ভিয়েনা ০৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিজের দুর্নীতি ঢাকতে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের দিয়ে মানববন্ধন করালেন টিএইচএ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৯:০১:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুন ২০২১
  • ২১ সময় দেখুন

পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের নাজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচএ ডাক্তার ফজলে বারীর বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ঢাকতে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের দিয়ে মানববন্ধন করান।

বুধবার (২৩ জুন) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের প্রধান ফটক আটকিয়ে ওই দিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধনে হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও কর্মচারীরা অংশ নেন। এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডাক্তার শুভ ওঝা সহ হাসপাতালের কর্মচারীরা।

জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের স্বাস্থ্য সহকারী ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত কর্মচারীদের ডেকে এনে এ মানববন্ধনে অংশ নিতে বাধ্য করা হয়। এতে ওই দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের স্বাস্থ্য সেবা ব্যাহত হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা উপজেলার বুইচাকাঠী গ্রামের মো. জাহিদুল ইসলাম নামের এক রোগী জানান, জ্বর ও মাথা ব্যাথ সহ বিভিন্ন অসুস্থতা নিয়ে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে এসে দেখি কাসপাতালের প্রধান গেট আটকে চলছে মানববন্ধন। তাই পরে হাসপাতালে ঢুকতে না পেরে স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসককে দিয়ে চিকিৎসা নেই।

ওই মানববন্ধনে অংশ নেয়া ডাক্তার এএইচএম মোস্তফা কায়সার জানান, মানববন্ধনের বিষয় তিনি কিছু জানেন না। সবাইকে মানববন্ধনে দাঁড়াতে দেখে সেখানে অংশ নেন।

উপজেলার শাখাঁরীকাঠী ইউনিয়নের স্বাস্থ্য সহকারী সুজন গাইন জানান, তাকে (সুজন গাইন) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইপিআই টেকনেশিয়ান মো. শহিদুল ইসলাম ট্রেনিং-এর কথা বলে জরুরী ভিত্তিতে ডেকে আনেন। পরে মানবন্ধনে অংশ নিতে বাধ্য করান। এমনই অভিযোগ আরো অনেকে।

এ ব্যাপারে ইউপিআই টেকনেশিয়ান মো. শহিদুল ইসলামের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, মানববন্ধনে অংশ নিতে তিনি (শহিদুল) কাউকে বলেন নি বা বাধ্য করেন নি।

জেলা হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডাক্তার মো. হাসানাত ইউসুফ জাকির সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, দায়িত্ব বাদ দিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি।

উল্লেখ্য, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ফজলে বারীর বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে গত ২৭ মে স্থানীয় এক ব্যক্তি স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক, দুর্নীতি দমন কমিশন সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, টিএইচএ এর সহায়তায় সম্প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রায় ৭৫ লাখ টাকা মূল্যের ১৫ শতাংশ জমি দখল ও ওই জমিতে থাকা ৪টি রেন্টি গাছ কেটে নেয়া হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মূল ভবনের পশ্চিম পাশে অবস্থিত উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের জন্য নির্মিত নতুন ভবনের জমি ও ওই জমিতে থাকা ওই গাছ কেটে নেন স্থানীয় প্রভাবশালী ইলিয়াস খান ও তার সহোদর এনায়েত হোসেন খান। এ ছাড়া সরকারী গাড়ি নিজের ব্যাক্তিগত কাজে ব্যবহার ও এর নির্ধারিত চালকের কাছ থেকে মাসিক ৫/৬ হাজার টাকা উৎকোচ নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত চালককে দিয়ে সরকারি গাড়ি চালানোর অভিযোগ রয়েছে। আর সরকারি চালক থাকেন ঢাকায়। হাসপাতালের সংক্রমন ওয়ার্ডের নতুন কেবিন তৈরী করে গত ৩ মাস ধরে ওই কেবিন ভাড়ার টাকা সরকারী কোষাগারে জমা না দিয়ে তা আত্মসাৎ, ফার্নিচার কেনার নামে ভুয়া ভাউচার দেখিয়ে ২ লাখ টাকা হিসবে গড়মিল, ময়লা কাপড় ধোলাইয়ের খরচ বাবদ সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের সাথে আতাঁত করে চলতি বছরের গত ৩মাসে প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার টাকা নিলেও এর আগে গত এক বছরে সাড়ে ৬৮ হাজার টাকা খরচ হয়।

