বুর্গেনল্যান্ড রাজ্যের গভর্নর হ্যান্স পিটার ডসকোজিল SPÖ সদস্য জরিপে জয়ী হয়েছেন। এটা পার্টি নেত্রী পামেলা রেন্ডি ভাগনারের পরাজয়। পামেলা ট্রাইস্কির্চেনের মেয়র আন্দ্রেয়াস বাবলারের পরে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন
ইউরোপ ডেস্কঃ অস্ট্রিয়ান সংবাদ সংস্থা এপিএ জানিয়েছে, অস্ট্রিয়ার জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদল সোস্যালিস্ট পার্টি অস্ট্রিয়ার (SPÖ) দলীয় প্রধান নির্বাচনে বুর্গেনল্যান্ড রাজ্যের গভর্নর ও দলের শীর্ষ নেতা হ্যান্স পিটার ডসকোজিল পার্টি নেতৃত্ব এবং আসন্ন শীর্ষ প্রার্থীতার উপর SPÖ সদস্য জরিপে জয়ী হয়েছেন।
সোমবার(২২ মে) বিকালে নির্বাচন কমিশনের চেয়ারপার্সন মিখায়েলা গ্রুবেসা ফলাফল ঘোষণা করেন। তার ঘোষণা অনুযায়ী, বুর্গেনল্যান্ডের গভর্নর হ্যান্স পিটার ডসকোজিল মোট ভোট পেয়েছেন ৩৬,০০৯ ভোট (৩৪,৬৮%)।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ট্রাইস্কির্চেনের মেয়র বাবলার। তিনি ভোট পেয়েছেন ৩৩,৭০৩ ভোট (৩১,৫%)। বর্তমান দলীয় প্রধান পামেলা রেন্ডি-ভাগনার পেয়েছেন ৩৩,৫২৮ ভোট (৩১,৪%)। ফলে SPÖ নেত্রী তৃতীয় স্থান লাভ করে সরাসরি পরাজিত হয়েছেন।
SPÖ দলের নির্বাচন কমিশন প্রধান মিখায়েলা গ্রুবেসা জানান, দলের মোট ভোটার সদস্য ছিল ১,৪৭,৯৯৩ জন। তার মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১,০৭,১৩৩ জন (৭২,৩৯%)। তবে তিনি বলেন, এই ফলাফলই চূড়ান্ত নয়।
তিনি আরও বলেন,পার্টির সভাপতিত্বের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আগামী সপ্তাহে শনিবার পার্টি সম্মেলনে। এটি এখন বিশেষ উত্তেজনার প্রতিশ্রুতি দেয়, কারণ বাবলার ঘোষণা করেছেন যে ফলাফল পরিষ্কার না হলে তিনি প্রার্থী হবেন। অন্যদিকে রেন্ডি-ভাগনার সদস্য জরিপে প্রথম না এলে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করেছেন।
এপিএ জানায়,আজ SPÖ সদস্য সমীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করার পূর্বে নির্বাচন কমিশন সকাল ১০টা থেকে অত্যন্ত গোপনীয়তার মধ্যে বৈঠক করেছিল। সকালে লোয়ার অস্ট্রিয়া(NÖ) থেকে ভিয়েনায় ভোট নেওয়া হয় এবং তারপরে ডাক ও ইলেকট্রনিক ভোট একত্রিত করা হয়। একটি বিস্তৃত নমুনাও নেওয়া হয়েছিল। গণনার সঠিকতা সর্বসম্মতভাবে নির্ধারিত হয়েছিল, গ্রুবেসা তার রিপোর্ট তা বিস্তারিত উল্লেখ করেছেন।
উল্লেখ্য যে,বুর্গেনল্যান্ড রাজ্যের গভর্নর হ্যান্স পিটার ডসকোজিল (SPÖ) দলীয় প্রধান পামেলা রেন্ডি-ভাগনারের প্রতি অনাস্থা দিয়ে নিজেই দলের প্রধান হওয়ার ঘোষণা দেন। দলটির নীতি নির্ধারকরা কয়েক দফা বৈঠক করে কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হতে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে নীতি নির্ধারকরা দলের নিয়মিত সদস্যদের ওপর ভোটের মাধ্যমে দলীয় প্রধান নির্বাচনের জন্য ছেড়ে দেন।
কবির আহমেদ/ইবিটাইমস