ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ সতর্কবাতার্ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত প্রচারিত হওয়ার পরে জেলা প্রশাসক ২য় দিনে ঘূর্নিঝড় রেমাল মোকাবেলায় সভা করেছে।
জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের নিয়ে রবিবার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ফারাহ্ গুল নিঝুমের সভাপতিত্বে এই সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুল, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাড. খান সাইফুল্লাহ পনির, সিভিল সার্জন ডাঃ এইচ জহিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মোঃ রুহুল আমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মামুন শিবলি, পৌর মেয়র আলহাজ্ব লিয়াকত আলী তালুকদার, উপজেলা চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমান, দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অন্যান্য সময়ের ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলার অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে এবার জোড়ালো পূর্ব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন এনজিও সংস্থা, স্বাস্থ্য বিভাগ, জেলা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বিদ্যুৎ বিভাগ, আনসার ও ভিডিপি, বন বিভাগ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলসহ বিভিন্ন বিভাগের সক্ষমতার উপর ঘূর্নিঝড় আঘাত হানলে দ্রুত সময়ে উদ্ধার জেলার সাইক্লোন সেন্টার গুলিতে মানুষকে নিয়ে যাওয়া ইত্যাদি বিষয়ে খুটিনাটি সুচারুভাবে নির্ণয় করা হয়েছে।
ঝালকাঠি জেলার ৫৮৬টি প্রাইমারী স্কুল এবং এর সাথে ৪৯টি সাইক্লোন সেন্টার ও ৩৭৩টি মাধ্যমিক স্তরের বিদ্যালয়কে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলায় ৪০টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। জেলায় পর্যাপ্ত শুকনা খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং জেলা প্রশাসকের কাছে নগদ অর্থ ও জি-আরের চাল মজুদ রয়েছে।
বাধন রায়/ইবিটাইমস