মনজুর রহমান,ভোলা: ভোলা জেলার গ্রামগঞ্জের পশুরহাট গুলোতে জমে উঠতে শুরু করেছে । এ বছর জেলায় ৭৩টি টি পয়েন্টে হাট বসছে। পাশাপাশি অনলাইন প্লাট ফর্মেও বসানো হয়েছে ৮ টি পশুর হাট। সেখানে ২৫ হাজার গরু বিক্রি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করছে জেলা প্রানী সম্পদ অধিদপ্তর।
এদিকে হাটগুলোতে দেশীয়জাতের গরুর উপস্তিতি অনেকটা বেশী। তবে দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
বিক্রেতারা বলছেন, পশুরখাদ্যের দাম বাড়ায় লোকসান এড়াতে বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে দাম নাগালের বাইরে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।
এদিকে এবার হাটে কাজ করছে ২১ টি ভেটনারি টিম। রোগে আক্রান্ত গরু যেন বিক্রি না হয় সেজন্য হাটগুলোতে এসব ভেটনারি টিম স্থাপন করা হয়েছে।
জানা গেছে, কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে আগে থেকেই গরুকে মোটাতাজাকরন বা ইস্টপুস্ট করেছেন খামারিরা। বেশী লাভের আশায় প্রাকৃতিক উপায়ে খাদ্য খাইয়ে ক্রেতাদের নজর কাড়তে সেইসব গরু এনেছেন হাটে। বাহারি রং ও আকারের গরু দেখা গেলেও কেনা-বেচা কিছুটা কম। গত বছরের তুলনায় গরুর দাম অনেকচাই বেশীর বলে অভিযোগ করেন ক্রেতারা।
ক্রেতা মোঃ তানজিলুর রহমান বলেন, গরু দাম অনেকটা বেশী, আমাদেরর নাগালের বাইরে। তাই হাট ঘুরে গরু করনার চেস্টা করছি। একই বক্তব্য অন্য ক্রেতাদের।
এদিকে পশুর খাদ্যের দাম বাড়ায় খরচ পুশিয়ে নিতে এবার বাধ্য হয়েই পশুর দাম বেশি বলে মন্তব্য খামারিদের ও বিক্রেতারা
খামারি জাকির হোসেন ও আকতার হোসেন বলেন, হাটে গরুর দাম কিছুটা কম। আরো হাট রয়েছে তখন আরও বাড়তে পারে। তবে পশু খাদ্যের দাম বাড়ার ফলে দাম কিছুটা বেশী। এ অবস্থায় আবার যদি ভারতীয় গরু হাটে উঠে সে ক্ষেত্রে লোকসান হবে বলে মন্তব্য খামারি ও বিক্রেতাদের।
এদিকে হাটগুলোতে আক্রান্ত গরু বিক্রি বন্ধে ২১টি ভেটনারি টিম বসিয়য়েছে প্রানী সম্পদ দপ্তর। আর তাই চাহিদার চেয়ে বেশী গরু সরবরাহ রয়েছে হাটগুলোতে। সরাসরি বিক্রির পাশাপাশি এবার অনলাইনেও গরু-ছাগল বিক্রি হচ্ছে বলে জানায় প্রানী সম্পদ দপ্তরের এ কর্মকর্তা।
জেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মন্ডল বলেন, চাহিদার চেয়েও প্রায় ৫ হাজার গরু সরবরাহ রয়েছে। এবার চাহিদা রয়েছে ৮৪ হাজার ৪’শ সেখানে প্রস্তুত আছে ৯১ হাজার ১’শ টি গরু। জেলায় ২ হাজার ৪৪৫টি বানিজ্যক ও ১৫হাজারটি পারিবারিক খামারে গরু, মহিষ ও ছাগল রয়েছে ৭লাখের অধিক।
ভোলা জেলা প্রতিনিধি/ইবিটাইমস