ভিয়েনা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কাল তারেক রহমানকে টেলিফোনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ট্রাম্পের অভিনন্দন এআই’কে গুটিকয়েক ধনকুবেরের মর্জির ওপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না : জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার চলমান থাকবে: চিফ প্রসিকিউটর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ বাংলাদেশে সুষ্ঠুভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরে ইইউর ধন্যবাদ জ্ঞাপন

বিক্ষোভের দায় স্বার্থান্বেষী মহলের: নেপালের প্রধানমন্ত্রী

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৯:৫০:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১০৭ সময় দেখুন

নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি দেশের বিক্ষোভের জন্য বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহলকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে কিছু ব্যক্তি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালাচ্ছেন। সোমবার টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা বলেন এবং জানান, সরকার দাবিগুলো মেনে নিলে বিক্ষোভ থেমে যেত।
তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের সংগঠকরা একাধিকবার জনগণকে ঘরে ফেরার আহ্বান দিলেও সহিংসতা কমছে না।’
সোমবার রাজধানী কাঠমান্ডুর বাণেশ্বরসহ বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ২০ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে পদত্যাগ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক। প্রধানমন্ত্রী অলিরও পদত্যাগের দাবি উঠেছে।
গত বছর নেপালের সুপ্রিম কোর্ট সক্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর সরকারিভাবে নিবন্ধনের নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশের ভিত্তিতে সরকার ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য ২৮ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা ঠিক করেছিল। কিন্তু সময়মীমা পার হওয়া সত্ত্বেও নিবন্ধন না হওয়ায় ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউবসহ ২৬টি অ্যাপে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
নিষেধাজ্ঞা তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। জেন জি নামে পরিচিত এই প্রজন্মের তরুণরা গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকেই আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। রোববার থেকে আন্দোলন শুরু হয়ে সোমবার তা উত্তাল রূপ নেয়।
সোমবার রাতে জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী অলি বিক্ষোভকারীদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি টেলিভিশনে বলেন, ‘সরকার কখনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিরুদ্ধে ছিল না, এখনও নেই। আমরা শুধু নেপালের আইন ও সার্বভৌমত্ব মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছিলাম। সংঘর্ষে নিহত ও আহতদের জন্য আমার হৃদয় ভারাক্রান্ত। তাদের পরিবারদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।’

ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

Tag :
জনপ্রিয়

গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

বিক্ষোভের দায় স্বার্থান্বেষী মহলের: নেপালের প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময় ০৯:৫০:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি দেশের বিক্ষোভের জন্য বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহলকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে কিছু ব্যক্তি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালাচ্ছেন। সোমবার টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা বলেন এবং জানান, সরকার দাবিগুলো মেনে নিলে বিক্ষোভ থেমে যেত।
তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের সংগঠকরা একাধিকবার জনগণকে ঘরে ফেরার আহ্বান দিলেও সহিংসতা কমছে না।’
সোমবার রাজধানী কাঠমান্ডুর বাণেশ্বরসহ বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ২০ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে পদত্যাগ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক। প্রধানমন্ত্রী অলিরও পদত্যাগের দাবি উঠেছে।
গত বছর নেপালের সুপ্রিম কোর্ট সক্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর সরকারিভাবে নিবন্ধনের নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশের ভিত্তিতে সরকার ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য ২৮ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা ঠিক করেছিল। কিন্তু সময়মীমা পার হওয়া সত্ত্বেও নিবন্ধন না হওয়ায় ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউবসহ ২৬টি অ্যাপে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
নিষেধাজ্ঞা তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। জেন জি নামে পরিচিত এই প্রজন্মের তরুণরা গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকেই আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। রোববার থেকে আন্দোলন শুরু হয়ে সোমবার তা উত্তাল রূপ নেয়।
সোমবার রাতে জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী অলি বিক্ষোভকারীদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি টেলিভিশনে বলেন, ‘সরকার কখনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিরুদ্ধে ছিল না, এখনও নেই। আমরা শুধু নেপালের আইন ও সার্বভৌমত্ব মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছিলাম। সংঘর্ষে নিহত ও আহতদের জন্য আমার হৃদয় ভারাক্রান্ত। তাদের পরিবারদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।’

ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস