ভিয়েনা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
তারেক রহমানের সঙ্গে ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ তারেক রহমানের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচারণা চালানো হবে ভোলা-৪ আসনের ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন প্রবাসীদের রেমিট্যান্সে বাসাইল-সখীপুরের অভুতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে : সালাউদ্দিন আলমগীর অস্ট্রিয়ায় আল্পসে এ পর্যন্ত তুষারধসে ৮ সৌখিন স্কিয়ারের মৃত্যু ৫০ বছর পর চাঁদে মানুষ পাঠাতে প্রস্তুত নাসা ইরানে বিক্ষোভের ‘উসকানিদাতাদের’ কঠোরভাবে দমন করার নির্দেশ খামেনির গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের ‘শুল্ক হুমকি’র নিন্দা মাখোঁর ইন্দোনেশিয়ায় নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার

ভোলা-৪ আসনের ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০২:১৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৮৬ সময় দেখুন

শহিদুল ইসলাম জামাল, চরফ্যাশন : এক বক্স নীতি ভেস্তে যাওয়ার পেছনের বাস্তবতা, পরিকল্পিত প্রোপাগান্ডার প্রতিবাদ এবং ভোলা-৪ (চরফ্যাস- মনপুরা) আসনে নির্বাচনের ঘোষণায় সংবাদ সম্মেলন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা ৪ আসনের প্রার্থী প্রফেসর এ এম এম কামাল উদ্দিন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা ৪ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির উদ্যোগ প্রার্থীর উপজেলার শরীফ পাড়াস্থ দলীয় কার্যালয়ে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় এসংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা -৪ আসনের প্রার্থী প্রফেসর এ এম এম কামাল উদ্দিন বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশ একটি পরিবর্তন চায়। পুরনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ফেলে দিয়ে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চায়। এ লক্ষ্য সামনে রেখে ইসলাম, দেশ ও মানবতার কল্যাণে ইসলামপন্থীদের শক্তি একীভূত করার লক্ষ্যে এক বক্স পলিসি বাস্তবায়নে সমমনা ও দেশের পক্ষের শক্তিকে নিয়ে মাঠে নামেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে,বর্তমান রাজনৈতিক সংকটে ইসলামী শক্তির ঐক্যই ছিল জাতির একমাত্র আশার জায়গা। সেই উপলব্ধি থেকেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর সাহেব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সবাইকে নিয়ে পথচলা শুরু করেন।

যাতে বিভক্ত ইসলামি ভোট একত্রিত হয়, ইসলামপন্থীরা শক্ত অবস্থান নিতে পারে, ইসলামী রাজনীতির মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকে এবং সবার সমন্বয়ে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়ে ওঠে।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আজ সেই এক বক্স নীতি বাস্তবায়নের বদলে ভেস্তে যাওয়ার পথে।

এক বক্স নীতি বাধাগ্রস্তের কারণ উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এর প্রধান কারণ হলো এক বক্স পলিসিতে সবশেষে যুক্ত হওয়া একসময় ইসলামী রাজনীতিতে বিশ্বাসী বর্তমানে লিবারেল ডেমোক্রেটিতে বিশ্বাসী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জামায়াতের অতি রাজনৈতিক উচ্চাভিলাস ও একচ্ছত্র আধিপত্যের মনোভাবই আজকের পরিস্থিতির সৃষ্টি।

দলটি যুগপৎ আন্দোলন সহ বিভিন্ন কাজ একসাথে ও আগ্রহের সাথে করলেও আসন সমঝোতার আলাপ আসলেই ভিন্ন চেহারা প্রদর্শন করতে শুরু করে। সমঝোতার নামে একতরফা শর্ত চাপানো, আসন বণ্টনে নিজেদের দলীয় প্রাপ্তিকেই অধিক প্রাধান্য দেয়া,ইসলামী আন্দোলনসহ অন্যান্য দলগুলোকে সমমর্যাদার শরিক না ভেবে অধস্তন হিসেবে দেখার চেষ্টা করা যা ঐক্যের পরিপন্থী।

তিনি বলেন ,গত কয়েক দিনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত প্রোপাগান্ডা ক্যাম্পেইন চালানো হচ্ছে যে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১৫০, ২০০ আসন চায়। অথচ এমন কিছুই ঘটেনি। তবে দেশব্যাপী জরিপ চালিয়ে সম্ভাব্য ১৪৩ টি আসনকে এগ্রেডের উল্লেখ করে আলোচনার টেবিলে রাখা হয়। উদ্দেশ্য ছিল এখানে আলোচনা পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেয়া। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করলাম এমন গোপনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি মিডিয়ায় চলে এসেছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এটাকে ওই টেবিলে থাকা লোকদের চক্রান্ত হিসেবেই দেখছে। পরবর্তী ঘটনা প্রবাহ এর স্বপক্ষে শক্তিশালী দলিল হিসেবে কাজ করছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে প্রশ্নবিদ্ধ ও খাটো করে দেখানোর মানসে বারবার “কৃত্রিম জরিপ” ছড়ানো হয়। যেখানে ইসলামী আন্দোলনকে ইচ্ছাকৃতভাবে নগণ্য দেখানো হয়েছে। অথচ জরিপের কোনো পদ্ধতি, নমুনা বা গ্রহণযোগ্যতা প্রকাশ করা হয়নি।

শরিকদের বিরুদ্ধে জামায়াতের নেতৃবৃন্দ কর্মী সমর্থকরা আরেকটি ন্যারেটিভ দাঁড় করিয়েছে যে “ জিততে পারে না” ন্যারেটিভ ছড়ানো– উদ্দেশ্য: কর্মী ও সমর্থকদের মনোবল ভেঙে দেওয়া। বাস্তবতা: ইসলামী আন্দোলন বিভিন্ন এলাকায় একাধিক নির্বাচনে লক্ষাধিক ভোট পেয়েছে।

এনসিপিকে অতিরঞ্জিতভাবে শক্তিশালী দেখানো, যাতে ইসলামী আন্দোলনের আসন দাবি প্রশ্নবিদ্ধ করা যায় যা বাস্তব ভোটের হিসাবের সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক

আসন সমঝোতার আলাপ আসার পরপরই শুরু হল ইসলামী আন্দোলনকে অপ্রাসঙ্গিক করার চেষ্টা। ঐক্যের বদলে বিভ্রান্তি তৈরির কৌশল অবলম্বন করা হল। এই সবকিছু মিলিয়ে এটি স্পষ্ট। এগুলো রাজনৈতিক মতপার্থক্য নয় বরং পরিকল্পিতভাবে ইসলামী আন্দোলনের রাজনীতিকে ‘নাই’ করে দেওয়ার অপচেষ্টা।

তিনি জামাতকে উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন রাখেন, যদি সবাই একসাথে জিতবে, তবে কেন শরিকদের দুর্বল প্রমাণের চেষ্টা? যদি সমঝোতা আন্তরিক হয়, তবে কেন ভেতরে ভেতরে ভিন্ন ন্যারেটিভ? ইসলামী আন্দোলন যদি জিততেই না পারে, তবে তাদের ভয় কেন?

ইসলামী আন্দোলনের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা ঐক্যের পক্ষে। আমরা নিয়মতান্ত্রিক ও সম্মানজনক সমঝোতার পক্ষে, আমরা ইসলামী রাজনীতিকে একক মালিকানায় পরিণত করার বিপক্ষে, ইসলামী আন্দোলন কারও করুণা বা দয়ার রাজনীতি করে না। আমাদের রাজনীতি ইসলাম,দেশ ও মানবতার কল্যাণে। আগেও ছিল আগামীতেও থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা-৪ আসনের প্রার্থী ছাড়াও ইসলামী আন্দোলনের ভোলা জেলা দক্ষিণের উপদেষ্টা হাজী আলাউদ্দীন তালুকদার,
ভোলা জেলা দক্ষিণের সভাপতি, মুফতী নূরউদ্দিন, সেক্রেটারি মাওলানা আব্বাস উদ্দীন, সহ-সভাপতি মাওলানা ইউসুফ, ভোলা জেলা দক্ষিণ ইসলামী যুব আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক, মাওলানা ফয়সাল আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

