ভোলা জেলা প্রতিনিধিঃ টানা ১৬ বছর পর প্রথমবারের মত ডেলিভারি সম্পন্ন হয়েছে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে। এরআগে ২০০৬ সালে এ স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হলেও চিকিৎসক-নার্সের সংকটে সেখানে কোন ডেলিভারি হয়নি। ইউনিয়নের আমিনপুর গ্রামের সুরভী ও আব্বাস দম্পতির ঘরে এ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ১ম সন্তাণের জন্ম হয়।
এই কেন্দ্রে দক্ষ মিডওয়াইফ দ্বারা প্রথম বারের মতো জন্ম নিল একটি ছেলে শিশু। এই আনন্দ সংবাদ শুনে মা ও শিশুকে দেখতে ও শুভেচ্ছা জানাতে চরকুকরী মুকরী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে ছুটে যান কুকরী মুকরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজন।
মূল ভূখন্ড বিচ্ছিন্ন এই দ্বীপে মায়েদের চরফ্যাশন সদরে বা ক্লিনিকে এসে ডেলিভারি করানো হতো। এতে অনেক দুর্ভোগ পেহাতে হতো তাদের। কিন্তু এখন থেকে ইউনিয়ন বাসীকে আর দুর্ভোগ পোহাতে হবে বলে বলে জানান চেয়ারম্যান।
চরকুকরী মুকরী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে লোকবলের অভাবে নরমাল ডেলিভারি সেবা চালু করতে পারেনি। বর্তমানে The Swedish Postcode Foundation এর অর্থায়নে এবং Concern Worldwide এর সহযোহিতায় পার্টনার্স ইন হেলথ্ এন্ড ডেভেলপমেন্ট (পিএইচডি) এর বাস্তবায়নে Midwifery-led health services for the islands people in Bangladesh (MLHS) বা ”মিডওয়াইফ চালিত স্বাস্থ্যসেবা” নামক শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে কেন্দ্রটিতে ২জন মিডওয়াইফ ও ১জন মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।
প্রকল্পটি সরকারী, বেসরকারী ও স্থানীয় সরকারের তত্বাবধানে ত্রিপক্ষীয় অংশীদারত্বের ভিত্তিতে ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার ২টি ও মনপুরা উপজেলার ২টি ইউনিয়নে বাস্তবায়ন হচ্ছে। এতে তৃনমূলের মানুষ এ সুবিধার আওতায় এসেছে।
মনজুর রহমান/ইবিটাইমস