অভিযোগ রয়েছে ওই হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স অপু হালদারের সহযোগীতায় ওই টাকা আত্মাৎ করা হয়। স্টাফ নার্স অপু হালদার জানান, এ বিষয়ে টিএইচএ (উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা) সব জানেন ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একাধীক কর্মচারীদের দেয়া তথ্য সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন আগে চলতি কোভিডের (করোনা) টিকার পরিবহন ও আপ্যায়ন খরচ বাবদ রবাদ্দ পাওয়া ৮লাখ টাকা তিনি বিভিন্ন ভুয়া ভাউচার দেখিয়ে আত্মসৎ করেছেন।

হাসপাতালের সরকারী এ্যাম্বুলেন্স ও তার সরকারী বরাদ্দকৃত গাড়ি কোভিডের টিকা বহন করার কাজে ব্যবহার করেও টিকা পরিবহনের জন্য আলাদা পরিবহন খরচ ও ভুয়া আপ্যায়ন খরচ দেখিয়ে ওই টাকা উত্তোন করে আত্মসৎ করেন। ভেষজ বাগানের সংস্কার বাবদ বরাদ্দ পাওয়া টাকা খরচ না করে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে বাগানের দায়িত্বে থাকা জাহাঙ্গিরের স্বাক্ষর নিয়ে তা উত্তোলন করেন ।

এ ছাড়া গত ১২ জুন হাসপাতালের অফিস সহায়ক আসলাম হোসেনকে ৭৩ হাজার টাকার একটি ভুয়া ভাউচার দেখিয়ে স্বাক্ষর নেন। আর তার এসব কাজে প্রধান সহযোগী হিসাবে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইপি আই টেকনেশিয়্যান মো. শহিদুল ইসলামকে ব্যাবহার করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ফজলে বারীর সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন ও এসব মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন।

এইচ এম লাহেল মাহমুদ /ইবিটাইমস

জনপ্রিয়
Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

নিজের দুর্নীতি ঢাকতে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের দিয়ে মানববন্ধন করালেন টিএইচএ

আপডেটের সময় ০৯:০১:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুন ২০২১

পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের নাজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচএ ডাক্তার ফজলে বারীর বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ঢাকতে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের দিয়ে মানববন্ধন করান।

বুধবার (২৩ জুন) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের প্রধান ফটক আটকিয়ে ওই দিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধনে হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও কর্মচারীরা অংশ নেন। এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডাক্তার শুভ ওঝা সহ হাসপাতালের কর্মচারীরা।

জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের স্বাস্থ্য সহকারী ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত কর্মচারীদের ডেকে এনে এ মানববন্ধনে অংশ নিতে বাধ্য করা হয়। এতে ওই দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের স্বাস্থ্য সেবা ব্যাহত হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা উপজেলার বুইচাকাঠী গ্রামের মো. জাহিদুল ইসলাম নামের এক রোগী জানান, জ্বর ও মাথা ব্যাথ সহ বিভিন্ন অসুস্থতা নিয়ে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে এসে দেখি কাসপাতালের প্রধান গেট আটকে চলছে মানববন্ধন। তাই পরে হাসপাতালে ঢুকতে না পেরে স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসককে দিয়ে চিকিৎসা নেই।

ওই মানববন্ধনে অংশ নেয়া ডাক্তার এএইচএম মোস্তফা কায়সার জানান, মানববন্ধনের বিষয় তিনি কিছু জানেন না। সবাইকে মানববন্ধনে দাঁড়াতে দেখে সেখানে অংশ নেন।

উপজেলার শাখাঁরীকাঠী ইউনিয়নের স্বাস্থ্য সহকারী সুজন গাইন জানান, তাকে (সুজন গাইন) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইপিআই টেকনেশিয়ান মো. শহিদুল ইসলাম ট্রেনিং-এর কথা বলে জরুরী ভিত্তিতে ডেকে আনেন। পরে মানবন্ধনে অংশ নিতে বাধ্য করান। এমনই অভিযোগ আরো অনেকে।