জনপ্রিয়

তারেক রহমানের সঙ্গে ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ভোলা-৪ আসনের ইসলামী আন্দোলন প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

আপডেটের সময় ০২:১৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

শহিদুল ইসলাম জামাল, চরফ্যাশন : এক বক্স নীতি ভেস্তে যাওয়ার পেছনের বাস্তবতা, পরিকল্পিত প্রোপাগান্ডার প্রতিবাদ এবং ভোলা-৪ (চরফ্যাস- মনপুরা) আসনে নির্বাচনের ঘোষণায় সংবাদ সম্মেলন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা ৪ আসনের প্রার্থী প্রফেসর এ এম এম কামাল উদ্দিন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা ৪ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির উদ্যোগ প্রার্থীর উপজেলার শরীফ পাড়াস্থ দলীয় কার্যালয়ে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় এসংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা -৪ আসনের প্রার্থী প্রফেসর এ এম এম কামাল উদ্দিন বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশ একটি পরিবর্তন চায়। পুরনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ফেলে দিয়ে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চায়। এ লক্ষ্য সামনে রেখে ইসলাম, দেশ ও মানবতার কল্যাণে ইসলামপন্থীদের শক্তি একীভূত করার লক্ষ্যে এক বক্স পলিসি বাস্তবায়নে সমমনা ও দেশের পক্ষের শক্তিকে নিয়ে মাঠে নামেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে,বর্তমান রাজনৈতিক সংকটে ইসলামী শক্তির ঐক্যই ছিল জাতির একমাত্র আশার জায়গা। সেই উপলব্ধি থেকেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর সাহেব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সবাইকে নিয়ে পথচলা শুরু করেন।

যাতে বিভক্ত ইসলামি ভোট একত্রিত হয়, ইসলামপন্থীরা শক্ত অবস্থান নিতে পারে, ইসলামী রাজনীতির মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকে এবং সবার সমন্বয়ে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়ে ওঠে।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আজ সেই এক বক্স নীতি বাস্তবায়নের বদলে ভেস্তে যাওয়ার পথে।

এক বক্স নীতি বাধাগ্রস্তের কারণ উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এর প্রধান কারণ হলো এক বক্স পলিসিতে সবশেষে যুক্ত হওয়া একসময় ইসলামী রাজনীতিতে বিশ্বাসী বর্তমানে লিবারেল ডেমোক্রেটিতে বিশ্বাসী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জামায়াতের অতি রাজনৈতিক উচ্চাভিলাস ও একচ্ছত্র আধিপত্যের মনোভাবই আজকের পরিস্থিতির সৃষ্টি।

দলটি যুগপৎ আন্দোলন সহ বিভিন্ন কাজ একসাথে ও আগ্রহের সাথে করলেও আসন সমঝোতার আলাপ আসলেই ভিন্ন চেহারা প্রদর্শন করতে শুরু করে। সমঝোতার নামে একতরফা শর্ত চাপানো, আসন বণ্টনে নিজেদের দলীয় প্রাপ্তিকেই অধিক প্রাধান্য দেয়া,ইসলামী আন্দোলনসহ অন্যান্য দলগুলোকে সমমর্যাদার শরিক না ভেবে অধস্তন হিসেবে দেখার চেষ্টা করা যা ঐক্যের পরিপন্থী।

