ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেছেন, আমাদের দেশে শিক্ষার কোন নীতি ছিল না। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রায় ৪০ বছরে এদেশে কোন শিক্ষা নীতির প্রণয়ন করা হয়নি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিক্ষা নীতি প্রণয়ন করার জন্য শিক্ষা কমিশন করেছিলেন। তৎকালীন উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক ড. কুদরাত-এ-খুদার নেতৃত্বে একটা শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়েছিলো। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে হত্যার কারণে সেই শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট আর আলোর মুখ দেখেনি। সেটা আর বাস্তবায়ন হয়নি।
বুধবার বেলা ১টায় ঝালকাঠি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে হাইস্কুল, মাদরাসা ও কলেজ বিজয়ী শিক্ষার্থীদের এবং শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সুপারদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সদর উপজেলায় ৭৩টি পুরস্কার প্রদান করা হয়। ক্যাটাগরি ভিত্তিক ৪৯ জন শিক্ষার্থী, ৩জন প্রধান শিক্ষক, ৩জন শ্রেণি শিক্ষক, ২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্কাউট শিক্ষক ও বিএনসিসি শিক্ষক ২জন, স্কাউট, গার্লস গাইড, রেঞ্জার ও রোভার গ্রুপ ৪জন।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগীতার মনোভাব সৃষ্টি করা, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের সুজগ সৃষ্টি করা, সাংস্কৃতিক বিষয়ে শিক্ষার্থীদের যোগ্য করে গড়ে তোলা ও সর্বপরি শিক্ষার মান উন্নয়ন করার মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ, জাতির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলাকে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ করাই জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের উদ্দেশ্য।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবিকুন্নাহারের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মোঃ শাহ আলম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমান, পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার, নলছিটি উপজেলা চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান, রাজাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মঈন তালুকদার, ইসরাত জাহান সোনালী বিশেষ অতিথি ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা একে এম হারুন অর রশিদ। আলোচনা সভা শেষে পুরস্কার প্রাপ্য উপজেলা শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রতিষ্ঠান প্রধান, শ্রেষ্ঠ কলেজ অধ্যক্ষ, বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের পুরস্কার তুলে দেন।
বাধন রায়/ইবিটাইমস