এ ব্যাপারে ইউপিআই টেকনেশিয়ান মো. শহিদুল ইসলামের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, মানববন্ধনে অংশ নিতে তিনি (শহিদুল) কাউকে বলেন নি বা বাধ্য করেন নি।

জেলা হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডাক্তার মো. হাসানাত ইউসুফ জাকির সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, দায়িত্ব বাদ দিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি।

উল্লেখ্য, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ফজলে বারীর বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে গত ২৭ মে স্থানীয় এক ব্যক্তি স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক, দুর্নীতি দমন কমিশন সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, টিএইচএ এর সহায়তায় সম্প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রায় ৭৫ লাখ টাকা মূল্যের ১৫ শতাংশ জমি দখল ও ওই জমিতে থাকা ৪টি রেন্টি গাছ কেটে নেয়া হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মূল ভবনের পশ্চিম পাশে অবস্থিত উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের জন্য নির্মিত নতুন ভবনের জমি ও ওই জমিতে থাকা ওই গাছ কেটে নেন স্থানীয় প্রভাবশালী ইলিয়াস খান ও তার সহোদর এনায়েত হোসেন খান। এ ছাড়া সরকারী গাড়ি নিজের ব্যাক্তিগত কাজে ব্যবহার ও এর নির্ধারিত চালকের কাছ থেকে মাসিক ৫/৬ হাজার টাকা উৎকোচ নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত চালককে দিয়ে সরকারি গাড়ি চালানোর অভিযোগ রয়েছে। আর সরকারি চালক থাকেন ঢাকায়। হাসপাতালের সংক্রমন ওয়ার্ডের নতুন কেবিন তৈরী করে গত ৩ মাস ধরে ওই কেবিন ভাড়ার টাকা সরকারী কোষাগারে জমা না দিয়ে তা আত্মসাৎ, ফার্নিচার কেনার নামে ভুয়া ভাউচার দেখিয়ে ২ লাখ টাকা হিসবে গড়মিল, ময়লা কাপড় ধোলাইয়ের খরচ বাবদ সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের সাথে আতাঁত করে চলতি বছরের গত ৩মাসে প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার টাকা নিলেও এর আগে গত এক বছরে সাড়ে ৬৮ হাজার টাকা খরচ হয়।

অভিযোগ রয়েছে ওই হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স অপু হালদারের সহযোগীতায় ওই টাকা আত্মাৎ করা হয়। স্টাফ নার্স অপু হালদার জানান, এ বিষয়ে টিএইচএ (উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা) সব জানেন ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একাধীক কর্মচারীদের দেয়া তথ্য সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন আগে চলতি কোভিডের (করোনা) টিকার পরিবহন ও আপ্যায়ন খরচ বাবদ রবাদ্দ পাওয়া ৮লাখ টাকা তিনি বিভিন্ন ভুয়া ভাউচার দেখিয়ে আত্মসৎ করেছেন।

হাসপাতালের সরকারী এ্যাম্বুলেন্স ও তার সরকারী বরাদ্দকৃত গাড়ি কোভিডের টিকা বহন করার কাজে ব্যবহার করেও টিকা পরিবহনের জন্য আলাদা পরিবহন খরচ ও ভুয়া আপ্যায়ন খরচ দেখিয়ে ওই টাকা উত্তোন করে আত্মসৎ করেন। ভেষজ বাগানের সংস্কার বাবদ বরাদ্দ পাওয়া টাকা খরচ না করে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে বাগানের দায়িত্বে থাকা জাহাঙ্গিরের স্বাক্ষর নিয়ে তা উত্তোলন করেন ।

এ ছাড়া গত ১২ জুন হাসপাতালের অফিস সহায়ক আসলাম হোসেনকে ৭৩ হাজার টাকার একটি ভুয়া ভাউচার দেখিয়ে স্বাক্ষর নেন। আর তার এসব কাজে প্রধান সহযোগী হিসাবে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইপি আই টেকনেশিয়্যান মো. শহিদুল ইসলামকে ব্যাবহার করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ফজলে বারীর সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন ও এসব মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন।

এইচ এম লাহেল মাহমুদ /ইবিটাইমস