আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এটি প্রলংকারী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে, আর ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে নাম হবে ‘মিগজাউম’
ইবিটাইমস ডেস্কঃ বুধবার (২৯ নভেম্বর) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানায় বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি)। পূর্বাভাসে বলা হয়, আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি পশ্চিম ও উত্তর- পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ আন্দামান সাগরে অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হয়ে আরও তীব্র হতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত সারা দেশে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
বুধবার সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
এদিকে দেশের বিভিন্ন জাতীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে,বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এটি বৃহস্পতিবার নিম্নচাপে পরিণত হয়ে তারপর ঘূর্ণিঝড়ও হতে পারে। তবে নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে কি না, তা স্পষ্ট হবে কাল। এটি বাংলাদেশের দিকে আসবে কি না, তা–ও নিশ্চিত নয়।
বুধবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ আন্দামান সাগর এলাকায় আছে লঘুচাপটি। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ স্থানীয় একটি দৈনিককে বলেন, সুস্পষ্ট লঘুচাপটি কাল নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। এটি ঘূর্ণিঝড়েও পরিণত হতে পারে। নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে এর নাম হবে ‘মিগজাউম’। এটি মিয়ানমারের দেওয়া নাম।
আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেয় বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার ঘূর্ণিঝড়সংক্রান্ত আঞ্চলিক সংস্থা এসকাপ। এ অঞ্চলের ১৩টি দেশের দেওয়া নামের তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের নাম ঠিক করা হয়। বজলুর রশীদ বলেন, এ ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের দিকে আসবে কি না, তা বলা যাচ্ছে না। মনে করা হচ্ছে, এটি ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের দিকে আসতে পারে। আবার বাংলাদেশের দিকে আসার আশঙ্কাও আছে কিছুটা। বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়।
কবির আহমেদ/ইবিটাইমস