গার্ডা হ্রদের (Lake Garda) আশেপাশের অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। ডেঙ্গু জ্বর এই জনপ্রিয় পর্যটন অঞ্চলে প্রবেশ করেছে
ইউরোপ ডেস্কঃ জার্মানি ভিত্তিক একটি বিশেষ কোম্পানি “merkur.de” কীটনাশক স্প্রে করে, বাসিন্দাদের সব উপায়ে মশার বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং যতটা সম্ভব কামড় এড়াতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে চলমান ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব এখন উত্তর ইতালির এই জনপ্রিয় পর্যটন অঞ্চলে প্রবেশ করেছে। উল্লেখ্য যে,এই উত্তর ইতালিতেও প্রচুর প্রবাসী বাংলাদেশীদের বসবাস।
উত্তর ইতালির স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে অস্ট্রিয়ান সংবাদ সংস্থা এপিএ জানায়, ইতিমধ্যেই উত্তর ইতালির গার্ডা হ্রদ অঞ্চলের মানেরবা এবং পাদেঙ্গে পৌরসভাগুলিতে মশা নিধনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গ অনেকটাই বাংলাদেশের উপসর্গের সাথে যথেষ্ট মিল আছে।
মানেরবা দেল গার্ডার মেয়র, ফ্লাভিয়ানো ম্যাটিওটি, যে এলাকায় ভাইরাসটি ছড়িয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে সেখানে মশার কামড় এড়াতে জনগণের প্রতি বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের আহবান ও এক নির্দেশনা বা অধ্যাদেশ জারি করেছেন। অধ্যাদেশ অনুসারে, বাসিন্দাদের মশার কামড় থেকে তাদের ত্বককে রক্ষা করতে লম্বা পোশাক পরতে উৎসাহিত করা হয়েছে।
ইতালীয় নিউজ পোর্টাল “gardapost.it” এ খবর দিয়েছে। তাছাড়াও অন্যান্য পোকামাকড়ের কামড় থেকেও নিজেদেরকে সুরক্ষার সুপারিশ করা হয়েছে।
উপদ্রুত এলাকার জনগণকে ডেঙ্গু জ্বরের বাহক এডিস মশার কামড় থেকে নিজেদেরকে সুরক্ষা করতে বাড়ির আশেপাশের জমা পানি পরিষ্কার রাখতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য যে,বাড়ির আশেপাশের জমানো পানি এডিস মশার জন্য একটি জনপ্রিয় স্থান। তাছাড়াও এই মশার কামড় থেকে বাচঁতে রাতে ঘুমানোর সময় মশারির ব্যবহার ও ধোঁয়া দিয়া এই এডিস মশা তাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন মানুষ থেকে মানুষে ডেঙ্গু ভাইরাসের সরাসরি সংক্রমণ নেই। যাইহোক, যখন একজন ব্যক্তি মশা দ্বারা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়, তখন এটি গুরুতর ফ্লু-এর মতো উপসর্গ সৃষ্টি করে। ইতালির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, রক্তপাত বা শক এর মতো জীবন-হুমকির জটিলতাও সম্ভব।
কবির আহমেদ/ইবিটাইমস