কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা ও কোটা ফেরতের দাবিতে সোচ্চার-বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ

রিপন শান: কোটা সংস্কার আন্দোলনের  নেতাদের কে ঢাকা শহরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা ও কোটা ফেরতের দাবিতে  বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ এর বিশাল আন্দোলনের ঘোষণা আসছে ।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল এর চেয়ারম্যান মো. সোলায়মান মিয়া বলেছেন- এতো দিনে দেশবাসী বুঝতে পারছে যে, মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিরুদ্ধে যারা আন্দোলন করেছে তারা রাষ্ট্রদ্রোহী, খুব শীঘ্রই এই  রাষ্ট্রদ্রোহীদের বিচারের দাবিতে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ বিশাল আন্দোলনের ঘোষণা দিবে, ঈদ-উল- আযহার পরেই একটি বড় আন্দোলনের ঘোষণা আসছে। রাষ্ট্র পরিচালনাকারীদের কাছে আমার প্রশ্ন ? রাষ্ট্রদ্রোহীদের দাবির কাছে কোটা বাতিল হলো কেন ?
সরকার পরিচালনাকারীদের কাছে আমার প্রশ্ন সরকারি দল ও  বিরোধী দল এবং দেশের মানুষ কোটা  বাতিল চাইনি তাহলে কোটা বাতিল হল কেন ?
মুক্তিযোদ্ধা কোটা  বাতিলের  জন্য যারা আন্দোলন করলো  তারা কারা? তারা  এবার চিহ্নিত হয়েছে, দেশদ্রোহী হিসেবে। দেশদ্রোহীরা কোটা সংস্কারের আন্দোলন করলো সংস্কার না করে কোটা  বাতিল করলেন কেন? দেশবিরোধীরা চাইলো পান্তা ভাত তাদেরকে দেওয়া হইলো দুধ কলা কারণ টা কি ?
হাইকোর্ট  থেকে নির্দেশনা আছে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করা যাবেনা  মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০% সংরক্ষণ করতে হবে হাইকোর্টের  নির্দেশনা থাকার পরেও কোটা বাতিল হল কেন ? , কোটা সংস্কারের জন্য যারা আন্দোলন করছে তারা তো বাংলাদেশ বিরোধী  তারা তো একবারও দেশের কথা ভাবেনি!
মো. সোলায়মান মিয়া আরো বলেন- দেশদ্রোহীরা জানে দেশ ধ্বংস করতে হলে আগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করতে হবে,  মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল না করলে দেশ ধ্বংস করা যাবে না, তারা জানে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা প্রশাসনে থাকলে দেশ ধ্বংস করা যাবে না সেই জন্যই দেশ ধ্বংস করার আগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করতে সরকারকে বাধ্য করা হয়েছে।
দেশবিরোধীদের দাবির প্রেক্ষিতে   সরকার যদি  কোটা সংস্কার করতো  তবুও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান নাতি – নাতিরা লাভবান হতো ৩০ থেকে ২০ পার্সেন্ট হলেও  কোটা পেতো  কোটা সংস্কারের দাবির  প্রেক্ষিতে সকল গ্রেডে ৩০ থেকে ২০% করা যাইতো  সকল গ্রেডে কোটা থাকতো!আজ বিসিএস থেকে শুরু করে সহকারী শিক্ষক পদেও মুক্তিযোদ্ধা কোটা নাই, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের  সরকার ক্ষমতায় থাকার পরেও   মুক্তিযোদ্ধা পরিবার এতো বড় ক্ষতিগ্রস্ত হবে এটা কোনদিন চিন্তাও করছিনা এখন সারা দেশের মানুষ ধীরে ধীরে জানতে  পারছে তরুণ রাজনৈতিক নেতা মানেই  টাকা কামানোর কুমির  এরা অল্প বয়সেই কোটিপতি হতে চায় গাড়ি ও বাড়ির মালিক হতে চায়।
সোলায়মান মিয়া আরো বলেন- সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছে বেকার তরুণ তরুণীদের  আবেগকে কাজে লাগিয়ে  কোটা  বিরোধী আন্দোলনকে উজ্জীবিত করা হয়েছে তারা রাতারাতি বনে গেছেন বিশাল বড় নেতা হিরোতে পরিণত হয়েছেন।
কোটা বিরোধীরা এখন দেশ বিরোধী, দেশদ্রোহী রাষ্ট্রদ্রোহী এখন প্রমাণিত  দেশদ্রোহীদের  দাবি মানতে সরকার বাধ্য হল কেন? হাজার হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নিয়ে আন্দোলন করার পরেও সরকার নীরব থাকে কেন? কিসের ভয়ে? বিশাল আন্দোলনের মাধ্যমে  কোটা  ফেরত দিতে সরকারকে বাধ্য করা হবে। জয় আমাদের হবেই ইনশাল্লাহ।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক/ইবিটাইমস 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »