ভিয়েনা ১০:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে : সিইসি টাঙ্গাইলে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তিতে খোলা ময়দানে মোনাজাত স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনসহ নানা অভিযোগে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন ইউরোপের অন্য কোনও দেশে রাশিয়ার হামলার ইচ্ছা নেই নিশ্চয়তা পুতিনের রোমানিয়া-বুলগেরিয়ার যৌথ অভিযানে ৮ মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার মাধবপুরে ইঞ্জিন বিকল, ৩ ঘন্টা পর কালনী এক্সপ্রেস ট্রেন পুনরায় যাত্রা বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটময় সেতুসহ পাঁচ দাবিতে শাহবাগে ভোলাবাসীর অবস্থান

কৃষকেরা সোনালী স্বপ্ন আমন ধান ক্ষেতের পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১০:১৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০২৩
  • ২১ সময় দেখুন

ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি: বর্তমানে আমন ধানের মৌসুম চলছে। গ্রাম গঞ্জের দৃষ্টির সীমানাজুড়ে চারদিকে কেবল সবুজ আর সবুজের সমারোহ। ভোলার লালমোহনের কৃষকদের সোনালী স্বপ্ন এই সবুজকে ঘিরেই তিলে তিলে গড়ে উঠছে। নিয়মিত প্রতিদিন নিজ ফসলের যতœ নিচ্ছেন কৃষকরা। উপজেলার আমন চাষিরা গাছের পরিচর্যা ও সার-ওষুধ প্রয়োগ করে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের আমন চাষি মো. মোতাহার হোসেন বলেন, ধানের চাষ করি প্রতি বছরই। দেড়শত শতাংশ জমিতে ধান চাষ করেছি এ বছর। ধান ক্ষেতে সময় দিচ্ছি এখন নিয়মিত। দেখতে হয় কোনো রোগে আক্রান্ত হয়েছে কিনা ধান গাছ। আশা করছি সবকিছু এবং আবহাওয়া ঠিক থাকলে আশানূরূপ ফলন পাবো।

উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের মুন্সির হাওলা গ্রামের আমন চাষি মো. রিয়াজ উদ্দিন জানান, আমন ধান চাষ করছি গত ২০ বছর ধরে। ৯৬ শতাংশ জমিতে আমনের চাষ করেছি এ বছর। সামনের কয়েকদিনের মধ্যে গাছে ফলন আসতে শুরু করবে। ফসল কাটা পর্যন্ত অন্তত ২০-২৫ হাজার টাকার মতো খরচ হবে। আশা করছি এই ফসল বিক্রি করতে পারবো ৮০ হাজার টাকার মতো।

চাষি রিয়াজ আরো জানান, প্রতিদিন সকাল, দুপুর ও বিকেলে আমি ধান ক্ষেতে গিয়ে সময় দিচ্ছি। এখন এই ক্ষেতের সঙ্গেই দিনের বেশির ভাগ সময় কেটে যাচ্ছে। কারণ ক্ষেতে সার-ওষুধ প্রয়োগ ও  নিয়মিত পরিচর্যা করতে হয়। আশা করছি এ বছর ভালো ফলন পাবো।

লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের আরেক আমন চাষি মো. সালাউদ্দিন জানান, গত বছর ৪০ শতাংশ জমিতে ধান চাষ করেছিলাম। ওই বছর ফলনও ভালো হয়েছিল। তাই এ বছর আরো কিছু জমি বৃদ্ধি করেছি ধান চাষের জন্য। এখন ৬০ শতাংশ জমিতে আমার ধান রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে খরচবাদে ভালো লাভবান হবো ইনশাআল্লাহ।

লালমোহন উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি আমন মৌসুমে উপজেলায় ২৩ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে ধানের চাষ হয়েছে। যার মধ্যে লালমোহনের লর্ডহার্ডিঞ্জ, বদরপুর, ধলিগৌরনগর, পশ্চিম চরউমেদ ও ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের চাষিরা সর্বোচ্চ ধানের আবাদ করেছেন। কৃষকদের চাষ করা ধানের মধ্যে রয়েছে- বিআর-১১, বিআর-২২, বিআর-২৩, ব্রি ধান-৪১, ব্রি ধান-৪৪, ব্রি ধান-৪৯, ব্রি ধান-৫২, ব্রি ধান-৭৬, কাজল সাইল, লোতর, টেফু, লেম্বু, কালোজিরা ও কালাকোরাসহ আরো কয়েকটি জাতের ধান রয়েছে।

এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আহসান উল্যাহ বলেন, কৃষকরা যেকোনো সমস্যা নিয়ে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। আমরা তাদের সমস্যা জেনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছি। এ বছর আবহাওয়া চাষিদের অনুকূলে থাকলে আমনের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জাহিদুল ইসলাম দুলাল/ইবিটাইমস 

জনপ্রিয়

উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

কৃষকেরা সোনালী স্বপ্ন আমন ধান ক্ষেতের পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত

আপডেটের সময় ১০:১৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০২৩

ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি: বর্তমানে আমন ধানের মৌসুম চলছে। গ্রাম গঞ্জের দৃষ্টির সীমানাজুড়ে চারদিকে কেবল সবুজ আর সবুজের সমারোহ। ভোলার লালমোহনের কৃষকদের সোনালী স্বপ্ন এই সবুজকে ঘিরেই তিলে তিলে গড়ে উঠছে। নিয়মিত প্রতিদিন নিজ ফসলের যতœ নিচ্ছেন কৃষকরা। উপজেলার আমন চাষিরা গাছের পরিচর্যা ও সার-ওষুধ প্রয়োগ করে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের আমন চাষি মো. মোতাহার হোসেন বলেন, ধানের চাষ করি প্রতি বছরই। দেড়শত শতাংশ জমিতে ধান চাষ করেছি এ বছর। ধান ক্ষেতে সময় দিচ্ছি এখন নিয়মিত। দেখতে হয় কোনো রোগে আক্রান্ত হয়েছে কিনা ধান গাছ। আশা করছি সবকিছু এবং আবহাওয়া ঠিক থাকলে আশানূরূপ ফলন পাবো।

উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের মুন্সির হাওলা গ্রামের আমন চাষি মো. রিয়াজ উদ্দিন জানান, আমন ধান চাষ করছি গত ২০ বছর ধরে। ৯৬ শতাংশ জমিতে আমনের চাষ করেছি এ বছর। সামনের কয়েকদিনের মধ্যে গাছে ফলন আসতে শুরু করবে। ফসল কাটা পর্যন্ত অন্তত ২০-২৫ হাজার টাকার মতো খরচ হবে। আশা করছি এই ফসল বিক্রি করতে পারবো ৮০ হাজার টাকার মতো।

চাষি রিয়াজ আরো জানান, প্রতিদিন সকাল, দুপুর ও বিকেলে আমি ধান ক্ষেতে গিয়ে সময় দিচ্ছি। এখন এই ক্ষেতের সঙ্গেই দিনের বেশির ভাগ সময় কেটে যাচ্ছে। কারণ ক্ষেতে সার-ওষুধ প্রয়োগ ও  নিয়মিত পরিচর্যা করতে হয়। আশা করছি এ বছর ভালো ফলন পাবো।

লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের আরেক আমন চাষি মো. সালাউদ্দিন জানান, গত বছর ৪০ শতাংশ জমিতে ধান চাষ করেছিলাম। ওই বছর ফলনও ভালো হয়েছিল। তাই এ বছর আরো কিছু জমি বৃদ্ধি করেছি ধান চাষের জন্য। এখন ৬০ শতাংশ জমিতে আমার ধান রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে খরচবাদে ভালো লাভবান হবো ইনশাআল্লাহ।

লালমোহন উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি আমন মৌসুমে উপজেলায় ২৩ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে ধানের চাষ হয়েছে। যার মধ্যে লালমোহনের লর্ডহার্ডিঞ্জ, বদরপুর, ধলিগৌরনগর, পশ্চিম চরউমেদ ও ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের চাষিরা সর্বোচ্চ ধানের আবাদ করেছেন। কৃষকদের চাষ করা ধানের মধ্যে রয়েছে- বিআর-১১, বিআর-২২, বিআর-২৩, ব্রি ধান-৪১, ব্রি ধান-৪৪, ব্রি ধান-৪৯, ব্রি ধান-৫২, ব্রি ধান-৭৬, কাজল সাইল, লোতর, টেফু, লেম্বু, কালোজিরা ও কালাকোরাসহ আরো কয়েকটি জাতের ধান রয়েছে।

এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আহসান উল্যাহ বলেন, কৃষকরা যেকোনো সমস্যা নিয়ে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। আমরা তাদের সমস্যা জেনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছি। এ বছর আবহাওয়া চাষিদের অনুকূলে থাকলে আমনের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জাহিদুল ইসলাম দুলাল/ইবিটাইমস