ভিয়েনা ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কাল তারেক রহমানকে টেলিফোনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ট্রাম্পের অভিনন্দন এআই’কে গুটিকয়েক ধনকুবেরের মর্জির ওপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না : জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার চলমান থাকবে: চিফ প্রসিকিউটর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ বাংলাদেশে সুষ্ঠুভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরে ইইউর ধন্যবাদ জ্ঞাপন

গোয়েন্দারা ভয় দেখিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহার করিয়েছে: জি এম কাদের

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৮:০১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪
  • ৫৩ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক: কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাদের হেফাজতে নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থা ভয়ভীতি দেখিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিতে বাধ্য করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলের নেতা জি এম কাদের। তিনি বলেন, দিনের পর দিন নিরাপত্তার নামে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটকে রাখাকে আইনসম্মত মনে করি না।

সোমবার (২৯ জুলাই) বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের এসব কথা বলেন। ডিবি পুলিশের হেফাজত থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় নেতার মুক্তি দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের সরকারের সমালোচনা ও প্রতিবাদ করার অধিকার আছে। অহিংস প্রতিবাদকে রাষ্ট্রদ্রোহ বিবেচনা করে, আইনশৃঙ্খলা ও প্রতিরক্ষা বাহিনীকে ব্যবহার করে সহিংস মোকাবিলার অধিকার সরকার বা সরকারি দলের নেই। কোনো আন্দোলন দমাতেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি করতে পারে না।

প্রাণহানির জন্য সরকারকে দায়ী করে জি এম কাদের বলেন, আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হেলিকপ্টার ও বহুতল ভবন থেকে জনগণের ওপর নির্বিচারে গুলি করেছে। বাবা-মায়ের কোলে, ঘরে থাকা শিশুও নিহত হয়েছে। অসংখ্য নিরীহ পথচারীর প্রাণ গেছে।

তিনি বলেন, ‘প্রশ্ন হলো, এই ধরনের গুলি বর্ষনের উদ্দেশ্য কী ছিল? সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা যদি লক্ষ্য হয়, তাহলে এই ধরনের প্রক্রিয়ায় কি সন্ত্রাসী চিহ্নিত করা সম্ভব ছিল? বাবার কোলে শিশু, রান্নাঘরে গৃহিণী ও নিরিহ পথচারী, তারা কি সন্ত্রাসী? এই মৃত্যুর দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।’

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘আন্দোলন দমাতে দেদারছে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, গ্রেপ্তার বাণিজ্য চালাচ্ছে সংশ্লিষ্টরা। সাধারণ মানুষের মধ্যে গ্রেপ্তার আতঙ্ক বিরাজ করছে। দেশের মানুষ যেন আতঙ্করাজ্যের বাসিন্দা। প্রতিটি আহত, নিহত এবং সহিংসতার নিরপেক্ষ তদন্তসাপেক্ষে আমরা বিচার চাচ্ছি।’

ডেস্ক/ইবিটাইমস/ এনএল/আরএন

জনপ্রিয়

গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

গোয়েন্দারা ভয় দেখিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহার করিয়েছে: জি এম কাদের

আপডেটের সময় ০৮:০১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪

ইবিটাইমস ডেস্ক: কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাদের হেফাজতে নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থা ভয়ভীতি দেখিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিতে বাধ্য করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলের নেতা জি এম কাদের। তিনি বলেন, দিনের পর দিন নিরাপত্তার নামে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটকে রাখাকে আইনসম্মত মনে করি না।

সোমবার (২৯ জুলাই) বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের এসব কথা বলেন। ডিবি পুলিশের হেফাজত থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় নেতার মুক্তি দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের সরকারের সমালোচনা ও প্রতিবাদ করার অধিকার আছে। অহিংস প্রতিবাদকে রাষ্ট্রদ্রোহ বিবেচনা করে, আইনশৃঙ্খলা ও প্রতিরক্ষা বাহিনীকে ব্যবহার করে সহিংস মোকাবিলার অধিকার সরকার বা সরকারি দলের নেই। কোনো আন্দোলন দমাতেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি করতে পারে না।

প্রাণহানির জন্য সরকারকে দায়ী করে জি এম কাদের বলেন, আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হেলিকপ্টার ও বহুতল ভবন থেকে জনগণের ওপর নির্বিচারে গুলি করেছে। বাবা-মায়ের কোলে, ঘরে থাকা শিশুও নিহত হয়েছে। অসংখ্য নিরীহ পথচারীর প্রাণ গেছে।

তিনি বলেন, ‘প্রশ্ন হলো, এই ধরনের গুলি বর্ষনের উদ্দেশ্য কী ছিল? সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা যদি লক্ষ্য হয়, তাহলে এই ধরনের প্রক্রিয়ায় কি সন্ত্রাসী চিহ্নিত করা সম্ভব ছিল? বাবার কোলে শিশু, রান্নাঘরে গৃহিণী ও নিরিহ পথচারী, তারা কি সন্ত্রাসী? এই মৃত্যুর দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।’

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘আন্দোলন দমাতে দেদারছে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, গ্রেপ্তার বাণিজ্য চালাচ্ছে সংশ্লিষ্টরা। সাধারণ মানুষের মধ্যে গ্রেপ্তার আতঙ্ক বিরাজ করছে। দেশের মানুষ যেন আতঙ্করাজ্যের বাসিন্দা। প্রতিটি আহত, নিহত এবং সহিংসতার নিরপেক্ষ তদন্তসাপেক্ষে আমরা বিচার চাচ্ছি।’

ডেস্ক/ইবিটাইমস/ এনএল/আরএন