ভিয়েনা ০২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভোলা জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ ও আচরণবিধি অবহিতকরণে লালমোহনে উঠান বৈঠক সুই-সুতোয় গাঁথা অর্ধশতকের গল্প: বিনা রানীর শখের পাখা ও পুতুল কুমিল্লা-৪ আসনে মাঠে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় হাসনাতের বিপুল ভোটে জয়ের আভাস দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে খাগড়াছড়িতে মারমা–ত্রিপুরাদের বিশাল গণমিছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে জানুয়ারি মাসে পেশাদারিত্বের সঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনী প্রধানের গুরুত্বারোপ প্রতারক চক্রের ফোনকলে সাড়া না দিতে নির্বাচন কমিশনের আহ্বান ইইউ’র সঙ্গে দ্রুত এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরুর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার দেশের মধ্যে যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তারা গুপ্ত – সিরাজগঞ্জে তারেক রহমান হবিগঞ্জে ১৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, ড্রোনে নজরদারি

লালমোহনে আবাসিক এলাকায় চামড়া সংরক্ষন দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৮:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪
  • ২৯ সময় দেখুন

ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড নয়ানিগ্রামের আবাসিক এলাকা। এই আবাসিক এলাকায় একটি ঘর ভাড়া নিয়ে  চামড়া প্রক্রিয়াজাত করণ করছেন সেলিম সওদাগর নামে এক ব্যবসায়ী। তিনি একই এলাকার দিন মোহাম্মদ সওদাগরের ছেলে।

প্রায় ১ বছর যাবত ওই এলাকার মানুষজন চামড়ার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ। চামড়া ঘরের অপরপ্রান্তে রয়েছে সমজিদ। দুর্গন্ধে মসজিদের মুসল্লিরা নিয়তি নামাজ আদায় করতে সমস্যা হচ্ছে। আবাসিক এলাকা থেকে চামড়ার ঘর সরিয়ে নেয়র জন্য এবং দুর্গন্ধ থেকে মুক্ত হতে মসজিদের মুসল্লিদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত দরখাস্ত দেয়া হয়েছে। তারপরেও সেলিম সওদাগর তার চামড়ার দোকান সরিয়ে নিচ্ছেনা।

মসজিদের কয়েকজন মুসল্লি বলেন, এখানে সেলিম সওদাগর পশুর চামড়া এনে বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত করে লবন দেয়, গুদামজাত করে, মসজিদের পুকুরের ঘাটলায় ধৌত করে এবং কয়েকদিন পরে ট্রাকে করে অন্য যায়গায় পাঠায়। তখন চামড়ার দুর্গন্ধে এলাকায় থাকায় কস্টকর হয়ে যায়। মসজিদে নামাজের সময় ফ্যান চালানো যায় না। ফ্যান চলালে দুর্গন্ধে মসজিদে থাকা যায় না। সেলিমকে একাধিকবার এই এলাকা থেকে চামড়ার দোকানটি যেখানে আবাসিক এলাকা নেই সেখানে নেয়ার জন্য বলেছি। কিন্তু সে কারো কোনো কথা শুনছে না।

লালমোহন পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রায়হান মাছুম বলেন, চামড়ার দূর্গন্ধ পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। তাদেরকে একাধিকবার সতর্ক করলেও তারা কথা শুনেনি।

ব্যবসায়ী সেলিম সওদাগরকে এ ব্যাপারে বলেন, আমি শিঘ্রই এই ঘরটি ছেড়ে দিব। অন্য যায়গায় ঘর ভাড়া নেয়ার চেষ্টা করছি। পেলেই সেখানে চলে যাব।

লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, শীঘ্রই দু‘পক্ষকে ডেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জাহিদুল ইসলাম দুলাল/ইবিটাইমস 

জনপ্রিয়

ভোলা জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ ও আচরণবিধি অবহিতকরণে লালমোহনে উঠান বৈঠক

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

লালমোহনে আবাসিক এলাকায় চামড়া সংরক্ষন দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

আপডেটের সময় ০৮:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪

ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড নয়ানিগ্রামের আবাসিক এলাকা। এই আবাসিক এলাকায় একটি ঘর ভাড়া নিয়ে  চামড়া প্রক্রিয়াজাত করণ করছেন সেলিম সওদাগর নামে এক ব্যবসায়ী। তিনি একই এলাকার দিন মোহাম্মদ সওদাগরের ছেলে।

প্রায় ১ বছর যাবত ওই এলাকার মানুষজন চামড়ার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ। চামড়া ঘরের অপরপ্রান্তে রয়েছে সমজিদ। দুর্গন্ধে মসজিদের মুসল্লিরা নিয়তি নামাজ আদায় করতে সমস্যা হচ্ছে। আবাসিক এলাকা থেকে চামড়ার ঘর সরিয়ে নেয়র জন্য এবং দুর্গন্ধ থেকে মুক্ত হতে মসজিদের মুসল্লিদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত দরখাস্ত দেয়া হয়েছে। তারপরেও সেলিম সওদাগর তার চামড়ার দোকান সরিয়ে নিচ্ছেনা।

মসজিদের কয়েকজন মুসল্লি বলেন, এখানে সেলিম সওদাগর পশুর চামড়া এনে বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত করে লবন দেয়, গুদামজাত করে, মসজিদের পুকুরের ঘাটলায় ধৌত করে এবং কয়েকদিন পরে ট্রাকে করে অন্য যায়গায় পাঠায়। তখন চামড়ার দুর্গন্ধে এলাকায় থাকায় কস্টকর হয়ে যায়। মসজিদে নামাজের সময় ফ্যান চালানো যায় না। ফ্যান চলালে দুর্গন্ধে মসজিদে থাকা যায় না। সেলিমকে একাধিকবার এই এলাকা থেকে চামড়ার দোকানটি যেখানে আবাসিক এলাকা নেই সেখানে নেয়ার জন্য বলেছি। কিন্তু সে কারো কোনো কথা শুনছে না।

লালমোহন পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রায়হান মাছুম বলেন, চামড়ার দূর্গন্ধ পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। তাদেরকে একাধিকবার সতর্ক করলেও তারা কথা শুনেনি।

ব্যবসায়ী সেলিম সওদাগরকে এ ব্যাপারে বলেন, আমি শিঘ্রই এই ঘরটি ছেড়ে দিব। অন্য যায়গায় ঘর ভাড়া নেয়ার চেষ্টা করছি। পেলেই সেখানে চলে যাব।

লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, শীঘ্রই দু‘পক্ষকে ডেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জাহিদুল ইসলাম দুলাল/ইবিটাইমস