ঝালকাঠির পশুর হাটগুলো শেষ মুহুর্তে জমে উঠতে শুরু করছে

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠিতে শেষ মুহুর্তে কোরবানীর পশুর হাট জমে উঠছে। জেলায় প্রচলিত ৮৬টি হাট বাজারের সাথে কোরবানী উপলক্ষ্যে ১৭টি কোরবানীর পশুর হাটের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। হাটগুলোতে স্থানীয় খামারীদের এবং বিশেষ করে খুলনা অঞ্চল থেকে স্থানীয় হাট গুলোতে  বিক্রির জন্য কোরবানীর পশু এসেছে।

সর্ব নিম্ন ৫০ হাজার থেকে ৪ লক্ষ টাকা মূল্যের গবাদি পশু এই পশুর হাটে বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছল গরুর দাম অনেকটা বেশি। খামারী শংকর মুখাজর্ী জানিয়েছেন বাজারে পশু খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি ও অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় দাম বিগত বছরের তুলনায় বেশি। তবে, এই অঞ্চলের  খামারীরা গরু মোটা তাজা করণের ক্ষেত্রে কোন ক্ষতিকর অর্গানিক ব্যবহার করে না।

খুলনা থেকে আসা খামারী ইস্রাফিল মোর্শেদ জানান, তিনি ১৪টি গবাদি পশু নিয়ে এসেছেন। তার গবাদী পশুর মধ্যে দেড় লক্ষ থেকে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা মূল্যের পশু রয়েছে। নতুন বিকনা পশুর হাটে সদর উপজেলার ভাটারা কান্দা গ্রাম থেকে জল মিয়া হাওলাদার দেড় লক্ষ টাকায় কোরবানীর পশু ক্রয় করেন। তিনি জানান এ বছর জিনিসপত্রের উর্ধ্বগতির কারণে এ বছর গরুর দাম একটু বেশি।

ঝালকাঠির কিত্তিপাশা সড়ক মোড় এলাকায় এবছর প্রথম বারের মতো গরুর হাট বসেছে। এই এলাকার পৌর কাউন্সিলর কামাল শরিফসহ ৩জন এর ইজারা নিয়েছেন। কামাল শরীফ জানান তার এই হাটে স্থানীয় জাতের এলাকার গরু আসছে এবং তিনি আসা করছেন কোরবানীর পশুর হাট জমজমাট হবে।

গরুর হাটগুলোর নিরাপত্তার জন্য পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মোতায়ন করা হয়েছে এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনী পথে ঘাটে কোন ধরনের চাঁদাবাজী প্রতিরোধের ক্ষেত্রে মনিটরিং করছেন।

এ বছর জেলায় ১৮ হাজার কোবানীর জন্য পশুর চাহিদা রয়েছে। তবে, জেলার খামারীরা ২২ হাজার পশু মোটা তাজাকরণ করে প্রস্তুত রেখেছে।

বাধন রায়/ইবিটাইমস/এম আর  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »