ভিয়েনা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভাঙা ব্রিজে জীবনের ঝুঁকি, আতঙ্ক নিয়ে স্কুলে যায় শিশুরা গৃহবন্দি থাকার শর্ত পূরণে জরিমানা পরিশোধ করলেন মালয়েশিয়ার কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারে পাচারের চেষ্টা, ৪৯২ বস্তা ইউরিয়া সারসহ আটক ৮ সমগ্র ইউরোপজুড়ে বিমানে বোমা হামলার হুমকি মাভাবিপ্রবিতে ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং সেমিনার অনুষ্ঠিত কালিহাতীতে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, স্বামীও আহত নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত গড়ে উঠবে জ্বালানি অবকাঠামো: প্রধানমন্ত্রী অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, চরফ্যাশনের তামিম বেকারিকে জরিমানা

গোয়েন্দারা ভয় দেখিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহার করিয়েছে: জি এম কাদের

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৮:০১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪
  • ১২৬ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক: কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাদের হেফাজতে নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থা ভয়ভীতি দেখিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিতে বাধ্য করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলের নেতা জি এম কাদের। তিনি বলেন, দিনের পর দিন নিরাপত্তার নামে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটকে রাখাকে আইনসম্মত মনে করি না।

সোমবার (২৯ জুলাই) বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের এসব কথা বলেন। ডিবি পুলিশের হেফাজত থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় নেতার মুক্তি দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের সরকারের সমালোচনা ও প্রতিবাদ করার অধিকার আছে। অহিংস প্রতিবাদকে রাষ্ট্রদ্রোহ বিবেচনা করে, আইনশৃঙ্খলা ও প্রতিরক্ষা বাহিনীকে ব্যবহার করে সহিংস মোকাবিলার অধিকার সরকার বা সরকারি দলের নেই। কোনো আন্দোলন দমাতেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি করতে পারে না।

প্রাণহানির জন্য সরকারকে দায়ী করে জি এম কাদের বলেন, আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হেলিকপ্টার ও বহুতল ভবন থেকে জনগণের ওপর নির্বিচারে গুলি করেছে। বাবা-মায়ের কোলে, ঘরে থাকা শিশুও নিহত হয়েছে। অসংখ্য নিরীহ পথচারীর প্রাণ গেছে।

তিনি বলেন, ‘প্রশ্ন হলো, এই ধরনের গুলি বর্ষনের উদ্দেশ্য কী ছিল? সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা যদি লক্ষ্য হয়, তাহলে এই ধরনের প্রক্রিয়ায় কি সন্ত্রাসী চিহ্নিত করা সম্ভব ছিল? বাবার কোলে শিশু, রান্নাঘরে গৃহিণী ও নিরিহ পথচারী, তারা কি সন্ত্রাসী? এই মৃত্যুর দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।’

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘আন্দোলন দমাতে দেদারছে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, গ্রেপ্তার বাণিজ্য চালাচ্ছে সংশ্লিষ্টরা। সাধারণ মানুষের মধ্যে গ্রেপ্তার আতঙ্ক বিরাজ করছে। দেশের মানুষ যেন আতঙ্করাজ্যের বাসিন্দা। প্রতিটি আহত, নিহত এবং সহিংসতার নিরপেক্ষ তদন্তসাপেক্ষে আমরা বিচার চাচ্ছি।’

ডেস্ক/ইবিটাইমস/ এনএল/আরএন

জনপ্রিয়

ভাঙা ব্রিজে জীবনের ঝুঁকি, আতঙ্ক নিয়ে স্কুলে যায় শিশুরা

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

গোয়েন্দারা ভয় দেখিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহার করিয়েছে: জি এম কাদের

আপডেটের সময় ০৮:০১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪

ইবিটাইমস ডেস্ক: কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাদের হেফাজতে নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থা ভয়ভীতি দেখিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিতে বাধ্য করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলের নেতা জি এম কাদের। তিনি বলেন, দিনের পর দিন নিরাপত্তার নামে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটকে রাখাকে আইনসম্মত মনে করি না।

সোমবার (২৯ জুলাই) বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের এসব কথা বলেন। ডিবি পুলিশের হেফাজত থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় নেতার মুক্তি দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের সরকারের সমালোচনা ও প্রতিবাদ করার অধিকার আছে। অহিংস প্রতিবাদকে রাষ্ট্রদ্রোহ বিবেচনা করে, আইনশৃঙ্খলা ও প্রতিরক্ষা বাহিনীকে ব্যবহার করে সহিংস মোকাবিলার অধিকার সরকার বা সরকারি দলের নেই। কোনো আন্দোলন দমাতেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি করতে পারে না।

প্রাণহানির জন্য সরকারকে দায়ী করে জি এম কাদের বলেন, আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হেলিকপ্টার ও বহুতল ভবন থেকে জনগণের ওপর নির্বিচারে গুলি করেছে। বাবা-মায়ের কোলে, ঘরে থাকা শিশুও নিহত হয়েছে। অসংখ্য নিরীহ পথচারীর প্রাণ গেছে।

তিনি বলেন, ‘প্রশ্ন হলো, এই ধরনের গুলি বর্ষনের উদ্দেশ্য কী ছিল? সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা যদি লক্ষ্য হয়, তাহলে এই ধরনের প্রক্রিয়ায় কি সন্ত্রাসী চিহ্নিত করা সম্ভব ছিল? বাবার কোলে শিশু, রান্নাঘরে গৃহিণী ও নিরিহ পথচারী, তারা কি সন্ত্রাসী? এই মৃত্যুর দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।’

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘আন্দোলন দমাতে দেদারছে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, গ্রেপ্তার বাণিজ্য চালাচ্ছে সংশ্লিষ্টরা। সাধারণ মানুষের মধ্যে গ্রেপ্তার আতঙ্ক বিরাজ করছে। দেশের মানুষ যেন আতঙ্করাজ্যের বাসিন্দা। প্রতিটি আহত, নিহত এবং সহিংসতার নিরপেক্ষ তদন্তসাপেক্ষে আমরা বিচার চাচ্ছি।’

ডেস্ক/ইবিটাইমস/ এনএল/আরএন