ভিয়েনা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চরফ্যাশনে বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩ টাঙ্গাইলে ৫ ক্রেতাকে ওয়ালটনের উপহার হস্তান্তর লালমোহন শাহবাজপুর রেসিডেনসিয়াল মাদরাসার প্রথম বছরেই ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি লাভ চরফ্যাসনে অবৈধ সেচ পাম্পিংয়ের প্রভাবে অকার্যকর দেড় হাজার নলকূপ ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় যুক্তরাস্ট্রকে ভারতের বন্দর ব্যবহার করতে দেওয়ার অভিযোগ: ভারতের অস্বীকার নতুন রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন ৩ সেনা কর্মকর্তা খামেনিকে হত্যার চড়া মূল্য দিতে হবে ট্রাম্পকে – লারিজানি হবিগঞ্জ র‍্যাব-৯ এর বিশেষ অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজাসহ আটক ২

চরফ্যাসনে অবৈধ সেচ পাম্পিংয়ের প্রভাবে অকার্যকর দেড় হাজার নলকূপ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১২:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ৪৭ সময় দেখুন

শহিদুল ইসলাম জামাল, চরফ্যাসন : ভোলার চরফ্যাসন উপজেলায় অবৈধ সেচ পাম্পিংয়ের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অস্বাভাবিকহারে নিচে নেমে গেছে। এতে ওই উপজেলার পাঁচটি এলাকার প্রায় ১ লক্ষ ৮১ হাজার ৯৪ জন মানুষ সুপেয় পানির অভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এসব এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, চাষাবাদের জন্য সাবমারসিবল সেচ পাম্প দিয়ে অবৈধভাবে মাত্রাতিরিক্ত পানি উত্তোলনের ফলে হস্তচালিত প্রায় দেড় হাজার নলকূপ অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

উপজেলা বিএডিসি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জিন্নাগড়, মাদ্রাজ, হাজারীগঞ্জ, জাহানপুর ইউনিয়নসহ পৌরসভায় বেসরকারীভাবে ১০০ সাব মারসিবল সেচ পাম্প রয়েছে। এসব পাম্প থেকে কৃষি কাজে ব্যবহারের জন্য প্রতিদিন আট ঘন্টায় গড়ে ৮ লাখ ৬ হাজার ৪০০ লিটার পানি উত্তোলন করা হয়।

সুপেয় পানির সংকটে পড়া এলাকাগুলো ঘুরে দেখা যায়, আগে যেখানে হস্তচালিত টিউবওয়েল থেকে সহজেই সুপেয় পানি পাওয়া যেত, এখন সেখানে কয়েক মিনিট চাপ দিলেও পানি উঠছে না। কৃষিকাজ, মাছের ঘের এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য অনেকেই উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সাব মারসিবল পাম্প ব্যবহার করছেন। এসব পাম্প ঘণ্টার পর ঘণ্টা চালিয়ে বিপুল পরিমাণ পানি উত্তোলন করা হচ্ছে। গত কয়েক মাস থেকে এ সমস্যা প্রকট হয়েছে। অনেক পরিবারকে দূর-দূরান্ত থেকে সুপেয় পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও বাজার এলাকাতেও সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

এদিকে কৃষকরা তাদের বোরো আবাদের জন্য প্রতিনিয়ত সাব মারসিবল পাম্পের মাধ্যমে পানি উত্তোলন করছে। এছাড়াও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা গভীর নলকূপে শক্তিশালী সাব মারসিবল পাম্প স্থাপন করে অতিরিক্ত হারে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করছেন। ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে। এর প্রভাবে আশপাশের গভীর টিউবওয়েলগুলোতে পানি উঠছে না। বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কারণ তাদের পক্ষে মোটরচালিত পাম্প ব্যবহার করা সম্ভব নয়।

চর মাদ্রাজ এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আগে আমাদের বাড়ির টিউবওয়েলে সারাবছর পানি থাকত। এখন এক ফোঁটাও উঠছে না। পাশের বাড়িতে গভীর নলকূপে সাব মারসিবল পাম্প বসানোর পর থেকেই এই সমস্যা শুরু।’

একই অভিযোগ করেছেন জিন্নাগড় এলাকায় বাসবাসকারী গৃহিণী নাসিমা বেগম। তিনি বলেন, ‘বিলের মধ্যে অবৈধভাবে সাব মারসিবল পাম্প স্থাপন করে পানি উত্তোলনের ফলে আমাদের নলকূপে পানি ওঠা বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিদিন ভোরে দূরের একটি নলকূপ থেকে পানি আনতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত কষ্টকর। এমনকি অনেক সময় পুকুরের পানি পান করতে হচ্ছে এবং রান্নার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।’

