শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনাল খেলাটিতে শেষ বল পর্যন্ত টানা উত্তেজনা ছিল
ভিয়েনা ডেস্কঃ শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার ২১ নাম্বার ডিস্ট্রিক্টের Stebersdorf এর একটি বড় ইন্ডোর স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট ক্লাব অস্ট্রিয়ার (BCCA) উদ্দ্যোগে এই ‘অমর একুশে কাপ ২০২৪’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনের শুরুতেই এক অনাড়ম্ভর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিকেট ক্লাব অস্ট্রিয়ার (BCCA) উদ্যোগে আয়োজিত এই ইন্ডোর ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ‘অমর একুশে কাপ ২০২৪’ উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রথম বল করেন ভিয়েনার বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থায়ী মিশনের কাউন্সিলর এবং দূতাবাস প্রধান তানভীর আহমেদ তরফদার এবং ব্যাট করেন অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিগণ সহ আরো উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত তারাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ অস্ট্রিয়া সমিতির সভাপতি সালমান কবির সোহাগ, অস্ট্রিয়া বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও আঞ্চলিক সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ,ইউরো বাংলা টাইমসের এডিটর-ইন-চিফ মাহবুবুর রহমান ও ইউরো বাংলা টাইমসের নির্বাহী সম্পাদক (আন্তর্জাতিক) ও ion tv sky782 এর অস্ট্রিয়া প্রতিনিধি কবির আহমেদ সহ একাধিক সংবাদ মাধ্যমের নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য যে,এই ইন্ডোর ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অস্ট্রিয়া বাংলাদেশ কমিউনিটির মোট আটটি দল ‘এ’ ও ‘বি’ গ্রুপে বিভক্ত হয়ে লীগ পদ্ধতিতে একে অপরের বিরুদ্ধে খেলে। পরে দুই গ্রুপের প্রথম ও দ্বিতীয় দলের মধ্যে সেমিফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনালে সিলেট এক্সপ্রেস ভিয়েনার প্রজন্ম স্পোর্টিং ক্লাবকে ১ রানে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। প্রতিটি খেলা চার ওভার করে খেলা হয়।
টুর্নামেন্টের ‘এ’ গ্রুপে ছিল যথাক্রমে সিলেট এক্সপ্রেস, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, লাল-সবুজ ও বিক্রমপুর এসসি। আর ‘বি’ গ্রুপে ছিল প্রজন্ম স্পোর্টিং ক্লাব, ভিয়েনা আবাহনী,বিডি ওয়ারিয়ার্স ও বিডিএসএফ স্পোর্টস এন্ড ফেরাইন।
বাংলাদেশ ক্রিকেট ক্লাব অস্ট্রিয়ার (BCCA) উদ্দ্যোগে আয়োজিত ‘অমর একুশে কাপ ২০২৪’ ক্রিকেট টুর্নামেন্টটি সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ দূতাবাস ছাড়াও নিম্নোক্ত ব্যক্তিবর্গ, প্রতিষ্ঠান ছাড়াও আরো অনেকে নানাভাবে সময় ও আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম মিজানুর রহমান শ্যামল, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী (চ্যাম্পিয়ন ট্রফি), বিল্লাল হোসেন,এশিয়ান ওরিয়েন্টাল হাউজ (রানার্স আপ ট্রফি), রতন সাহা (রূপসী বাংলা), জাকারিয়া সাইমুন (এস আর টেলিকম),জাফর
হোসেন (ডেইলি স্পাইস) প্রমুখ।
সংক্ষেপে টুর্নামেন্টের স্কোর বোর্ড: গ্রুপ ‘এ’
সিলেট এক্সপ্রেস ৫৭ রান বনাম লাল-সবুজ ৪৬/১ রান।
বিক্রমপুর ৪৬/২, ৪৬ রান বনাম কুমিল্লা ৩৯/২,৩৯ রান।
সিলেট এক্সপ্রেস ৫৬/২,রান বনাম কুমিল্লা ৩৯/২,রান।
বিক্রমপুর ৫৪/১, রান বনাম লাল-সবুজ ৫১/২,রান।
কুমিল্লা ৪৪/৪,রান বনাম লাল-সবুজ ৪৬/০ রান।
গ্রুপ ‘বি’
প্রজন্ম ৪৭/২, রান বনাম বিডি ওয়ারিয়ার্স ৪২/২,রান।
বিডিএসএফ ৪৪/২,রান বনাম আবাহনী ৪৫/২,রান।
প্রজন্ম ৪৬/১,রান বনাম আবাহনী ৪৫/২,রান।
বিডি ওয়ারিয়ার্স ৩৬/২,রান বনাম বিডিএসএফ ৪১/১
আবাহনী ৪০/২,রান বনাম বিডি ওয়ারিয়ার্স ৩৯/২ রান।
প্রথম সেমিফাইনাল: সিলেট এক্সপ্রেস ৫১/১,রান বনাম বিডিএসএফ ২৭/১ রান।
দ্বিতীয় সেমিফাইনাল: বিক্রমপুর ৩৯ রান বনাম প্রজন্ম স্পোর্টিং ক্লাব ৪১/১ রান।
ফাইনাল: সিলেট এক্সপ্রেস ৪৮/৪ রান (৪ ওভার) প্রজন্ম স্পোর্টিং ক্লাব ৪৭/১ রান (৪ ওভার) * সিলেট এক্সপ্রেস ১ রানে জয়লাভ করে।
ফাইনাল খেলায় ম্যান অফ দ্য ম্যাচ ও টুর্নামেন্টে চমৎকার নৈপুন্য প্রদর্শনের জন্য একাধিক পদক সহ সিলেট এক্সপ্রেসের শামীম মোহাম্মদকে শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় নির্বাচিত করা হয়।
কবির আহমেদ/ইবিটাইমস