ভিয়েনা ১০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পিরোজপুরে জাহাজের শ্রমিকদের হাত-পা বেঁধে মালামাল লুট

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০২:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মার্চ ২০২৫
  • ২০ সময় দেখুন

অচেতন অবস্থায় ৬ জন উদ্ধার

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট; পিরোজপুর: পিরোজপুরের  জাহাজের শ্রমিকদের হাত-পা বেঁধে মালামাল লুটের ঘটনা ঘটেছে। হামলায় আহত  হয়ে  অচেতন অবস্থায় ৬  শ্রমিককে  উদ্ধার হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলায়।

জানা গেছে, ওই উপজেলার ছোট মাছুয়া ছেটে মাছুয়া গ্রামের বলেশ্বর নদীর চরে আটকে যাওয়া  এম.বি শাকিল পরিবহন (এম ২৫৯১২) নামে একটি কয়লার জাহাজ থেকে অচেতন অবস্থায় গত শুক্রবার (০৭ মার্চ) বিকালে ৬ জন শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে নাছির হোসেন (৩৫) নামে এক শ্রমিককে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

অন্যান্য আহতরা হলেন- জাহাজের মাস্টার আবুল হাশেম (৪৯), ইঞ্জিন চুকানি  বিপ্লব (৩৫) বাবুর্চি নিদু মিয়া (৬০), স্কট মো. শান্ত (১৮) ও শাওন (১৭)।

 জানা গেছে. থানা পুলিশ সাংবাদিক ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার  করা হয়। আহতদের প্রত্যেকের শরীরের বিভিন্নস্থানে  আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

জাহাজের মাস্টার আবুল হাশেম জানান, তারা গত বৃহস্পতিবার মংলা থেকে জাহাজে কয়লা বোঝাই করে ঢাকা গাবতলীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন। মোড়েলগঞ্জ থানাধীন সোনাখালী নামক স্থানে নদীতে জাহাজ নোঙ্গর করে ইফতার ও তারাবি নামাজ পড়ে বিশ্রাম করেন। হয়তোবা ঘুমিয়ে পরেছিলাম এরপর এখানে কিভাবে এলেন তা তারা  বলতে পারেন না।

জাহাজের স্কট  মো. শান্ত জানান, ইফতার করার সময় সোনাখালীর সেখান থেকে দুজন স্কট আমাদের জাহাজে এসেছিলো। তার পর কি হয়েছে আমি বলতে পরিনি। শুক্রবার দুপুরে আমাদের জাহাজ এখানে চরের সাথে আটকে থাকা অবস্থায় এবং জাহাজের লোকজনের হাত-পা বাধা দেখতে পাই। জাহাজের ইঞ্জিন বন্ধ করা হয়নি।

স্থানীয় সেলিম ব্রিকস ইট ভাটার ম্যানেজার  সরোয়ার হোসেন মন্টু মিয়া বলেন, সাহরী খাবার পর নদীর চরে  জাহাজটিকে ইঞ্জিন চলন্ত অবস্থায় আটকে থাকতে দেখি।  আমরা উপর থেকে বারবার চিৎকার করে সমস্যা জানার চেষ্টা করছি, কিন্তু কোন উত্তর না পেয়ে  দুপুরের দিকে ট্রলার যোগে জাহাজের কাছে গিয়ে লোক জনের হাত-পা বাঁধা ও অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে আমার মালিককে অবহিত করি।  পরে পুলিশ ও সাংবাদিকরা এসে আহতদের উদ্ধারে করে হাসপাতালে নিয়ে যান এবং জাহাজটি বন্ধ সুন্দর ভাবে  নোঙ্গর করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) মোহাম্মদ সাখাওযাত হোসন বলেন, আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং জাহাজটি নিরাপদের রাখা হয়েছে।

এইচ এম লাহেল মাহমুদ/ইবিটাইমস 

জনপ্রিয়
Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

পিরোজপুরে জাহাজের শ্রমিকদের হাত-পা বেঁধে মালামাল লুট

আপডেটের সময় ০২:৪৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মার্চ ২০২৫

অচেতন অবস্থায় ৬ জন উদ্ধার

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট; পিরোজপুর: পিরোজপুরের  জাহাজের শ্রমিকদের হাত-পা বেঁধে মালামাল লুটের ঘটনা ঘটেছে। হামলায় আহত  হয়ে  অচেতন অবস্থায় ৬  শ্রমিককে  উদ্ধার হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলায়।

জানা গেছে, ওই উপজেলার ছোট মাছুয়া ছেটে মাছুয়া গ্রামের বলেশ্বর নদীর চরে আটকে যাওয়া  এম.বি শাকিল পরিবহন (এম ২৫৯১২) নামে একটি কয়লার জাহাজ থেকে অচেতন অবস্থায় গত শুক্রবার (০৭ মার্চ) বিকালে ৬ জন শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে নাছির হোসেন (৩৫) নামে এক শ্রমিককে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

অন্যান্য আহতরা হলেন- জাহাজের মাস্টার আবুল হাশেম (৪৯), ইঞ্জিন চুকানি  বিপ্লব (৩৫) বাবুর্চি নিদু মিয়া (৬০), স্কট মো. শান্ত (১৮) ও শাওন (১৭)।

 জানা গেছে. থানা পুলিশ সাংবাদিক ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার  করা হয়। আহতদের প্রত্যেকের শরীরের বিভিন্নস্থানে  আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

জাহাজের মাস্টার আবুল হাশেম জানান, তারা গত বৃহস্পতিবার মংলা থেকে জাহাজে কয়লা বোঝাই করে ঢাকা গাবতলীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন। মোড়েলগঞ্জ থানাধীন সোনাখালী নামক স্থানে নদীতে জাহাজ নোঙ্গর করে ইফতার ও তারাবি নামাজ পড়ে বিশ্রাম করেন। হয়তোবা ঘুমিয়ে পরেছিলাম এরপর এখানে কিভাবে এলেন তা তারা  বলতে পারেন না।

জাহাজের স্কট  মো. শান্ত জানান, ইফতার করার সময় সোনাখালীর সেখান থেকে দুজন স্কট আমাদের জাহাজে এসেছিলো। তার পর কি হয়েছে আমি বলতে পরিনি। শুক্রবার দুপুরে আমাদের জাহাজ এখানে চরের সাথে আটকে থাকা অবস্থায় এবং জাহাজের লোকজনের হাত-পা বাধা দেখতে পাই। জাহাজের ইঞ্জিন বন্ধ করা হয়নি।

স্থানীয় সেলিম ব্রিকস ইট ভাটার ম্যানেজার  সরোয়ার হোসেন মন্টু মিয়া বলেন, সাহরী খাবার পর নদীর চরে  জাহাজটিকে ইঞ্জিন চলন্ত অবস্থায় আটকে থাকতে দেখি।  আমরা উপর থেকে বারবার চিৎকার করে সমস্যা জানার চেষ্টা করছি, কিন্তু কোন উত্তর না পেয়ে  দুপুরের দিকে ট্রলার যোগে জাহাজের কাছে গিয়ে লোক জনের হাত-পা বাঁধা ও অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে আমার মালিককে অবহিত করি।  পরে পুলিশ ও সাংবাদিকরা এসে আহতদের উদ্ধারে করে হাসপাতালে নিয়ে যান এবং জাহাজটি বন্ধ সুন্দর ভাবে  নোঙ্গর করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) মোহাম্মদ সাখাওযাত হোসন বলেন, আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং জাহাজটি নিরাপদের রাখা হয়েছে।

এইচ এম লাহেল মাহমুদ/ইবিটাইমস