সালামত উল্লাহর ছেলে হান্নান মুন্সী জিন্নাগড় ইউনিয়নের যুবদলের নেতা হওয়ার কারনে আওয়ামী লীগের আমলে তাদের ভোগদখলীয় জমিতে জবর দখল করে সীমানা প্রাচীর নির্মান করে জবর দখলে নেন। সরকার পতনের পর তারা ওই জমি আপোস মীমাংসার মধ্যে আমাদের ছেড়ে দিয়ে চলে যান। কিন্তু বর্তমানে এক অদৃশ্য ছায়ার বলয়ে ফের তারা আমাদের জমিতে জবর দখলে মেতে উঠেছেন।
কাউন্সিলর মনিরের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানাযায়নি।

চরফ্যাসন থানার ওসি জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি । অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস