ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ সারাদিন চলে ইউনিয়ন পরিষদের যাবতীয় কাজ। সেবা গ্রহীতারা ছুটে আসেন নানা কাজে। কাঙ্খিত সেবা মিললেই চলে যান। সারাদিনই একপ্রকার কর্মব্যস্ত সময় কাটে সেবা দাতাদের। তবে রাত হলেই পাল্টে যায় চিত্র। চলে জুয়ার আসর। কখনো ইউনিয়ন পরিষদের রুমে,আবার কখনো পরিষদের সাথে থাকা চায়ের দোকােন। সুবিধামত স্থান পাল্টান তারা। আর এসবের শেল্টার দেন ওই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও তার ভাই ভাতিজারা। এমন ঘটনা ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায়।
জানা যায়,৯ নং মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদে সন্ধা লাগলেই জুয়ার আসর বসে। ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম জাহিদ ও তার ভাই মিরাজুল ইসলাম মিরাজ এসবের নেতৃত্ব দেন। প্রায় সারারাত চলে এই আসর। দোকানে খেলা হলে বোর্ড প্রতি দোকানদার আলামিন ও শাহিন পায় ১০০ টাকা। পরে খেলা শেষে ভাগবাটোয়ারা করেন চেয়ারম্যান জাহিদ ও মিরাজ। প্রশাসনের নাকের ডগায় দীর্ঘদিন ধরে চলে আসলেও অদৃশ্য কারণে প্রশাসন এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন জানান, রাত হলেই ইউনিয়ন পরিষদে জুয়ার আসর বসে। আবার ওই চায়ের দোকানেও বসে। সুযোগ বুঝে জায়গা পরিবর্তন করে তারা। তবে ওই দোকানে জুয়া খেলোয়াড় ছাড়া অন্য কারো কাছে চা বিক্রি করে না।
এদিকে এ ঘটনার বিষয়ে মনোহরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম জাহিদ এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি এসব অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেন।
শেখ ইমন/ইবিটাইমস