ভিয়েনা ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টাঙ্গাইলে ছয় মাদক বিক্রতা ও তিনজন মাদকসেবী গ্রেফতার টিআর কাবিখার তথ্য নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার লুকোচুরি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি : যা জানা গেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিমান বাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ : সংসদে প্রধানমন্ত্রী হত্যা চেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী কারাগারে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারি দলের সংসদীয় সভা অনুষ্ঠিত হবিগঞ্জে জমিজমা বিরোধ নিষ্পত্তি চলাকালে দুপক্ষের সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত একের পর এক অনিয়ম করেও বহাল তবিয়তে প্রধান শিক্ষক

ইতালির আটকাদেশ থেকে মুক্ত হল অভিবাসী উদ্ধারের জাহাজ অরোরা

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৭:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৪৮ সময় দেখুন

আদেশ অমান্য করার অভিযোগে আটক হওয়া ভূমধ্যসাগরে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উদ্ধারকারী জাহাজ অরোরা-কে মুক্তি দিয়েছে ইতালি

ইউরোপ ডেস্কঃ মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) জার্মানির বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা সি-ওয়াচ জানিয়েছে,ইতালির ভূমধ্যসাগরের দ্বীপ লাম্পেদুসা বন্দর ছেড়ে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছে অরোরা৷ ফলে, সংকটাপন্ন মানুষদের প্রাণ বাঁচাতে আবারো ভূমধ্যসাগরে ভাসবে অরোরা ৷ উল্লেখ্য যে,গত ১৪ জুলাই থেকে এই জাহাজটি ইতা‌লির লাম্পেদুসায় আটক ছিল ৷

সি-ওয়াচ তাদের ‘এক্স’ প্ল্যাটফর্মে লিখেছে, ইতা‌লির সিসিলির অ্যাগ্রিজেন্তোর একটি আদালত সোমবার এই প্রশাসনিক আটকাদেশটি বাতিল করেছে ৷
এতে আরা বলা হয়েছে, আদালত তার দেয়া রায়ে জানিয়েছে, উদ্ধার-জাহাজ অরোরা-র নাবিক আন্তর্জাতিক আইন মেনেই কাজ করেছেন ৷

কেন এই আটকাদেশ? মধ্য ভূমধ্যসাগরে বিপদগ্রস্ত ৭০ জন অভিবাসীকে উদ্ধারের পর ইতা‌লির সবচেয়ে ছোটো দ্বীপ লাম্পেদুসার বন্দরে নোঙ্গর করে অরোরা৷ কিন্তু জাহাজটিকে সিসিলির পোৎসালো বন্দরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইতালি কর্তৃপক্ষ ৷ সেই আদেশ অমান্য করার অভিযোগেই অরোরাকে আটক করা হয়েছিল ৷

যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে সি-ওয়াচ৷ সংস্থাটি বলেছে, প্রতিকূল আবহাওয়ায় দীর্ঘ পথ পেরিয়ে পোৎসালো বন্দরে অভিবাসীদের নিয়ে যাওয়া অসম্ভব ছিল ৷ তাই অরোরা-এর নাবিকেরা বিষয়টি ইতালীয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে লাম্পেদুসায় নোঙ্গরের অনুমতি নিয়েছিল ৷

অভিবাসীদের জীবন বাঁচাতে কাজ করা অরোরা-এর প্রতি এই আটকাদেশকে ইতা‌লির ডানপন্থি সরকারের একটি রাজনৈতিক প্রচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছে সি-ওয়াচ ৷

অনিয়মিত অভিবাসন ইস্যুতে কঠোর ইতালি: অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে অভিবাসনপ্রত্যাশী, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকা থেকে নৌকায় আসা আশ্রয়প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির অতি-ডানপন্থি প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি৷ লিবিয়ার সঙ্গে চুক্তি ও আর্থিক সহযোগিতা, ভূমধ্যসাগরে টহল বাড়ানোসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি ৷

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উদ্ধারে কাজ করা বেসরকারি সংস্থাগুলোর উদ্ধারকারী দল বরাবরই ইতালি সরকারে বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করে আসছেন৷ তারা বলছেন, মেলোনির সরকার তাদের কাজকে পদ্ধতিগতভাবে বাধা দেয়ার চেষ্টা করছে ৷

ভূমধ্যসাগরে একটি উদ্ধার অভিযান শেষে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ইতালির কোথায় পৌঁছে দেয়া হবে তার অনুমতি নিতে হয় উদ্ধারকারী জাহাজগুলোকে৷ এক্ষেত্রে সবসময় দূরের বন্দর বরাদ্দ দিয়ে থাকে ইতালি ৷ এতে দুর্বল ও অসুস্থ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জীবনের ঝুঁকি তৈরি হয় বলে মনে করে বেসরকারি সংস্থাগুলো৷ এছাড়াও দীর্ঘ সমুদ্রপথ পাড়ি দিতে গিয়ে উদ্ধারকারী জাহাজগুলোকে অতিরিক্ত জ্বালানি ও খাবারের জন্য গুণতে হয় বাড়তি অর্থ ৷

এদিকে ভূমধ্যসাগরে দুর্দশাগ্রস্ত নৌকাগুলো থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উদ্ধারকারী এনজিওগুলোকে আর আর্থিক সহায়তা না দেয়ার কথাও জানিয়েছে রক্ষণশীলদের নেতৃত্বাধীন জার্মানির জোট সরকার৷ আরো অনেক উৎস্য থেকেও তাদের অনুদান কমে আসছে ৷

লিবিয়া ও তিউনিশিয়ার উপকূল থেকে ইতালি বা মাল্টামুখী সমুদ্রপথটি সেন্ট্রাল ভূমধ্যসাগরীয় অভিবাসন রুট নামে পরিচিত৷ এই পথটিকে সবচেয়ে বিপজ্জনক বলে মনে করা হয়৷ কারণ এই রুটে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে ৷

জাতিসংঘ ও জার্মানির কয়েকটি এনজিওর পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৫ সাল থেকে ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত ভূমধ্যসাগরে ঝুঁকিতে থাকা এক লাখ ৭৫ হাজারের বেশি অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা৷ তবে, এই সময়ে প্রাণ হারিয়েছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন অন্তত ২০ হাজার ৮০০ জন, যাদের মধ্যে রয়েছে সাড়ে তিন হাজার শিশু ৷

চলতি বছর এই পথে শীর্ষে বাংলাদেশিরা: ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর মধ্যে ইতালিতেই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশী আসেন ৷ দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ৩৭ হাজার ১৬ জন আশ্রয়প্রার্থী ইতালি পৌঁছেছেন ৷ সংখ্যাটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কিছুটা বেশি৷ ২০২৩ সালের তুলনায় অনেক কম৷ কারণ, ওই বছর একই সময়ে অন্তত ৯৩ হাজার ৪৬৭ জন অভিবাসী এসেছিলেন দেশটিতে ৷

চলতি বছর ইতালিতে আসা আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন বাংলাদেশি নাগরিকেরা ৷ ১১ হাজার ৮৬৬ জন বাংলাদেশি চলতি বছর ইতালিতে ঢুকেছেন সমুদ্রপথে, যা মোট আগমনের ৩২ শতাংশ৷ এরপরেই আছেন ইরিত্রিয়া, মিশর, পাকিস্তান ও ইথিওপিয়ার নাগরিকেরা ৷

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস 

জনপ্রিয়

টাঙ্গাইলে ছয় মাদক বিক্রতা ও তিনজন মাদকসেবী গ্রেফতার

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ইতালির আটকাদেশ থেকে মুক্ত হল অভিবাসী উদ্ধারের জাহাজ অরোরা

আপডেটের সময় ০৭:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

আদেশ অমান্য করার অভিযোগে আটক হওয়া ভূমধ্যসাগরে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উদ্ধারকারী জাহাজ অরোরা-কে মুক্তি দিয়েছে ইতালি

ইউরোপ ডেস্কঃ মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) জার্মানির বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা সি-ওয়াচ জানিয়েছে,ইতালির ভূমধ্যসাগরের দ্বীপ লাম্পেদুসা বন্দর ছেড়ে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছে অরোরা৷ ফলে, সংকটাপন্ন মানুষদের প্রাণ বাঁচাতে আবারো ভূমধ্যসাগরে ভাসবে অরোরা ৷ উল্লেখ্য যে,গত ১৪ জুলাই থেকে এই জাহাজটি ইতা‌লির লাম্পেদুসায় আটক ছিল ৷

সি-ওয়াচ তাদের ‘এক্স’ প্ল্যাটফর্মে লিখেছে, ইতা‌লির সিসিলির অ্যাগ্রিজেন্তোর একটি আদালত সোমবার এই প্রশাসনিক আটকাদেশটি বাতিল করেছে ৷
এতে আরা বলা হয়েছে, আদালত তার দেয়া রায়ে জানিয়েছে, উদ্ধার-জাহাজ অরোরা-র নাবিক আন্তর্জাতিক আইন মেনেই কাজ করেছেন ৷

কেন এই আটকাদেশ? মধ্য ভূমধ্যসাগরে বিপদগ্রস্ত ৭০ জন অভিবাসীকে উদ্ধারের পর ইতা‌লির সবচেয়ে ছোটো দ্বীপ লাম্পেদুসার বন্দরে নোঙ্গর করে অরোরা৷ কিন্তু জাহাজটিকে সিসিলির পোৎসালো বন্দরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইতালি কর্তৃপক্ষ ৷ সেই আদেশ অমান্য করার অভিযোগেই অরোরাকে আটক করা হয়েছিল ৷

যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে সি-ওয়াচ৷ সংস্থাটি বলেছে, প্রতিকূল আবহাওয়ায় দীর্ঘ পথ পেরিয়ে পোৎসালো বন্দরে অভিবাসীদের নিয়ে যাওয়া অসম্ভব ছিল ৷ তাই অরোরা-এর নাবিকেরা বিষয়টি ইতালীয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে লাম্পেদুসায় নোঙ্গরের অনুমতি নিয়েছিল ৷

অভিবাসীদের জীবন বাঁচাতে কাজ করা অরোরা-এর প্রতি এই আটকাদেশকে ইতা‌লির ডানপন্থি সরকারের একটি রাজনৈতিক প্রচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছে সি-ওয়াচ ৷

অনিয়মিত অভিবাসন ইস্যুতে কঠোর ইতালি: অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে অভিবাসনপ্রত্যাশী, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকা থেকে নৌকায় আসা আশ্রয়প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির অতি-ডানপন্থি প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি৷ লিবিয়ার সঙ্গে চুক্তি ও আর্থিক সহযোগিতা, ভূমধ্যসাগরে টহল বাড়ানোসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি ৷

ভূমধ্যসাগরে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উদ্ধারে কাজ করা বেসরকারি সংস্থাগুলোর উদ্ধারকারী দল বরাবরই ইতালি সরকারে বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করে আসছেন৷ তারা বলছেন, মেলোনির সরকার তাদের কাজকে পদ্ধতিগতভাবে বাধা দেয়ার চেষ্টা করছে ৷

ভূমধ্যসাগরে একটি উদ্ধার অভিযান শেষে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ইতালির কোথায় পৌঁছে দেয়া হবে তার অনুমতি নিতে হয় উদ্ধারকারী জাহাজগুলোকে৷ এক্ষেত্রে সবসময় দূরের বন্দর বরাদ্দ দিয়ে থাকে ইতালি ৷ এতে দুর্বল ও অসুস্থ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জীবনের ঝুঁকি তৈরি হয় বলে মনে করে বেসরকারি সংস্থাগুলো৷ এছাড়াও দীর্ঘ সমুদ্রপথ পাড়ি দিতে গিয়ে উদ্ধারকারী জাহাজগুলোকে অতিরিক্ত জ্বালানি ও খাবারের জন্য গুণতে হয় বাড়তি অর্থ ৷

এদিকে ভূমধ্যসাগরে দুর্দশাগ্রস্ত নৌকাগুলো থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উদ্ধারকারী এনজিওগুলোকে আর আর্থিক সহায়তা না দেয়ার কথাও জানিয়েছে রক্ষণশীলদের নেতৃত্বাধীন জার্মানির জোট সরকার৷ আরো অনেক উৎস্য থেকেও তাদের অনুদান কমে আসছে ৷

লিবিয়া ও তিউনিশিয়ার উপকূল থেকে ইতালি বা মাল্টামুখী সমুদ্রপথটি সেন্ট্রাল ভূমধ্যসাগরীয় অভিবাসন রুট নামে পরিচিত৷ এই পথটিকে সবচেয়ে বিপজ্জনক বলে মনে করা হয়৷ কারণ এই রুটে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে ৷

জাতিসংঘ ও জার্মানির কয়েকটি এনজিওর পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৫ সাল থেকে ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত ভূমধ্যসাগরে ঝুঁকিতে থাকা এক লাখ ৭৫ হাজারের বেশি অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা৷ তবে, এই সময়ে প্রাণ হারিয়েছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন অন্তত ২০ হাজার ৮০০ জন, যাদের মধ্যে রয়েছে সাড়ে তিন হাজার শিশু ৷

চলতি বছর এই পথে শীর্ষে বাংলাদেশিরা: ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর মধ্যে ইতালিতেই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশী আসেন ৷ দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ৩৭ হাজার ১৬ জন আশ্রয়প্রার্থী ইতালি পৌঁছেছেন ৷ সংখ্যাটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কিছুটা বেশি৷ ২০২৩ সালের তুলনায় অনেক কম৷ কারণ, ওই বছর একই সময়ে অন্তত ৯৩ হাজার ৪৬৭ জন অভিবাসী এসেছিলেন দেশটিতে ৷

চলতি বছর ইতালিতে আসা আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন বাংলাদেশি নাগরিকেরা ৷ ১১ হাজার ৮৬৬ জন বাংলাদেশি চলতি বছর ইতালিতে ঢুকেছেন সমুদ্রপথে, যা মোট আগমনের ৩২ শতাংশ৷ এরপরেই আছেন ইরিত্রিয়া, মিশর, পাকিস্তান ও ইথিওপিয়ার নাগরিকেরা ৷

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস