নির্বাচন নিয়ে সরকার নয়, গণমাধ্যম চাপে আছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা প্রতিনিধি: আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে সরকার কোনো চাপে নেই বরং গণমাধ্যম চাপে আছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বৃহস্পতিবার (৩১ আগষ্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ইন্দোনেশিয়া সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

নির্বাচন নিয়ে পশ্চিমাদের চাপ রয়েছে এবং দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় জি-২০ বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক নিয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রধানের বৈঠকগুলো শেষ মুহূর্তে ঠিক হয়। দুই প্রধানমন্ত্রীর অবশ্যই বৈঠকের সম্ভাবনা আছে। বলেন, বৈঠক হলে দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে।

পশ্চিমাদের চাপ প্রসঙ্গে আব্দুল মোমেন বলেন, আমরা খুব চাপটাপের মধ্যে নেই। আসলে এটা ঠিক না। মিডিয়া মনে হয় চাপে আছে। আমরা যেটাতে বিশ্বাস করি, আমরা একটা স্বচ্ছ নির্বাচন করতে চাই। আমরা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চাই। শেখ হাসিনা সরকার বাংলাদেশে নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক ধারাকে টেকসই করেছে। শেখ হাসিনা অবাধ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটাতে আমরা বিশ্বাস করি। সুতরাং আমরা কোনো চাপে নেই।

তিনি বলেন, আমরা নিজেদের তাগিদে স্বচ্ছ নির্বাচন করব। কারও চাপের মুখের পড়ে স্বচ্ছ নির্বাচনের কথা চিন্তা করি না। অন্য যারা আমাদের চাপ দেন তারা নিজেদের চেহারা দেখতে পারে, তাদের ওখানেও তো গন্ডগোল। তাদের ওখানে নির্বাচন নিয়ে সমস্যা।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মামলা নিয়ে তথ্যের ঘাটতির কারণে আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বরা বিবৃতি দিয়েছেন বলে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা কোনো চাপ মনে করি না। আমরা মনে করি, এখানে তথ্যগত ঘাটতি আছে। বড় নেতাদের হয়তো কেউ বলেছে, বাংলাদেশ এ রকম নামি-দামি লোককে হয়রানি করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে হয়তো তারা বিবৃতি দিয়েছেন। এখানে বোধ হয় তথ্যের ঘাটতি আছে, অজ্ঞতার কারণ আছে।

তিনি আরও বলেন, অনেকে মনে করছেন রাজনৈতিক কারণে কিংবা অন্য কোনো কারণে হয়রানি করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা যত দূর জানি, মামলাগুলো সরকার করেনি। আমরা আশা করব যে যারা চিঠি লিখেছেন, তারা বিষয়টা আরও জানবেন এবং তারা যদি জানতে চান, তাহলে আমরা অবশ্যই তথ্যগুলো পৌঁছে দেব।

ঢাকা/ইবিটাইমস/এনএল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »