ব্রুনাইয়ে কুমিরের আক্রমণে এক প্রবাসীর মৃত্যু

দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ ব্রুনাইয়ে কুমিরের কামড়ে জকিগঞ্জের একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে জানা যায় যে,গত ২৫ এপ্রিল (মঙ্গলবার) দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ ব্রুনাইয়ে কুমিরের কামড়ে সিলেটের জকিগঞ্জের একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহত ব্যক্তি বিরশ্রী ইউপির দক্ষিণ বিপক গ্রামের মো. বুরহান উদ্দিন (৩৮)। তবে পরিবারের দাবী তার মৃত্যুর রহস্যজনক।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, প্রায় ৮ মাস আগে জীবিকার তাগিদে দক্ষিণ বিপক গ্রামের মৃত সিদ্দেক আলীর ছেলে বুরহান উদ্দিন দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ ব্রুনাইয়ে পাড়ি জমান। তিনি ব্রুনাইয়ের লিমা মনি ওয়াছান এলাকায় থাকতেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও টিকটকে কুমিরের আক্রমণের দৃশ্য সম্বলিত ফুটেজ বর্তমানে ভাইরাল। ঘটনাস্থলের অনেকেই বলছেন নিহত
বুরহান উদ্দিন পানিতে নেমে মাছ ধরছিলেন। কুমিরটি আকারে বেশ বড় ছিল। তাকে আক্রমণের খবর স্থানীয় প্রশাসনকে দিলে তারা এসে দ্রুত তার
ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে এবং কুমিরটিকে আটক করে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টার দিকে কর্মক্ষেত্রের কাছাকাছি এলাকায় তিনি কুমিরের আক্রমণের শিকার হন। তার চিৎকারে সহকর্মীরা এগিয়ে আসলেও উদ্ধার করতে পারেননি, কুমির টেনে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয় প্রশাসনে লাশ উদ্ধার করে। বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এমনটা প্রচার হয়।

তবে বুরহান উদ্দিনের মৃত্যুর ঘটনাকে রহস্যজনক বলে দাবী করছেন নিহতের ভাতিজা জুয়েল আহমদ।

তিনি জানান, মঙ্গলবার বিকেলে ব্রুনাই থেকে বুরহান উদ্দিনের সহকর্মীরা কল দিয়ে কুমিরের আক্রমণের ঘটনা জানিয়েছেন। আজকে জানাগেছে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ মৃত্যুর পেছনে রহস্য থাকতে পারে। প্রকৃতপক্ষে তার চাচাকে কুমির আক্রমণ করেনি। তার চাচাকে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি দাবী করেন। আসল ঘটনা ধামাচাপা দিতে কুমিরের আক্রমণে মৃত্যু ঘটেছে বলে প্রচার করা হয়েছে। কুমিরের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে এমনটা তিনি মেনে নিতে পারছেন না। হাসপাতালের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

নিহত বুরহান উদ্দিনের স্ত্রী ও এক শিশুবাচ্চা রয়েছে। প্রবাসী বুরহানের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »