ভিয়েনা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার লক্ষ্যে সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে টাঙ্গাইলের ১০৬৩ ভোট কেন্দ্র ঝালকাঠিতে দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনী কার্যালয় ও কর্মীদের দোকানে আগুন টাঙ্গাইলে সেই জিয়ার পরিবারকে সান্ত্বনা দিলেন টুকু শহীদ শরীফ ওসমান হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাটের দলিল হস্তান্তর প্রধান উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ সংসদ নির্বাচন: আজ রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল, কাল পরিবহন চলাচল বন্ধ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট : প্রস্তুতি সম্পন্ন হবিগঞ্জে ৬৪৭ কেন্দ্রে ভোট, কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে দেশ পরিচালনা করতে তারা ব্যর্থ হবে – মেজর হাফিজ প্রতিদ্বন্দ্বী দল পাকবাহিনীর দাসত্ব করেছিল: নয়ন

কবি আসাদ চৌধুরী আর নেই

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৬:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৩
  • ৩৩ সময় দেখুন

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আসাদ চৌধুরী দীর্ঘদিন দূরারোগ্য ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন

ইবিটাইমস ডেস্কঃ বুধবার (৪ অক্টোবর) কানাডার টরন্টোর আসোয়া লেকরিচ হাসপাতালে স্থানীয় সময় বুধবার দিবাগত রাত তিনটায় (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার) ৮০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর জামাতা নাদিম ইকবাল বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন এই কবি। তিনি ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে ক্যানসারে ভুগছিলেন। এরপরে তাঁকে বেশ কয়েকবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর মৃত্যুতে দেশের সাহিত্যিক সমাজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কবি আসাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক: বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক আসাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আবদুল মোমেন। বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) এক শোকবার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কবি আসাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে বাংলা সাহিত্যের অপূরণীয় ক্ষতি হলো। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তাঁর অনন্য পদচারণা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে।

তিনি বলেন, দেশের বাইরেও বাংলা সাহিত্য চর্চায় তিনি বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। উত্তর আমেরিকায় বাংলা সাহিত্যের অগ্রযাত্রায় এবং সেখানকার সাহিত্যানুরাগীদের বাংলা ভাষা ও কৃষ্টিতে আকৃষ্ট করতে তার অবদান অনস্বীকার্য। তিনি মরহুম আসাদ চৌধুরীর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

কবি আসাদ চৌধুরী তাঁর প্রথম কবিতার বই ‘তবক দেওয়া পান’–এর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৮৩ সালে তার রচিত ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ’ শীর্ষক গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। একই বছর তিনি ‘সংগ্রামী নায়ক বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক বঙ্গবন্ধুর জীবনী ভিত্তিক গ্রন্থ সম্পাদনা করেন। ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান তিনি। ২০১৩ সালে পান একুশে পদক।

আসাদ চৌধুরী ১৯৪৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলার মেহেন্দিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। কবির পিতার নাম মোহাম্মদ আরিফ চৌধুরী ওরফে ধনু মিয়া ও মাতার নাম সৈয়দা মাহমুদা বেগম।

বাকেরগঞ্জ জেলা নামটি ১৭৯৭ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত ছিল। ১৯৯৩ সালে বরিশাল বিভাগ সৃষ্টির ফলে বাকেরগঞ্জ নামটি জেলা থেকে বাদ দেয়া হয়। জেলা সদর বরিশালের নামে বিভাগের নামকরণ করা হয়। ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর তারিখে থানাটি উপজেলায় উন্নীত হয় এবং বাকেরগঞ্জ শহরটি উপজেলা শহরে পরিণত হয়। ১৯৯০ ইং সালে বাকেরগঞ্জ পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হলে বাকেরগঞ্জ পৌরশহরের মর্যাদা লাভ করে।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস 

জনপ্রিয়

নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার লক্ষ্যে সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে টাঙ্গাইলের ১০৬৩ ভোট কেন্দ্র

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

কবি আসাদ চৌধুরী আর নেই

আপডেটের সময় ০৬:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৩

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আসাদ চৌধুরী দীর্ঘদিন দূরারোগ্য ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন

ইবিটাইমস ডেস্কঃ বুধবার (৪ অক্টোবর) কানাডার টরন্টোর আসোয়া লেকরিচ হাসপাতালে স্থানীয় সময় বুধবার দিবাগত রাত তিনটায় (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার) ৮০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর জামাতা নাদিম ইকবাল বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন এই কবি। তিনি ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে ক্যানসারে ভুগছিলেন। এরপরে তাঁকে বেশ কয়েকবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর মৃত্যুতে দেশের সাহিত্যিক সমাজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কবি আসাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক: বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক আসাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আবদুল মোমেন। বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) এক শোকবার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কবি আসাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে বাংলা সাহিত্যের অপূরণীয় ক্ষতি হলো। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তাঁর অনন্য পদচারণা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে।

তিনি বলেন, দেশের বাইরেও বাংলা সাহিত্য চর্চায় তিনি বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। উত্তর আমেরিকায় বাংলা সাহিত্যের অগ্রযাত্রায় এবং সেখানকার সাহিত্যানুরাগীদের বাংলা ভাষা ও কৃষ্টিতে আকৃষ্ট করতে তার অবদান অনস্বীকার্য। তিনি মরহুম আসাদ চৌধুরীর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

কবি আসাদ চৌধুরী তাঁর প্রথম কবিতার বই ‘তবক দেওয়া পান’–এর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৮৩ সালে তার রচিত ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ’ শীর্ষক গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। একই বছর তিনি ‘সংগ্রামী নায়ক বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক বঙ্গবন্ধুর জীবনী ভিত্তিক গ্রন্থ সম্পাদনা করেন। ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান তিনি। ২০১৩ সালে পান একুশে পদক।

আসাদ চৌধুরী ১৯৪৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলার মেহেন্দিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। কবির পিতার নাম মোহাম্মদ আরিফ চৌধুরী ওরফে ধনু মিয়া ও মাতার নাম সৈয়দা মাহমুদা বেগম।

বাকেরগঞ্জ জেলা নামটি ১৭৯৭ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত ছিল। ১৯৯৩ সালে বরিশাল বিভাগ সৃষ্টির ফলে বাকেরগঞ্জ নামটি জেলা থেকে বাদ দেয়া হয়। জেলা সদর বরিশালের নামে বিভাগের নামকরণ করা হয়। ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর তারিখে থানাটি উপজেলায় উন্নীত হয় এবং বাকেরগঞ্জ শহরটি উপজেলা শহরে পরিণত হয়। ১৯৯০ ইং সালে বাকেরগঞ্জ পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হলে বাকেরগঞ্জ পৌরশহরের মর্যাদা লাভ করে।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস