ভিয়েনা ০৩:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বাহরাইনের মানামায় শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ নেতানিয়াহুকে খুঁজে বের করে হত্যার ঘোষণা ইরানি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর আফগানিস্তানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশনের আহ্বান শফিকুরের পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী কাল খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে কৃষক কার্ড বিষয়ে বৈঠক মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকে হামলার দাবি ইরানের

সমুদ্রের নীচে ১০ হাজার বছরের পুরনো প্রাচীরের সন্ধান লাভ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৭:২৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ৭৩ সময় দেখুন

জার্মানির বাল্টিক উপসাগরের নীচে ১০ হাজার বছরের পুরনো প্রায় এক কিলোমিটার দৈর্ঘের একটি প্রাচীরের সন্ধান পাওয়া গেছে

 কবির আহমেদঃ জার্মানির প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলছেন,এই প্রাচীরটি প্রস্তর যুগে নির্মাণ করা হয়েছিল। ইউরোপীয়দের তৈরি অন্যতম প্রাচীনতম নির্মাণ এটি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মেকলেনবার্গ উপসাগর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে শিক্ষা সফরে গিয়েছিলেন একদল বিজ্ঞানী। সেখানে সাগরতলের নীচে সন্ধানে নামেন তাদের কয়েকজন। সেখানেই এই প্রাচীরের খোঁজ পান তারা। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্রাচীরটি তৈরি হয়েছে ১ হাজার ৬৭৩টি পাথর দিয়ে। এর উচ্চতা এক মিটারের কম এবং দৈর্ঘ্য ৯৭১ মিটার।

প্রায় ৩০০ বড় বড় বোল্ডার দিয়ে তৈরি হয়েছিল প্রাচীরটি। সেগুলোকে ঘিরে সাজানো হয়েছে অনেক ছোট ছোট পাথর। বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছেন, মানুষের তৈরি এই প্রাচীরটি প্রায় ১০ হাজার বছর আগে একটি হ্রদের ধারে নির্মাণ করা করা হয়েছিল। বলগা হরিণ শিকারের জন্য সেই প্রাচীরটিকে ফাঁদ হিসেবেও ব্যবহার করা হতো বলে দাবি করেছেন তারা। বর্তমানে সেই প্রাচীরের আশপাশে পশুর হাড়গোড় খোঁজার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানী দল।

প্রস্তর যুগ: বিশ্বের ইতিহাসে প্রস্তর যুগ বলতে মানব ও তার সমাজের বিবর্তনের ধারায় একটা পর্যায়কে বোঝানো হয়। যখন মানুষের ব্যবহার্য হাতিয়ার তৈরির মূল উপকরণ ছিল পাথর। এই সময়কালটি প্রায় ৩.৪ মিলিয়ন বছর স্থায়ী হয়েছিল এবং ৪,০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ২,০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের মধ্যে শেষ হয়েছিল, ধাতব কাজের আবির্ভাবের সাথে।

তবে পাথরের ব্যবহারই প্রস্তর যুগের একমাত্র সনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য বলে মনে করা হয় না। বিরল হলেও কাঠ এবং প্রাণির হাড়ের তৈরি হাতিয়ার ব্যবহারের নিদর্শনও পাওয়া গেছে । এসময় স্বর্ণ ছাড়া অন্য কোন ধাতুর ব্যবহার ছিল অজানা । প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার থেকে ও পূর্ব আফ্রিকার সাভানা অঞ্চল থেকে বাকি বিশ্বে মানুষের ছড়িয়ে পড়ার সময় থেকে প্রস্তর যুগের শুরু ধরা হয়।

প্রস্তর যুগের শেষ হয় কৃষির উদ্ভাবন, গৃহপালিত পশুর পোষ মানানো এবং তামার আকরিক গলিয়ে তামা আহরণের মাধ্যমে মানুষ ধাতুর ব্যবহার শুরু করলে, এই যুগটিকে প্রাগৈতিহাসিক যুগ বলা হয় কারণ তখনো লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার হয়নি এবং মানব সমাজের লিখিত ইতিহাস সংরক্ষণ করা শুরু হয়নি ।

প্রস্তর যুগকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা হয় :

■ প্রাচীন প্রস্তর যুগ বা প্যালিওলিথিক
■ মধ্য প্রস্তর যুগ বা মেসোলিথিক
■ নব্য প্রস্তর যুগ বা নিওলিথিক

প্রাচীন প্রস্তর যুগ: এই যুগটি মুলত ঊষা প্রস্তর যুগ এর পরবর্তী ধাপকে বলা হয়। এখানে এই সময়ে মানুষেরা সবাই অশোধিত পাথর এর হাতিয়ার ব্যবহার করত। পূর্ব আফ্রিকা থেকে বিবর্তন এর মাধ্যমে মানুষ এর উতপত্তি ঘটার পরে প্রায় ১২ লক্ষ বছর অতিবাহিত হবার পরে ১০০০০০ থেকে শুরু করে প্রায় ৪০০০০ খ্রিষ্টপূর্ব পর্যন্ত সময়কাল কে ধরা হয় প্রাচীন প্রস্তর যুগ। ম্যাগডেলেনিয় সংস্কৃতি, অ্যাবিচিলনিয় সংস্কৃতি, পিকিং মানব; এসমস্ত প্রাচীন প্রস্তর যুগ এর উল্লেখযোগ্য সংস্কৃতি এবং মানব গোষ্ঠী। এই সময়ে মানুষ পুরোপুরি ভাবে শিকার এবং খাদ্য সংগ্রহ এর উপরে নির্ভরশীল ছিল এই যুগের মানুষ ছিল এক খাদ্য সংগ্রহকারী প্রাণী । শিকার করা ই ছিল তাদের পেশা ।

মধ্য প্রস্তর যুগ: মধ্য প্রস্তর যুগ বা মেসোলিথিক হল প্রাচীন প্রস্তর যুগ বা প্যালিওলিথিক এবং নব্য প্রস্তর যুগ বা নিওলিথিক-এর মধ্যবর্তী এক যুগ। ইউরোশিয়াতে মধ্য প্রস্তর যুগের ভিন্ন ভিন্ন কালক্রম রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম ইউরোপে এটি মূলত প্লাইস্টোসিন যুগের পরবর্তী সময় এবং কৃষিকাজের উপকরণ আবিষ্কারের পূর্বের যুগ, যার স্থায়িত্বকাল ছিল ১০,০০০ থেকে ৫,০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ। কিন্তু লেভান্তে প্রাপ্ত ২০,০০০ থেকে ৯,৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের কৃষিজ উপকরণসমূহ মধ্য প্রস্তর যুগীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

নব্যপ্রস্তরযুগ: নব্য প্রস্তর যুগ হলো প্রস্তর যুগের শেষ অধ্যায়, যখন পাথরের অস্ত্রশস্ত্র ও ব্যবহার্য দ্রব্যাদির চরম উন্নতি সাধিত হয়েছিল। এএসপিআরও (ASPRO) কালপঞ্জি মতে, খ্রিস্টপূর্ব ১০,২০০ অব্দে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অঞ্চলে এবং পরবর্তীতে পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলে এই যুগের সূচনা ঘটে। খ্রিস্টপূর্ব ৪,০০০ অব্দ থেকে ২,৫০০ অব্দের মধ্যে এই যুগের সমাপ্তি ঘটে। প্রথাগতভাবে এই যুগ হচ্ছে প্রস্তর যুগের সমাপ্তি।

নব্য প্রস্তর যুগ হলোসিন এপিপ্যালিওলিথিক যুগ অনুসরণ করে আসে এবং কৃষিকাজের সূচনাকালে নবপোলীয় বিপ্লব ঘটে এবং এই সময়টাই নব্যপ্রস্তর যুগের শুরু। ধাতুর ব্যবহার শুরু হলে এই যুগ শেষ হয় এবং ব্রোঞ্জ যুগ, তাম্র যুগ এবং কোনো কোনো ভৌগোলিক অঞ্চলে লৌহ যুগ শুরু হয়। এই যুগে মানুষের আচরণ এবং সংস্কৃতিতে প্রগতি এবং পরিবর্তন দেখা যায়, যার মধ্যে ছিল বন্য ও গৃহজাত শস্যের ব্যবহার এবং বন্য পশুকে গৃহপালিত পশুতে রূপান্তর।ধারণা করা হয় যে, নব্যপ্রস্তর যুগ শুরু হয় লেভ্যান্টে (জেরিকো, বর্তমানে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর) খ্রিস্টপূর্ব ১০,২০০ – ৮,৮০০ অব্দে।

বিশেষ/ইবিটাইমসএম আর

জনপ্রিয়

বাহরাইনের মানামায় শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

সমুদ্রের নীচে ১০ হাজার বছরের পুরনো প্রাচীরের সন্ধান লাভ

আপডেটের সময় ০৭:২৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

জার্মানির বাল্টিক উপসাগরের নীচে ১০ হাজার বছরের পুরনো প্রায় এক কিলোমিটার দৈর্ঘের একটি প্রাচীরের সন্ধান পাওয়া গেছে

 কবির আহমেদঃ জার্মানির প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলছেন,এই প্রাচীরটি প্রস্তর যুগে নির্মাণ করা হয়েছিল। ইউরোপীয়দের তৈরি অন্যতম প্রাচীনতম নির্মাণ এটি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মেকলেনবার্গ উপসাগর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে শিক্ষা সফরে গিয়েছিলেন একদল বিজ্ঞানী। সেখানে সাগরতলের নীচে সন্ধানে নামেন তাদের কয়েকজন। সেখানেই এই প্রাচীরের খোঁজ পান তারা। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্রাচীরটি তৈরি হয়েছে ১ হাজার ৬৭৩টি পাথর দিয়ে। এর উচ্চতা এক মিটারের কম এবং দৈর্ঘ্য ৯৭১ মিটার।

প্রায় ৩০০ বড় বড় বোল্ডার দিয়ে তৈরি হয়েছিল প্রাচীরটি। সেগুলোকে ঘিরে সাজানো হয়েছে অনেক ছোট ছোট পাথর। বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছেন, মানুষের তৈরি এই প্রাচীরটি প্রায় ১০ হাজার বছর আগে একটি হ্রদের ধারে নির্মাণ করা করা হয়েছিল। বলগা হরিণ শিকারের জন্য সেই প্রাচীরটিকে ফাঁদ হিসেবেও ব্যবহার করা হতো বলে দাবি করেছেন তারা। বর্তমানে সেই প্রাচীরের আশপাশে পশুর হাড়গোড় খোঁজার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানী দল।

প্রস্তর যুগ: বিশ্বের ইতিহাসে প্রস্তর যুগ বলতে মানব ও তার সমাজের বিবর্তনের ধারায় একটা পর্যায়কে বোঝানো হয়। যখন মানুষের ব্যবহার্য হাতিয়ার তৈরির মূল উপকরণ ছিল পাথর। এই সময়কালটি প্রায় ৩.৪ মিলিয়ন বছর স্থায়ী হয়েছিল এবং ৪,০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ২,০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের মধ্যে শেষ হয়েছিল, ধাতব কাজের আবির্ভাবের সাথে।

তবে পাথরের ব্যবহারই প্রস্তর যুগের একমাত্র সনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য বলে মনে করা হয় না। বিরল হলেও কাঠ এবং প্রাণির হাড়ের তৈরি হাতিয়ার ব্যবহারের নিদর্শনও পাওয়া গেছে । এসময় স্বর্ণ ছাড়া অন্য কোন ধাতুর ব্যবহার ছিল অজানা । প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার থেকে ও পূর্ব আফ্রিকার সাভানা অঞ্চল থেকে বাকি বিশ্বে মানুষের ছড়িয়ে পড়ার সময় থেকে প্রস্তর যুগের শুরু ধরা হয়।

প্রস্তর যুগের শেষ হয় কৃষির উদ্ভাবন, গৃহপালিত পশুর পোষ মানানো এবং তামার আকরিক গলিয়ে তামা আহরণের মাধ্যমে মানুষ ধাতুর ব্যবহার শুরু করলে, এই যুগটিকে প্রাগৈতিহাসিক যুগ বলা হয় কারণ তখনো লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার হয়নি এবং মানব সমাজের লিখিত ইতিহাস সংরক্ষণ করা শুরু হয়নি ।

প্রস্তর যুগকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা হয় :

■ প্রাচীন প্রস্তর যুগ বা প্যালিওলিথিক
■ মধ্য প্রস্তর যুগ বা মেসোলিথিক
■ নব্য প্রস্তর যুগ বা নিওলিথিক

প্রাচীন প্রস্তর যুগ: এই যুগটি মুলত ঊষা প্রস্তর যুগ এর পরবর্তী ধাপকে বলা হয়। এখানে এই সময়ে মানুষেরা সবাই অশোধিত পাথর এর হাতিয়ার ব্যবহার করত। পূর্ব আফ্রিকা থেকে বিবর্তন এর মাধ্যমে মানুষ এর উতপত্তি ঘটার পরে প্রায় ১২ লক্ষ বছর অতিবাহিত হবার পরে ১০০০০০ থেকে শুরু করে প্রায় ৪০০০০ খ্রিষ্টপূর্ব পর্যন্ত সময়কাল কে ধরা হয় প্রাচীন প্রস্তর যুগ। ম্যাগডেলেনিয় সংস্কৃতি, অ্যাবিচিলনিয় সংস্কৃতি, পিকিং মানব; এসমস্ত প্রাচীন প্রস্তর যুগ এর উল্লেখযোগ্য সংস্কৃতি এবং মানব গোষ্ঠী। এই সময়ে মানুষ পুরোপুরি ভাবে শিকার এবং খাদ্য সংগ্রহ এর উপরে নির্ভরশীল ছিল এই যুগের মানুষ ছিল এক খাদ্য সংগ্রহকারী প্রাণী । শিকার করা ই ছিল তাদের পেশা ।

মধ্য প্রস্তর যুগ: মধ্য প্রস্তর যুগ বা মেসোলিথিক হল প্রাচীন প্রস্তর যুগ বা প্যালিওলিথিক এবং নব্য প্রস্তর যুগ বা নিওলিথিক-এর মধ্যবর্তী এক যুগ। ইউরোশিয়াতে মধ্য প্রস্তর যুগের ভিন্ন ভিন্ন কালক্রম রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম ইউরোপে এটি মূলত প্লাইস্টোসিন যুগের পরবর্তী সময় এবং কৃষিকাজের উপকরণ আবিষ্কারের পূর্বের যুগ, যার স্থায়িত্বকাল ছিল ১০,০০০ থেকে ৫,০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ। কিন্তু লেভান্তে প্রাপ্ত ২০,০০০ থেকে ৯,৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের কৃষিজ উপকরণসমূহ মধ্য প্রস্তর যুগীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

নব্যপ্রস্তরযুগ: নব্য প্রস্তর যুগ হলো প্রস্তর যুগের শেষ অধ্যায়, যখন পাথরের অস্ত্রশস্ত্র ও ব্যবহার্য দ্রব্যাদির চরম উন্নতি সাধিত হয়েছিল। এএসপিআরও (ASPRO) কালপঞ্জি মতে, খ্রিস্টপূর্ব ১০,২০০ অব্দে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অঞ্চলে এবং পরবর্তীতে পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলে এই যুগের সূচনা ঘটে। খ্রিস্টপূর্ব ৪,০০০ অব্দ থেকে ২,৫০০ অব্দের মধ্যে এই যুগের সমাপ্তি ঘটে। প্রথাগতভাবে এই যুগ হচ্ছে প্রস্তর যুগের সমাপ্তি।

নব্য প্রস্তর যুগ হলোসিন এপিপ্যালিওলিথিক যুগ অনুসরণ করে আসে এবং কৃষিকাজের সূচনাকালে নবপোলীয় বিপ্লব ঘটে এবং এই সময়টাই নব্যপ্রস্তর যুগের শুরু। ধাতুর ব্যবহার শুরু হলে এই যুগ শেষ হয় এবং ব্রোঞ্জ যুগ, তাম্র যুগ এবং কোনো কোনো ভৌগোলিক অঞ্চলে লৌহ যুগ শুরু হয়। এই যুগে মানুষের আচরণ এবং সংস্কৃতিতে প্রগতি এবং পরিবর্তন দেখা যায়, যার মধ্যে ছিল বন্য ও গৃহজাত শস্যের ব্যবহার এবং বন্য পশুকে গৃহপালিত পশুতে রূপান্তর।ধারণা করা হয় যে, নব্যপ্রস্তর যুগ শুরু হয় লেভ্যান্টে (জেরিকো, বর্তমানে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর) খ্রিস্টপূর্ব ১০,২০০ – ৮,৮০০ অব্দে।

বিশেষ/ইবিটাইমসএম আর