তিনি বলেন ,গত কয়েক দিনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত প্রোপাগান্ডা ক্যাম্পেইন চালানো হচ্ছে যে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১৫০, ২০০ আসন চায়। অথচ এমন কিছুই ঘটেনি। তবে দেশব্যাপী জরিপ চালিয়ে সম্ভাব্য ১৪৩ টি আসনকে এগ্রেডের উল্লেখ করে আলোচনার টেবিলে রাখা হয়। উদ্দেশ্য ছিল এখানে আলোচনা পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেয়া। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করলাম এমন গোপনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি মিডিয়ায় চলে এসেছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এটাকে ওই টেবিলে থাকা লোকদের চক্রান্ত হিসেবেই দেখছে। পরবর্তী ঘটনা প্রবাহ এর স্বপক্ষে শক্তিশালী দলিল হিসেবে কাজ করছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে প্রশ্নবিদ্ধ ও খাটো করে দেখানোর মানসে বারবার “কৃত্রিম জরিপ” ছড়ানো হয়। যেখানে ইসলামী আন্দোলনকে ইচ্ছাকৃতভাবে নগণ্য দেখানো হয়েছে। অথচ জরিপের কোনো পদ্ধতি, নমুনা বা গ্রহণযোগ্যতা প্রকাশ করা হয়নি।

শরিকদের বিরুদ্ধে জামায়াতের নেতৃবৃন্দ কর্মী সমর্থকরা আরেকটি ন্যারেটিভ দাঁড় করিয়েছে যে “ জিততে পারে না” ন্যারেটিভ ছড়ানো– উদ্দেশ্য: কর্মী ও সমর্থকদের মনোবল ভেঙে দেওয়া। বাস্তবতা: ইসলামী আন্দোলন বিভিন্ন এলাকায় একাধিক নির্বাচনে লক্ষাধিক ভোট পেয়েছে।

এনসিপিকে অতিরঞ্জিতভাবে শক্তিশালী দেখানো, যাতে ইসলামী আন্দোলনের আসন দাবি প্রশ্নবিদ্ধ করা যায় যা বাস্তব ভোটের হিসাবের সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক

আসন সমঝোতার আলাপ আসার পরপরই শুরু হল ইসলামী আন্দোলনকে অপ্রাসঙ্গিক করার চেষ্টা। ঐক্যের বদলে বিভ্রান্তি তৈরির কৌশল অবলম্বন করা হল। এই সবকিছু মিলিয়ে এটি স্পষ্ট। এগুলো রাজনৈতিক মতপার্থক্য নয় বরং পরিকল্পিতভাবে ইসলামী আন্দোলনের রাজনীতিকে ‘নাই’ করে দেওয়ার অপচেষ্টা।

তিনি জামাতকে উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন রাখেন, যদি সবাই একসাথে জিতবে, তবে কেন শরিকদের দুর্বল প্রমাণের চেষ্টা? যদি সমঝোতা আন্তরিক হয়, তবে কেন ভেতরে ভেতরে ভিন্ন ন্যারেটিভ? ইসলামী আন্দোলন যদি জিততেই না পারে, তবে তাদের ভয় কেন?

ইসলামী আন্দোলনের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা ঐক্যের পক্ষে। আমরা নিয়মতান্ত্রিক ও সম্মানজনক সমঝোতার পক্ষে, আমরা ইসলামী রাজনীতিকে একক মালিকানায় পরিণত করার বিপক্ষে, ইসলামী আন্দোলন কারও করুণা বা দয়ার রাজনীতি করে না। আমাদের রাজনীতি ইসলাম,দেশ ও মানবতার কল্যাণে। আগেও ছিল আগামীতেও থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা-৪ আসনের প্রার্থী ছাড়াও ইসলামী আন্দোলনের ভোলা জেলা দক্ষিণের উপদেষ্টা হাজী আলাউদ্দীন তালুকদার,
ভোলা জেলা দক্ষিণের সভাপতি, মুফতী নূরউদ্দিন, সেক্রেটারি মাওলানা আব্বাস উদ্দীন, সহ-সভাপতি মাওলানা ইউসুফ, ভোলা জেলা দক্ষিণ ইসলামী যুব আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক, মাওলানা ফয়সাল আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস