ভিয়েনা ১২:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দেশের মধ্যে যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তারা গুপ্ত – সিরাজগঞ্জে তারেক রহমান হবিগঞ্জে ১৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, ড্রোনে নজরদারি নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশের উন্নয়ন কোন ভাবেই সম্ভব নয়- মেজর হাফিজ বিএনপি ক্ষমতায় এলে আলেম ওলামাসহ প্রত্যেকে নিরাপদ থাকবে – নয়ন প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে এসেছে নির্বাচনে ১৬টি দেশ পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে আধিপত্যবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে জনগণ একাট্টা হয়েছে : শফিকুর রহমান ডেনমার্কের অভিবাসন নীতিতে বড় পরিবর্তন ভয়াবহ আর্থিক সংকটে জাতিসংঘ- মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নেতাকর্মীদের হ্যাঁ ভোট দিতে বললেন তারেক রহমান

চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি নামতে পারে ৪ শতাংশে: বিশ্বব্যাংক

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৭:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৪
  • ৩৩ সময় দেখুন

মো. নাসরুল্লাহ, ঢাকা: নানামুখী উদ্যোগ সত্ত্বেও চাপে থাকবে বাংলাদেশের অর্থনীতি। অর্থবছর শেষে মূল্যস্ফীতি সামান্য কমলেও প্রবৃদ্ধি নিয়ে খুব বেশি সুখবর দিতে পারেনি ঋণদাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এই মুহূর্তে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তাসহ চারটি প্রধান চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে মনে করছে বিশ্ববাংক। এগুলো হলো- উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বহিঃস্থ খাতের চাপ এবং আর্থিক খাতের দুর্বলতা। এসব কারণে প্রবৃদ্ধি খুব বেশি বাড়বে না।

অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) কমে দাঁড়াতে পারে ৪ শতাংশ। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেটি বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৫ দশমিক ৫ শতাংশে। উল্লেখযোগ্য অনিশ্চয়তায় বিনিয়োগ ও শিল্পে দুর্বল প্রবৃদ্ধি এবং সাম্প্রতিক বন্যার ফলে কৃষিতে মাঝারি মানের প্রবৃদ্ধি হবে। এসবের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে  প্রবৃদ্ধিও ক্ষেত্রে।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংকের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট আপডেট’ প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চলতি অর্থবছরের পূর্বাভাস কমানোর পাশাপাশি বিশ্বব্যাংক গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলনও কমিয়ে ৫ দশমিক ২ শতাংশে নামিয়েছে। গত অর্থবছরের জন্য সরকারের সাময়িক প্রাক্কলন ছিল ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ।

কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে সংবাদ সন্মেলনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে কর্মের বাজারে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে গ্যাপ রয়েছে। সেটি একটি বড় সমস্যা। এক্ষেত্রে রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষার মান বাড়াতে হবে। দক্ষতার সঙ্গে বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার মিস ম্যাচ আছে। প্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে এসব বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। অভ্যন্তরীর্ণ রাজস্ব আদায়ের পরিস্থিতি খারাপ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

সংবাদ সন্মেলনে অনলাইনে ওয়াসিংটন থেকে বক্তব্য রাখেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ইকনোমিস্ট ধ্রুব শর্মা, ইকনোমিস্ট নাজমুস খান এবং বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র যোগাযোগ কর্মকর্তা মেহেরিন এ মাহবুব।

ঢাকা/ইবিটাইমস/এনএল/আরএন

জনপ্রিয়

দেশের মধ্যে যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তারা গুপ্ত – সিরাজগঞ্জে তারেক রহমান

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি নামতে পারে ৪ শতাংশে: বিশ্বব্যাংক

আপডেটের সময় ০৭:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৪

মো. নাসরুল্লাহ, ঢাকা: নানামুখী উদ্যোগ সত্ত্বেও চাপে থাকবে বাংলাদেশের অর্থনীতি। অর্থবছর শেষে মূল্যস্ফীতি সামান্য কমলেও প্রবৃদ্ধি নিয়ে খুব বেশি সুখবর দিতে পারেনি ঋণদাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এই মুহূর্তে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তাসহ চারটি প্রধান চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে মনে করছে বিশ্ববাংক। এগুলো হলো- উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বহিঃস্থ খাতের চাপ এবং আর্থিক খাতের দুর্বলতা। এসব কারণে প্রবৃদ্ধি খুব বেশি বাড়বে না।

অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) কমে দাঁড়াতে পারে ৪ শতাংশ। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেটি বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৫ দশমিক ৫ শতাংশে। উল্লেখযোগ্য অনিশ্চয়তায় বিনিয়োগ ও শিল্পে দুর্বল প্রবৃদ্ধি এবং সাম্প্রতিক বন্যার ফলে কৃষিতে মাঝারি মানের প্রবৃদ্ধি হবে। এসবের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে  প্রবৃদ্ধিও ক্ষেত্রে।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংকের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট আপডেট’ প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চলতি অর্থবছরের পূর্বাভাস কমানোর পাশাপাশি বিশ্বব্যাংক গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলনও কমিয়ে ৫ দশমিক ২ শতাংশে নামিয়েছে। গত অর্থবছরের জন্য সরকারের সাময়িক প্রাক্কলন ছিল ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ।

কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে সংবাদ সন্মেলনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে কর্মের বাজারে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে গ্যাপ রয়েছে। সেটি একটি বড় সমস্যা। এক্ষেত্রে রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষার মান বাড়াতে হবে। দক্ষতার সঙ্গে বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার মিস ম্যাচ আছে। প্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে এসব বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। অভ্যন্তরীর্ণ রাজস্ব আদায়ের পরিস্থিতি খারাপ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

সংবাদ সন্মেলনে অনলাইনে ওয়াসিংটন থেকে বক্তব্য রাখেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ইকনোমিস্ট ধ্রুব শর্মা, ইকনোমিস্ট নাজমুস খান এবং বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র যোগাযোগ কর্মকর্তা মেহেরিন এ মাহবুব।

ঢাকা/ইবিটাইমস/এনএল/আরএন