ভিয়েনা ১২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চরফ্যাশনে রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত চরফ্যাশনে কৃষকদলের নির্বাচনী কর্মী সমাবেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লালমোহনে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ৩৮ দেশের কূটনীতিকের অংশগ্রহণ করেছেন হবিগঞ্জে তরমুজের নিচে লুকিয়ে পাচারকালে ১৬ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা জব্দ শিবির-জামায়াত নিষিদ্ধের দাবিতে কুশপুতুল দাহ ও জুতা মিছিল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা শুরু সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন: আনোয়ারুল ইসলাম লালমোহন-তজুমুদ্দিনে কাউকে কোন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে দেয়া হবে না : হাফিজ টাঙ্গাইলে এমন পর্যটনশিল্প গড়ে তুলব, আর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার যেতে হবে না : টুকু

অত্যাধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়া হবে- প্রধানমন্ত্রী

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৬:৫৯:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪
  • ২৮ সময় দেখুন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন যে তার সরকার আধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান সম্পন্ন সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে

ইবিটাইমস ডেস্কঃ শনিবার (৩ মার্চ) রাজশাহী সেনানিবাসে, বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট-এর (বিআইআর) তৃতীয় পুনর্মিলনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি একথা জানান।

তিনি বলেন, “দেশের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সক্ষম সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে চায় সরকার। আর, সে লক্ষ্যে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি;” বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অন্যান্য প্রয়োজনে জনগণের পাশে থেকে কাজ করছে সশস্ত্র বাহিনী, এছাড়া তারা অবকাঠামোগত উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। “এভাবেই আমাদের সশস্ত্র বাহিনী দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছে;” শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, দেশ গড়তে এবং সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকবে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলা এবং আমি বিশ্বাস করি, আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবো।” সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধুর সুদূরপ্রসারী প্রতিরক্ষা নীতির আলোকে আমরা ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’ প্রণয়ন করেছি এবং সশস্ত্র বাহিনী ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।”

শেখ হাসিনা আরো উল্লেখ করেন, ২০০৯ সালে তিনি বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট-কে রেজিমেন্টাল কালার প্রদান করেন এবং ২০১১ সালে তিনি মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় পতাকা প্রদান করেন। তিনি আরো জানান, বর্তমানে রেজিমেন্টে দুটি প্যারা কমান্ডো ব্যাটালিয়ন-সহ মোট ৪৬ টি ইউনিট রয়েছে।

এই ইউনিটের সদস্যরা দেশ ও দেশের বাইরে দক্ষতা, সুনাম ও দেশপ্রেমের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “এই কষ্টার্জিত সুনাম বজায় রাখতে আপনারা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবেন এটাই আমার প্রত্যাশা।”

এর আগে, সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গার্ড অফ অনার প্রদান করে। প্রধানমন্ত্রী সালাম গ্রহণ করেন এবং একটি খোলা জিপে চড়ে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস 

Tag :
জনপ্রিয়

চরফ্যাশনে রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

অত্যাধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়া হবে- প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময় ০৬:৫৯:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন যে তার সরকার আধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান সম্পন্ন সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে

ইবিটাইমস ডেস্কঃ শনিবার (৩ মার্চ) রাজশাহী সেনানিবাসে, বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট-এর (বিআইআর) তৃতীয় পুনর্মিলনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি একথা জানান।

তিনি বলেন, “দেশের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সক্ষম সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে চায় সরকার। আর, সে লক্ষ্যে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি;” বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অন্যান্য প্রয়োজনে জনগণের পাশে থেকে কাজ করছে সশস্ত্র বাহিনী, এছাড়া তারা অবকাঠামোগত উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। “এভাবেই আমাদের সশস্ত্র বাহিনী দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছে;” শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, দেশ গড়তে এবং সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকবে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলা এবং আমি বিশ্বাস করি, আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবো।” সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধুর সুদূরপ্রসারী প্রতিরক্ষা নীতির আলোকে আমরা ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’ প্রণয়ন করেছি এবং সশস্ত্র বাহিনী ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।”

শেখ হাসিনা আরো উল্লেখ করেন, ২০০৯ সালে তিনি বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট-কে রেজিমেন্টাল কালার প্রদান করেন এবং ২০১১ সালে তিনি মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় পতাকা প্রদান করেন। তিনি আরো জানান, বর্তমানে রেজিমেন্টে দুটি প্যারা কমান্ডো ব্যাটালিয়ন-সহ মোট ৪৬ টি ইউনিট রয়েছে।

এই ইউনিটের সদস্যরা দেশ ও দেশের বাইরে দক্ষতা, সুনাম ও দেশপ্রেমের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “এই কষ্টার্জিত সুনাম বজায় রাখতে আপনারা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবেন এটাই আমার প্রত্যাশা।”

এর আগে, সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গার্ড অফ অনার প্রদান করে। প্রধানমন্ত্রী সালাম গ্রহণ করেন এবং একটি খোলা জিপে চড়ে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস