ভিয়েনা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কাল তারেক রহমানকে টেলিফোনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ট্রাম্পের অভিনন্দন এআই’কে গুটিকয়েক ধনকুবেরের মর্জির ওপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না : জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার চলমান থাকবে: চিফ প্রসিকিউটর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ বাংলাদেশে সুষ্ঠুভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরে ইইউর ধন্যবাদ জ্ঞাপন

৩৩ বছর ধরে বন্ধ লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরি

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০২:৫৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৩৫ সময় দেখুন

জাহিদ দুলাল, ভোলা দক্ষিণ : ভোলার লালমোহনে ১৯৯০ সালের ১০ জানুয়ারি তৎকালীন ভোলা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহেম্মেদ লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরিটি উদ্বোধন করেন। তখন মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহেম্মেদ এর একান্ত প্রচেষ্টায় ভোলা জেলা পরিষদ হতে লালমোহনে একটি দ্বিতল ভবনের পাবলিক লাইব্রেরি কাম অডিটরিয়াম নির্মাণ করা হয়।
উদ্বোধনের পর একজন লাইব্রেরিয়ান ও নিয়োগ দেয়া হয়। শুরু হওয়ার পর কয়েক মাস লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরির কার্যক্রম ভালোভাবেই চালু ছিল। এলাকার লোকজন নিয়মিত সেখানে বই ও পেপার পড়ত। ছিল জমজমাট। কিন্তু ১৯৯৩ সালে লালমোহন মহিলা কলেজের কার্যক্রম পাবলিক লাইব্রেরি কাম অডিটরিয়ামে চালু করা হয়। তারপর থেকেই লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরির কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে জেলা পরিষদ হতে লাইব্রেরীয়ান বিনা কাজে নিয়মিত বেতন ভোগ করে বর্তমানে অবসর জীবন যাবন করছেন।
২০১৮ সালে নিজস্ব ভবন তৈরি হওয়ার পর লালমোহন করিমুন্নেছা-হাফিজ মহিলা কলেজ লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরি ভবন ছেড়ে তাদের নিজস্ব ভবনে চলে যায়। সেই থেকে লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরিটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় নোংরা আবর্জনা জমে পাবলিক লাইব্রেরি ভবন, আসে পাসের এলাকা এবং ভবনের পাশের একটি টিনশেড ধ্বংস স্তূপে পরিণত হয়েছে। এখন সেখানে গভীর রাতে চলে বিভিন্ন নেশাখোরদের আড্ডা।
এ ব্যাপারে বহুবার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রচার করা হলেও কর্তৃপক্ষের কোনো টনক নড়েনি। এই বছর সেপ্টেম্বর মাসে একটি সাহায্যকারী ক্লাব অযত্ন অবহেলায় পড়ে থাকা লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরি কাম অডিটরিয়াম এর কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যে ভিতরের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করার কাজ শুরু করে। তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানা অফিসার ইনচার্জের সহায়তা কামনায় করে দেন দরবার করে। কিন্তু এখনো চালু হয়নি পাবলিক লাইব্রেরিটি।
লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরিটি চালুর ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ বলেন, পাবলিক লাইব্রেরিটি চালু করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে জেলা পরিষদ থেকে ১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। শীঘ্রই এই টাকা দিয়ে বই কেনা হবে। এছাড়া লাইব্রেরি কক্ষটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা সহ বসার জন্য টেবিল ও চেয়ার ক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। লাইব্রেরির বাইরে এলাকার চাহিদা অনুযায়ী বই কেনার বিষয়ে কেউ পরামর্শ দিলে তা সাদরে গ্রহণ করা হবে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

জনপ্রিয়

গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

৩৩ বছর ধরে বন্ধ লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরি

আপডেটের সময় ০২:৫৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাহিদ দুলাল, ভোলা দক্ষিণ : ভোলার লালমোহনে ১৯৯০ সালের ১০ জানুয়ারি তৎকালীন ভোলা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহেম্মেদ লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরিটি উদ্বোধন করেন। তখন মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহেম্মেদ এর একান্ত প্রচেষ্টায় ভোলা জেলা পরিষদ হতে লালমোহনে একটি দ্বিতল ভবনের পাবলিক লাইব্রেরি কাম অডিটরিয়াম নির্মাণ করা হয়।
উদ্বোধনের পর একজন লাইব্রেরিয়ান ও নিয়োগ দেয়া হয়। শুরু হওয়ার পর কয়েক মাস লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরির কার্যক্রম ভালোভাবেই চালু ছিল। এলাকার লোকজন নিয়মিত সেখানে বই ও পেপার পড়ত। ছিল জমজমাট। কিন্তু ১৯৯৩ সালে লালমোহন মহিলা কলেজের কার্যক্রম পাবলিক লাইব্রেরি কাম অডিটরিয়ামে চালু করা হয়। তারপর থেকেই লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরির কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে জেলা পরিষদ হতে লাইব্রেরীয়ান বিনা কাজে নিয়মিত বেতন ভোগ করে বর্তমানে অবসর জীবন যাবন করছেন।
২০১৮ সালে নিজস্ব ভবন তৈরি হওয়ার পর লালমোহন করিমুন্নেছা-হাফিজ মহিলা কলেজ লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরি ভবন ছেড়ে তাদের নিজস্ব ভবনে চলে যায়। সেই থেকে লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরিটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় নোংরা আবর্জনা জমে পাবলিক লাইব্রেরি ভবন, আসে পাসের এলাকা এবং ভবনের পাশের একটি টিনশেড ধ্বংস স্তূপে পরিণত হয়েছে। এখন সেখানে গভীর রাতে চলে বিভিন্ন নেশাখোরদের আড্ডা।
এ ব্যাপারে বহুবার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রচার করা হলেও কর্তৃপক্ষের কোনো টনক নড়েনি। এই বছর সেপ্টেম্বর মাসে একটি সাহায্যকারী ক্লাব অযত্ন অবহেলায় পড়ে থাকা লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরি কাম অডিটরিয়াম এর কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যে ভিতরের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করার কাজ শুরু করে। তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানা অফিসার ইনচার্জের সহায়তা কামনায় করে দেন দরবার করে। কিন্তু এখনো চালু হয়নি পাবলিক লাইব্রেরিটি।
লালমোহন পাবলিক লাইব্রেরিটি চালুর ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ বলেন, পাবলিক লাইব্রেরিটি চালু করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে জেলা পরিষদ থেকে ১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। শীঘ্রই এই টাকা দিয়ে বই কেনা হবে। এছাড়া লাইব্রেরি কক্ষটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা সহ বসার জন্য টেবিল ও চেয়ার ক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। লাইব্রেরির বাইরে এলাকার চাহিদা অনুযায়ী বই কেনার বিষয়ে কেউ পরামর্শ দিলে তা সাদরে গ্রহণ করা হবে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস