পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশ ও নর্ডিক দেশগুলো আরো সবুজ ও জলবায়ু সহিষ্ণু ভবিষ্যতের জন্য এক সাথে কাজ করবে
ইবিটাইমস ডেস্কঃ বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে নর্ডিক দিবসের অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি। ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেনের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব উদযাপন করতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে, বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্দ্রা বার্গ ফন লিন্ডে, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এসপেন রিখটার-সভেনডসেন, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিকস মোলার ও ভারতের নয়া দিল্লিতে অবস্থিত ফিনল্যান্ড দূতাবাসের ডেপুটি হেড অফ মিশন ড. টিটো গ্রোনো বক্তৃতা করেন।
পরিবেশ রক্ষায়, নর্ডিক দেশগুলোর দৃষ্টান্তমূলক অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন বাংলাদেশর পরিবেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যে অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নর্ডিক দেশগুলো ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বীকৃতি দিয়েছিলো। সে কথা তুলে ধরে সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, “ ঐ স্বীকৃতি প্রদান আমাদের সংহতি ও সমর্থনের ভিত্তি। এর মাধ্যমে একটি সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিলো।”
“বাংলাদেশ ও নর্ডিক দেশগুলোর মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক একটি উদাহরণ। এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং টেকসই ও সমৃদ্ধির প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত অংশীদারিত্ব;” যোগ করেন সাবের হোসেন চৌধুরী। টেকসই ভবিষ্যতের জন্য, বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ সবচেয়ে টেকসই এবং সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য নর্ডিক কাউন্সিলের দৃষ্টিভঙ্গির ওপর জোর দেন সাবের হোসেন চৌধুরী।
পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্যোগ ও নর্ডিক অঞ্চলের মোহনীয় প্রাকৃতিক দৃশ্যের প্রশংসা করেন বাংলাদেশের পরিবেশমন্ত্রী। তিনি জলবায়ু সহনশীলতা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রের রূপরেখা তুলে ধরেন।জলবায়ু পরিবর্তন এবং উদ্ভাবন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহযোগিতা আরো গভীর করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন সাবের হোসেন চৌধুরী।
কবির আহমেদ/ইবিটাইমস