চরফ্যাসন(ভোলা) প্রতিনিধিঃ ভোলার চরফ্যাসনের মেঘনা নদীর পাড়ের বেড়িবাধের ঢাল থেকে মো. হারুন(১৭) নামের এক অটোচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার সকালে স্থাণীয়দের দেয়া খবরের ভিত্তিতে চরফ্যাসন থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ভোলা মর্গে পাঠিয়েছেন। নিহত হারুন হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুুল মুনাফ পলোয়ানের এক মাত্র ছেলে। সে পেশায় অটোচালক ছিলো।
হত্যাকন্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামী করে চরফ্যাসন থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন বলে চরফ্যাসন থানার ওসি মো. শাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন।
নিহতের বাবা আবদুল মুনাফ, পুলিশের বিবরনে জানাযায়, কিশোর হারুন পেশায় অটোচালক ছিলো। মঙ্গলবার দিনভর সে গাড়ি নিয়ে বের হননি। দিনে গাড়ি নিয়ে বের না হওয়ার কারন প্রসঙ্গে পরিবারকে জানায় রাতে একটি রির্র্জাভ ভাড়া আছে। সারা রাত গাড়ি চালতে হবে তাই দিনে গাড়ি নিয়ে বের হবেন না। মঙ্গলবার শেষ বিকোলে যাত্রীদের ফোন কল পেয়ে বাড়ি থেকে গাড়ি নিয়ে বের হয়ে যান তিনি।
বাবা আবদুল মুনাফ আরো জানান, রাত ১০টার সময় ফোনে ছেলের সাথে কথা হয়েছিলো তার কিন্তু রাত ১২ টার সময় ছেলে হারুনের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।তার ধারনা ছিলো চার্জ গিয়ে ফোনটি হয়তো বন্ধ হয়েছে। বুধবার সকালে পাড়া প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর চর মাদ্রাজ ইউনিয়নের হামিদপুর গ্রামের বেড়িবাধের ঢালে তার ছেলের লাশ পরে আছে এমন খবর শুনি তিনি গিয়ে ছেলের মরদেহ শনাক্ত করেন।
চরফ্যাসন থানার ওসি মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, নিহত হারুনের অটোরিকশাটি নতুন ছিলো। যা ২/৩ মাস আগে নতুন কেনা হয়েছে।অটো রিকশাটি ছিনতাইয়ের জন্যই এ হত্যাকাÐ হতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে।হত্যা কাÐের পর থেকেই অটো রিকশাটির সন্ধান মেলেনি। হত্যা কান্ডের রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।
শহিদুল ইসলাম জামাল/ইবিটাইমস