সাব মারসিবল পাম্প স্থাপনকারী জিন্নাগড় ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফারুক কেরানী বলেন, ‘খাল শুকিয়ে যাওয়ায় আমরা বিকল্প পদ্ধতিতে ভূগর্ভ থেকে পানি উত্তলন করতে বাধ্য হয়েছি। বোরোর আবাদ বাঁচাতে সাব মারসিবল পাম্প ব্যবহার করছি।’
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ের তথ্যমতে, একই এলাকায় একাধিক গভীর নলকূপ ও শক্তিশালী সাব মারসিবল পাম্প ব্যবহারের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় দেড় হাজার অগভীর টিউবওয়েল অচল হয়ে পড়েছে। চরফ্যাশন পৌরসভাসহ ২১টি ইউনিয়নে ১০ হাজার ৭৩টি হস্তচালিত নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ হাজার ৮৫১টি সচল ও ২২২টি অকেজো রয়েছে। অদ্য পর্যন্ত ২৮টি মেরামত করা হয়েছে। তবে হস্তচালিত নলকূপের সংখ্যা উপজেলা জনস্বাস্থ্য কার্যালয়ের তথ্য মতে ১০ হাজার ৭৩টি হলেও সরেজমিনে এর পরিমাণ প্রায় চারগুণ।

এ উপজেলার ৬০ শতাংশ বাসিন্দা নিজস্ব অর্থায়নে গভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ বাসিন্দার নলকূপ অকেজো রয়েছে।
জিন্নাগড় ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি জামাল মোল্লা বলেন, ‘অপরিকল্পিতভাবে সাব মারসিবল পাম্প স্থাপনের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেই। অনেক ক্ষেত্রেই কোনো অনুমতি বা পরিবেশগত যাচাই ছাড়াই সাব মারসিবল পাম্প বসানো হচ্ছে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে পানির সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শোভন বসাক বলেন, ‘নিরাপদ পানির অভাবে মানুষ পুকুর, খাল বা দূষিত উৎসের পানি ব্যবহার করতে বাধ্য হলে ডায়রিয়া, আমাশয় ও চর্মরোগসহ নানা পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়বে।’

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. কামাল উদ্দিন বলেন, ‘জানুয়ারীর পর যখন সেচকাজের জন্যে পানি উত্তোলন শুরু হয় তখন পানির স্তর দ্রুত হারে নামতে থাকে। অবৈধভাবে স্থাপন করা সাব মারসিবল পাম্পগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করলে সুপেয় পানির সাম্প্রতিক সংকট থেকে সাধারণ মানুষ রেহায় পেত।’

উপসহকারী প্রকৌশলী (বিএডিসি) আরিফ হোসেন বলেন, ‘সুপেয় পানির সংকটের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। অবৈধভাবে স্থাপিত সাব মারসিবল পাম্পগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জন্য উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েছিলাম।’ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এমাদুল হোসেন বলেন, ‘অবৈধ সাব মারসিবল পাম্প মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

জনপ্রিয়

চরফ্যাশনে বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

চরফ্যাসনে অবৈধ সেচ পাম্পিংয়ের প্রভাবে অকার্যকর দেড় হাজার নলকূপ

আপডেটের সময় ১২:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

শহিদুল ইসলাম জামাল, চরফ্যাসন : ভোলার চরফ্যাসন উপজেলায় অবৈধ সেচ পাম্পিংয়ের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অস্বাভাবিকহারে নিচে নেমে গেছে। এতে ওই উপজেলার পাঁচটি এলাকার প্রায় ১ লক্ষ ৮১ হাজার ৯৪ জন মানুষ সুপেয় পানির অভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এসব এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, চাষাবাদের জন্য সাবমারসিবল সেচ পাম্প দিয়ে অবৈধভাবে মাত্রাতিরিক্ত পানি উত্তোলনের ফলে হস্তচালিত প্রায় দেড় হাজার নলকূপ অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

উপজেলা বিএডিসি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জিন্নাগড়, মাদ্রাজ, হাজারীগঞ্জ, জাহানপুর ইউনিয়নসহ পৌরসভায় বেসরকারীভাবে ১০০ সাব মারসিবল সেচ পাম্প রয়েছে। এসব পাম্প থেকে কৃষি কাজে ব্যবহারের জন্য প্রতিদিন আট ঘন্টায় গড়ে ৮ লাখ ৬ হাজার ৪০০ লিটার পানি উত্তোলন করা হয়।

সুপেয় পানির সংকটে পড়া এলাকাগুলো ঘুরে দেখা যায়, আগে যেখানে হস্তচালিত টিউবওয়েল থেকে সহজেই সুপেয় পানি পাওয়া যেত, এখন সেখানে কয়েক মিনিট চাপ দিলেও পানি উঠছে না। কৃষিকাজ, মাছের ঘের এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য অনেকেই উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সাব মারসিবল পাম্প ব্যবহার করছেন। এসব পাম্প ঘণ্টার পর ঘণ্টা চালিয়ে বিপুল পরিমাণ পানি উত্তোলন করা হচ্ছে। গত কয়েক মাস থেকে এ সমস্যা প্রকট হয়েছে। অনেক পরিবারকে দূর-দূরান্ত থেকে সুপেয় পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও বাজার এলাকাতেও সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

এদিকে কৃষকরা তাদের বোরো আবাদের জন্য প্রতিনিয়ত সাব মারসিবল পাম্পের মাধ্যমে পানি উত্তোলন করছে। এছাড়াও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা গভীর নলকূপে শক্তিশালী সাব মারসিবল পাম্প স্থাপন করে অতিরিক্ত হারে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করছেন। ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে। এর প্রভাবে আশপাশের গভীর টিউবওয়েলগুলোতে পানি উঠছে না। বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কারণ তাদের পক্ষে মোটরচালিত পাম্প ব্যবহার করা সম্ভব নয়।

চর মাদ্রাজ এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আগে আমাদের বাড়ির টিউবওয়েলে সারাবছর পানি থাকত। এখন এক ফোঁটাও উঠছে না। পাশের বাড়িতে গভীর নলকূপে সাব মারসিবল পাম্প বসানোর পর থেকেই এই সমস্যা শুরু।’

একই অভিযোগ করেছেন জিন্নাগড় এলাকায় বাসবাসকারী গৃহিণী নাসিমা বেগম। তিনি বলেন, ‘বিলের মধ্যে অবৈধভাবে সাব মারসিবল পাম্প স্থাপন করে পানি উত্তোলনের ফলে আমাদের নলকূপে পানি ওঠা বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিদিন ভোরে দূরের একটি নলকূপ থেকে পানি আনতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত কষ্টকর। এমনকি অনেক সময় পুকুরের পানি পান করতে হচ্ছে এবং রান্নার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।’

সাব মারসিবল পাম্প স্থাপনকারী জিন্নাগড় ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফারুক কেরানী বলেন, ‘খাল শুকিয়ে যাওয়ায় আমরা বিকল্প পদ্ধতিতে ভূগর্ভ থেকে পানি উত্তলন করতে বাধ্য হয়েছি। বোরোর আবাদ বাঁচাতে সাব মারসিবল পাম্প ব্যবহার করছি।’
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ের তথ্যমতে, একই এলাকায় একাধিক গভীর নলকূপ ও শক্তিশালী সাব মারসিবল পাম্প ব্যবহারের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় দেড় হাজার অগভীর টিউবওয়েল অচল হয়ে পড়েছে। চরফ্যাশন পৌরসভাসহ ২১টি ইউনিয়নে ১০ হাজার ৭৩টি হস্তচালিত নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ হাজার ৮৫১টি সচল ও ২২২টি অকেজো রয়েছে। অদ্য পর্যন্ত ২৮টি মেরামত করা হয়েছে। তবে হস্তচালিত নলকূপের সংখ্যা উপজেলা জনস্বাস্থ্য কার্যালয়ের তথ্য মতে ১০ হাজার ৭৩টি হলেও সরেজমিনে এর পরিমাণ প্রায় চারগুণ।

এ উপজেলার ৬০ শতাংশ বাসিন্দা নিজস্ব অর্থায়নে গভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ বাসিন্দার নলকূপ অকেজো রয়েছে।
জিন্নাগড় ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি জামাল মোল্লা বলেন, ‘অপরিকল্পিতভাবে সাব মারসিবল পাম্প স্থাপনের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেই। অনেক ক্ষেত্রেই কোনো অনুমতি বা পরিবেশগত যাচাই ছাড়াই সাব মারসিবল পাম্প বসানো হচ্ছে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে পানির সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শোভন বসাক বলেন, ‘নিরাপদ পানির অভাবে মানুষ পুকুর, খাল বা দূষিত উৎসের পানি ব্যবহার করতে বাধ্য হলে ডায়রিয়া, আমাশয় ও চর্মরোগসহ নানা পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়বে।’

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. কামাল উদ্দিন বলেন, ‘জানুয়ারীর পর যখন সেচকাজের জন্যে পানি উত্তোলন শুরু হয় তখন পানির স্তর দ্রুত হারে নামতে থাকে। অবৈধভাবে স্থাপন করা সাব মারসিবল পাম্পগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করলে সুপেয় পানির সাম্প্রতিক সংকট থেকে সাধারণ মানুষ রেহায় পেত।’

উপসহকারী প্রকৌশলী (বিএডিসি) আরিফ হোসেন বলেন, ‘সুপেয় পানির সংকটের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। অবৈধভাবে স্থাপিত সাব মারসিবল পাম্পগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জন্য উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েছিলাম।’ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এমাদুল হোসেন বলেন, ‘অবৈধ সাব মারসিবল পাম্প মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস