আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে যা বললেন ওবায়দুল কাদের

রাজধানী ঢাকায় আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে

ইবিটাইমস ডেস্কঃ শুক্রবার (২৮ জুলাই) দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে আওয়ামীলীগের এই শান্তি সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতু মন্ত্রী সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে শান্তি সমাবেশ শেষ হয়।

সমাবেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, অনেকে আমার কাছে জানতে চান, একই দিনে কেন দুই দলের কর্মসূচি দেওয়া হয়? আমি তাদের উদ্দেশে সবিনয়ে বলতে চাই, আপনারা ২০১৪-১৫ সালে দেখেননি, আমরা চুপ করে থাকলে বিএনপি কোন মূর্তিতে আবির্ভূত হয়? শপথ নিয়ে এসেছি, আগুন নিয়ে আসলে পুড়িয়ে দেবো, ভাঙচুর করলে হাত ভেঙে দেবো।

দেশের বিভিন্ন জাতীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, সমাবেশ শেষে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদের সমর্থকরা। লাঠি ছোড়াছুড়ি করেন তারা। এ সময় নেতাকর্মীরা এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করেন। তবে, মুহূর্তেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। পরে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থল ত্যাগ করেন।

এদিকে বাংলাদেশের জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক যুগান্তর তাদের অনলাইন প্রকাশনায় জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ শেষে সংঘর্ষে ৫ জন হতাহত হয়েছেন।

পত্রিকাটি আরও জানায়,আওয়ামী লীগের তিন সংগঠনের শান্তি সমাবেশ শেষ হওয়ার পর দুপক্ষের সংঘর্ষের মধ্যে ছুরিকাঘাতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও চারজন।

শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে গুলিস্তানের গোলাপ শাহর মাজারের কাছে এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের নাম জানা যায়নি। তার বয়স আনুমানিক ২৫ বছর।পল্টন থানার ওসি সালাহউদ্দীন মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সমাবেশ শেষে ফিরে যাওয়ার সময় দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে ছুরিকাঘাতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে আমি শুনেছি। আহত চারজন হলেন- মো. আরিফুল (১৮), জোবায়ের (১৮), রনি (৩২) ও মোবাশ্বের (২৮)।

শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ আলম বলেন, পাঁচজন ছুরিকাহতের খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে যাচ্ছেন। কীভাবে ঘটনাটি ঘটলো বা কারা হতাহত হলো, সে বিষয়ে তার কাছে তাৎক্ষণিক কোনো তথ্য নেই। আহতদের মধ্যে জোবায়ের নামে এক কিশোর হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেছে, তার বাসা বংশালে। সে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে।মোবাইলের কভার কিনতে গুলিস্থানে এসে মারামারির মধ্যে পড়ে যায়।

আহত রনির বাসা কেরানীগঞ্জ মডেল থানা এলাকায়। তার বুকে ছুরি লেগেছে। নিজেকে তিনি কেরানীগঞ্জ যুবলীগের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।
হাসপাতালের ক্যাজুয়ালিটি (জরুরি বিভাগ) বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক মো. আলাউদ্দীন বলেন, ছুরিকাঘাতে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবক মারা গেছে। বাকি চারজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »