বালিশে বুক ঢেকে হোটেল থেকে বের হলেন ব্রিটনি

বিনোদন ডেস্ক: হলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স। বরাবরই বেপরোয়া তিনি। পেশাগত জীবনে চূড়ান্ত সফল হলেও ব্রিটনির ব্যক্তিগত জীবন বরাবরই বিতর্কিত। ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনটি বিয়ে করেছেন। বিভিন্ন কারণে বরাবর চর্চার শিরোনামে থাকেন পপসম্রাজ্ঞী। তবে এবার মাঝরাতে অর্ধনগ্ন অবস্থায় লস অ্যাঞ্জেলসের হোটেল থেকে বেরতে দেখা গিয়েছে তাকে।

প্রেমিকের সঙ্গে ঝগড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি হোটেল থেকে অর্ধনগ্ন অবস্থায় ধরা দিলেন জনপ্রিয় মার্কিন গায়িকা ও অভিনেত্রী ব্রিটনি স্পিয়ার্স। এদিন উন্মুক্ত শরীরে এলোমেলো চুলে চোখেমুখে চাপা কান্নার অভিব্যক্তি নিয়ে হোটেল থেকে বের হন তিনি।

এমনই এক ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যাতে তার শরীরে কেবল একটি চাদর কোনোরকমে জড়ানো ছিল। আর বুকে চেপে রাখা ছিল একটি বালিশ। অভিনেত্রীর পরনে ছিল অন্তর্বাস।

ব্রিটনির এমন অবস্থা দেখে হতবাক ভক্ত-অনুরাগীরা।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, প্রেমিকের সঙ্গে ঝগড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি হোটেল থেকে অর্ধনগ্ন অবস্থায় এভাবেই বের হন ব্রিটনি। এদিকে গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানানোর জন্য নিজের মাকে দোষারোপ করেছেন এই তারকা। শুধু তাই নয়, নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দিয়েছেন ব্রিটনি। ক্যাপশনে লিখেছেন— ‘আমি জানি না বিষয়টি আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা। ধারণা করছি, আমি একজন নারী এবং আমার পিরিয়ড চলছে।’

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি লেখেন, ‘গত রাতে আমার গোড়ালিতে মোচড় লেগেছিল, প্রমাণ রাখার জন্য এটি দেখাচ্ছি। এটা খুব খারাপ। বসার ঘরে বোকারমতো লাফানোর সময়ে পড়ে যাই, তারপর এটা ঘটে।’

অভিনেত্রী আরও লিখেছেন, ‘বেআইনিভাবে প্যারামেডিকদের একটি টিম আমার দরজায় আসে। এর আগে তারা কখনো আমার দরজায় আসেনি। আমি মনে করি, হেনস্তার শিকার হয়েছি। আমি বুস্টন যাচ্ছি।’

ব্রিটনি তার ইনস্টাগ্রামে শুক্রবার একটি ভিডিও পোস্ট করেন। তাতে দেখা যায়, ব্রিটনির ডান পায়ের গোড়ালি মচকে গেছে।

ভিডিওর ক্যাপশনে নিজের মাকে দোষারোপ করে ব্রিটনি লেখেন, ‘আমি জানি, মা জড়িত ছিলেন। আমি তার সঙ্গে গত ৬ মাস ধরে কথা বলি না। এ ঘটনার পর এবং খবর প্রকাশের আগে মা ফোন করেছিলেন। আমি তাকে সহ্য করতে পারি না। সত্যি বলছি, এটা বলতে আমি পরোয়া করি না।’

ডেস্ক/ইবিটাইমস/এনএল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »